স্মার্টফোনে আসক্তরা মাথাব‌্যথায় খাচ্ছেন

সংবাদ ডেস্ক: ঘন ঘন মাথা ব‌্যথা করে? মনে হয় যেন যন্ত্রণায় মাথাটা ছিঁড়ে, ফেটে, চৌচির হয়ে যাচ্ছে? চোখের সামনে সব কিছু ঝাপসা হয়ে যায়? কান ঝালাপালা করে? মুঠো মুঠো পেন-কিলার গিলতে হয়? আচ্ছা, আপনি কি স্মার্টফোন ইউজার? না, না। ভুল কিছু পড়েননি।

পরকীয়া ভুলে সুখী দাম্পত্য জীবনে ফিরতে চান?

দাম্পত্য জীবনে অজান্তেই ঢুকে পড়েছে তৃতীয় কেউ। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও গভীর হয়েছে। কখন কেন কীভাবে নতুন সেই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন, তার ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়াও অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু এমন সম্পর্ক শারীরিক ও মানসিকভাবে আনন্দ ও তৃপ্তি দিলেও একটা সময় তা হয়ে উঠতে পারে মাথা ব্যথার কারণ। 

এক বাটি কর্ন অ্যান্ড প্রন স্যুপেই আরাম

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার। এই সময়ে দিনে হোক বা রাতে, আপনাকে আরাম দিতে পারে একমাত্র একবাটি 

শীতের গলা খুসখুস-সর্দি ভাব? এক বাটি টমেটো স্যুপেই আরাম

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার।

মাইগ্রেন থেকে মুক্তির জন্য করুন

কাজ করতে করতে হঠাৎ করে মাথাব্যথা বা বমি ভাব? কিংবা বাড়ির শিশুটি খেলাধূলা করে ফিরে কিংবা পড়তে বসলেই মাথা ব্যথার কথা বলছে? তাহলে এখনই সাবধান হওয়া উচিত। কারণ চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন এগুলি সবই কিন্তু মাইগ্রেনের লক্ষণ।

শীতে গলা খুসখুস-সর্দি ভাব? এক বাটি উষ্ণ স্যুপেই আরাম পান

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার। এই সময়ে দিনে হোক বা রাতে, আপনাকে আরাম দিতে পারে একমাত্র একবাটি ইষদুষ্ণ, হালকা স্যুপ।

পিঁয়াজ ছাড়াই রাঁধুন মাংসের সুস্বাদু রেসিপি

পিঁয়াজের দাম এখন আকাশছোঁয়া। হালে দাম একটু কমলেও মধ্যবিত্তের এখনও পিঁয়াজ সাধ্যের বাইরে। পিঁয়াজের দামবৃদ্ধির ফলে রান্নাঘরে এখন চিকেন বা মটন ব্রাত্য। পিঁয়াজ ছাড়া মাংস! শুনতে অবাক লাগলেও এমন রেসিপি কিন্তু আছে। পিঁয়াজ ছাড়াই বানানো যেতে পারে চিকেন বা মটনের সুস্বাদু পদ।

দামের ঝাঁজ, পিঁয়াজ ছাড়াই রাঁধুন মাংসের সুস্বাদু রেসিপি

পিঁয়াজের দাম এখন আকাশছোঁয়া। হালে দাম একটু কমলেও মধ্যবিত্তের এখনও পিঁয়াজ সাধ্যের বাইরে। পিঁয়াজের দামবৃদ্ধির ফলে রান্নাঘরে এখন চিকেন বা মটন ব্রাত্য। পিঁয়াজ ছাড়া মাংস! শুনতে অবাক লাগলেও এমন রেসিপি কিন্তু আছে। পিঁয়াজ ছাড়াই বানানো যেতে পারে চিকেন বা মটনের সুস্বাদু পদ।

পুরুষ সঙ্গীর কাছে কী চান মহিলারা?

মানুষের চাহিদার কোনও শেষ নেই৷ বিশেষ করে মহিলাদের৷ নিজের সঙ্গীর কাছেই সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে ভারতীয় কন্যাদের৷
জানেন কি, জীবনের কতটা সময় খরচ হয় যৌনতায়?

জানেন কি, জীবনের কতটা সময় খরচ হয় যৌনতায়?

sex_spot_couple_balcony_600x450মানুষ না কি জীবনের এক তৃতীয়াংশ স্রেফ ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেয়!

শুনলে একটু খারাপ লাগে ঠিকই! একেই তো জীবন বড় ছোট! তারও কি না অনেকটাই চলে যায় ঘুমিয়ে!

বায়োডেটা দেখে লাইফ-পার্টনার বেছে নিচ্ছে নবীন প্রজন্ম!

কাগজের পাত্র-পাত্রী বিজ্ঞাপন বা ম্যাট্রিমনিয়াল সাইট খুললেই চোখে পড়বে ‘চাকুরিরতা, সুন্দরী, গৃহকর্মনিপুনা পাত্রী চাই’ বা ‘ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার, হ্যান্ডসাম পাত্র চাই’৷

ব্যাংক জালিয়াতির নয়া কৌশল, অ্যাপ ‘এনি ডেস্ক’ ডাউনলোডেই কাজ হাসিল

অ্যাপেই চুরি। টাকা হাতানোর নয়া অ্যাপ। ভারচুয়ালি আপনার মোবাইলের দখল নিচ্ছে ব্যাংক জালিয়াতরা। ধারাবাহিক কয়েকটি ঘটনার পর বিষয়টি অবশ্য নজরে এসেছে পুলিশের। সেইমতো শুরু হয়েছে প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

প্রেমিককে কুচি কুচি করে কেটে রেঁধে আবার পরিবেশনও করল মহিলা

প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হলে কোনও মহিলা কী করতে পারে? প্রেমিককে উচিত শিক্ষা দিতে পারে। তাঁকে চড় মারা, মারধর করা বা তাঁর জীবন দূর্বিষহ করে তুলতে পারে। মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারা বা পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ারও ভূরি ভূরি উদাহরণ দেখা দিয়েছে। তবে এসবও এখন জলভাত হয়ে গিয়েছে। 

উদ্যোক্তা নিয়ে ব্যবসা

বিবিসিতে একটা আর্টিকেল পড়লাম, উদ্যোক্তা কি জন্মগতভাবেই উদ্যোক্তা নাকি উদ্যোক্তা তৈরি করা যায়? এ নিয়ে। আসলে প্রশ্নটা জটিল। মূল বিষয়ে যাবার আগে একটা গল্প করা যাক। বিসিএস অনেকের টার্গেট প্লেস। এই সোনার হরিণের পিছনে অনেকেই ছুটেন। কারো নাগালে ধরা দেয়, আবার কারো দেয় না। 

সফল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায় ।

বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা এমন যে অধিকাংশ মানুষ তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ খুজে পায়না। অনেকেই এই সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছেছেন যে কারও অধীনে কাজ করার চেয়ে নিজেরাই নিজেদের পছন্দমত কাজ তৈরি করে নেয়াটা সর্বোত্তম।

বিশ্বের সবথেকে দামী গয়না

গয়না এবং বহুমূল্য পাথর মেয়েদের কাছে খুবই আদরের৷ মেয়েরা এমনিতেই গয়নার নাম শুনলেই দুর্বল হয়ে পড়ে৷ মেয়েদের এই দুর্বলতার কথা কারও অজানা নেই৷তবে এবার যেসব গয়নার কথা বলব, তা দেখলে আপনাদের মাথা ঘুরে যাবে, আর দাম শুনলে চোখ উঠবে কপালে। বিশ্বের সবথেকে দামী এইসব গয়নাগুলো চিনে নিন

স্যাফায়ার রিং অফ প্রিন্সেস ডায়না :  
এই আংটিটি প্রিন্সেস ডায়না পরেছিলেন৷ তারপর থেকেই এই রিংটির নাম স্যাফায়ার রিং অফ প্রিন্সেস ডায়না৷ এটির দাম ৪৫০,০০০ ডলার৷
prience-diana

কুইন মেরি জোস এমাব়্যাল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড নেকলেস :  
কুইন মেরি জোস ইতালির শেষ রাণী৷ তাঁর নামেই এই রিংটির নামকরণ করা হয়েছে৷ এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামী গয়নাগুলির মধ্যে একটি৷ তবে এর সঠিক মূল্য কোথাও প্রকাশ করা যায় না।
queen-merry-rose

মেরি অ্যানন্টিয়োনেট নেকলেস : 
এই নেকলেসটিতে রয়েছে দুটো বিরল হলুদ ডায়মন্ড এবং একটি পিঙ্ক ডায়মন্ড৷ আর বাকিসব সাদা ডায়মন্ড৷ এটির মূল্য ৩.৭ মিলিয়ন ডলার৷
marry-antonie-nec

হ্যারি উইন্সটন ডায়মন্ড ড্রপ ইয়াররিং : 
এটি তৈরি হয়েছে ২০০৬ সালে৷ এটির দাম ৮.৫ মিলিয়ন ডলার৷
drop

ব্রায়োলিটি ডায়মন্ড নেকলেস : 
এটি বিখ্যাত ৭৫.৩৬ ক্যারেট ডায়মন্ড দিয়ে তৈরি করা হয়েছে৷ এটির দাম ১১ মিলিয়ন ডলার৷
briolity-diamond-nec

বুলগারি ব্লু ডায়মন্ড রিং : 
এটিতে গাঢ় ডায়মন্ড নীল রঙের হীরে ব্যবহার করা হয়েছে৷ দাম ৯.৪ মিলিয়ন ডলার৷
bulgari-blue-diamond

পিঙ্ক ডায়মন্ড : 
এটি হালকা গোলাপি রঙের ডায়মন্ড ব্যবহার করা হয়েছে৷ দাম ১৭.৭৭ ডলার৷
pink-diamond

হার্ট অফ দ্য এশিয়ান : 
টাইটানিক সিনেমায় নায়িকা রোজকে এই হার পরতে দেখা গিয়েছিল৷ এটির দাম ২০ মিলিয়ন ডলার৷
heart-of-the-ocean  
দ্য পারফেক্ট পিঙ্ক :  
এটি একটি দারুণ এবং মূল্যবান পাথর৷ রঙ,কাটিং এবং স্বচ্ছতাই এর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে৷ এর দাম ২৩.২ মিলিয়ন ডলার।
the-perfect-pink

দ্য অরেন্স : 
এটি ভিভিট অরেঞ্জ ডায়মন্ড৷ এটির দাম ৩৬ মিলিয়ন ডলার৷ orange

৭১-এর যুদ্ধে ৯৩০০০ পাক বন্দিকে এক ‘অজ্ঞাত’ কারণে ফিরিয়ে দিয়েছিল ভারত


১৯৭২-এর ২ অগাস্ট। ঠিক আট মাস আগেই শেষ হয়েছে ১৩ দিনের ভারত-পাক যুদ্ধ। এদিন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় সিমলা চুক্তি। আর ফলে ভারত ৯৩০০০ পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দিকে ফিরিয়ে দিতে রাজি হয়। ৭১-এর যুদ্ধ চলাকালীন এদের বন্দি করা হয়েছিল ভারতে। এটা ছিল ভারতের অত্যন্ত বিতর্কিত একটি সিদ্ধান্ত। কেন এই সময় ওই বন্দিদের হাতের তাস করে কাশ্মীর নিয়ে দরাদরি করেননি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী? হয়ত মিটে যেত সমস্যা!

কিসের জন্য পাক বন্দিদের ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান ইন্দিরা? এর পিছনে আসল গল্প কি ছিল? সেটা জানলে হয়ত বিতর্কের সমাধান হত। কিন্তু সেই গল্প রয়ে গিয়েছিল গোপনেই। কোনোদিন তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। ৪০ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে সেই যুদ্ধের। সেদিন কেন পাক বন্দিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই রহস্য উদঘাটন করেছেন এক অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিবিদ শশাঙ্ক বন্দ্যোপাধ্যায়।

THE WIRE পত্রিকায় তিনি লিখেছেন সেই ইতিহাস। ২৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর পাক যোদ্ধারা আত্মসমর্পণ করে ঢাকায়। ভারতীয় সেনা ও বাংলাদেশ মুক্তি বাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা। ভারত আর বাংলাদেশের জন্য সে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কিন্তু সেইসময় ইন্দিরা গান্ধী তথা ভারত অন্য এক বিপদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। একদিকে, যুদ্ধের বিপুল খরচ, তার উপরে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা প্রায় ১ কোটি শরণার্থী, যারা পাক সেনার অত্যাচারে সীমান্ত পার করে চলে এসেছিল তাদের খরচ। তার মধ্যে বাড়তি খরচ এই ৯৩০০০ পাক সেনা।

ইন্দিরা গান্ধীর মূল লক্ষ্য হয়ে উঠেছিল, কিভাবে শেখ মুজিবর রহমানকে নিরাপদে দেশে ফেরানো যায়। তার জন্য যে কোনও মূল্য দিতে রাজি ছিলেন তিনি। সেকথা তিনি একজনকেই বলেছিলেন। তিনি হলেন তৎকালীন RAW প্রধান রাম নাথ রাও। পাকিস্তানের মিলিটারি কোর্টে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছিল তাঁকে, নৃশংসভাবে হত্যা করার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। সেটাই ছিল ইন্দিরা গান্ধীর সবথেকে বড় দুঃস্বপ্ন। হৃদয় দিয়ে বাংলাদেশকে সমর্থন করেছিল ভারত। তাই মুজিবর রহমানকে হত্যা করা হলে, ভারতের স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে। এটাই ছিল ভয়। বাংলাদেশকে ‘অনাথ’ দেখতে চাননি তিনি।

এদিকে, পরাজয়ের অপমান সহ্য করতে না পেরে পদত্যাগ করেন তৎকালীন পাক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহা খান। আমেরিকায় থাকা জুলফিকর আলি ভুট্টোকে ফোন করে সেকথা জানান। দায়িত্ব দিয়ে যান ভুট্টোকেই। তড়িঘড়ি রাওয়ালপিন্ডির বিমান ধরেন ভুট্টো।

ইন্দিরার ঐতিহাসিক কূটনীতি:
ভুট্টোর ফেরার খবর পেয়েই জরুরি মিটিং ডাকেন ইন্দিরা গান্ধী। ভুট্টোর বিমান রিফুয়েলিং-এর জন্য থামার কথা ছিল হিথরো বিমানবন্দরে। ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন, সেইসময় সেখানে উপস্থিত থাকুক কোনও ভারতীয় প্রতিনিধি। যাতে তিনি জানতে পারেন, মুজিবর রহমানকে নিয়ে কি ভাবছেন তিনি? সেই বৈঠকে ছিলেন বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা দূর্গা প্রসাদ ধর, RAW প্রধান রাম নাথ কাও, প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি পিএন হাসকার, বিদেশ সচিব টিএন কাউল।

মুজফ্ফর হোসেন, পূর্ব পাকিস্তানের চিফ সেক্রেটারি ছিলেন। তিনি ভারতে যুদ্ধবন্দি হন এবং ডিপি ধরের বাড়িতে অতিথির মর্যাদায় ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ছিলেন লন্ডনে। ফলে সেইসময় কূটনীতিকদের মাধ্যমেই যোগাযোগ করতেন স্বামী-স্ত্রী। অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিবিদ শশাঙ্ক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনিই দু’জনের মাধ্যম হয়ে উঠেছিলেন ফলে দু’জনের সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। লায়লা ছিলেন ভুট্টোর একসময়ের বান্ধবী। সেই লায়লাকেই কাজে লাগান ইন্দিরা। ভুট্টোর সঙ্গে কথা বলতে পাঠান লায়লাকে। উদ্দেশ্য ছিল একটাই।

মুজিবরকে নিয়ে কি ভাবছেন সেটা জানা। এই শশাঙ্ক বন্দ্যোপাধ্যায়ই লায়লাকে জানান, তিনি আতে হিথরো বিমানবন্দরে গিয়ে একসময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ভুট্টোকে বলেন, তাঁর স্বামীকে ভারত থেকে ছাড়ার ব্যবস্থা করতে। সেইমত এয়ারপোর্টের লাউঞ্জে দেখা হয় দু’জনের। কথাবার্তা শেষে লায়লাকে কাছে টেনে তাঁর কানে কানে একটা বার্তা দেন ভুট্টো। বলেন, ‘লায়লা আমি জানি, তুমি কি জানতে এসেছ। একটা মেসেজ দিও ইন্দিরা গান্ধীকে। বোলো, আমি মুজিবর রহমানকে মুক্তি দেব। কিন্তু বদলে কি চাইব? সেটা পরে জানাব।’

বার্তা জানান লায়লা। তবুও সন্দেহ দূর হয় না। ভারতকে ভুল পথে চালিত করছেন না তো ভুট্টো? কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই সন্দেহের অবসান হল। খবরটা সত্যি সেটাই জানা গেল। বদলে চাওয়া হল ৯৩০০০ যুদ্ধবন্দিকে। ১৯৭২-এর ৮ জানুয়ারি ছেড়ে দেওয়া হল মুজিবর রহমানকে। ফিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন তিনি। এর ঠিক আট মাস পরে ছেড়ে দেওয়া হয় ওইসব পাক যুদ্ধবন্দিদের।

মহিলাদের জন্য বিপজ্জনক সাত শহর

গ্লোবালাইজেশনের যুগে যে হারে ধর্ষণ, নারী নির্যাতনে মত ঘটনা ঘটছে তাতে বিশ্বের কোনও কোণাতেই মহিলারা সুরক্ষিত নন৷ তবে এই বিষয়ে নিয়েই সম্প্রতি থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন একটি সমীক্ষা চালিয়েছে৷ প্রায় ৬,৫৫০ জন মহিলার উপর পরীক্ষা চালানো হয় এই গবেষণা৷ এতে দেখা গিয়েছে বিশ্বে এমন সাতটি শহর রয়েছে যেখানে পরিবহন ব্যবস্থা নারীদের জন্য একেবারেই সুরক্ষিত নয়৷

ভারত
অসুরক্ষিত শহরের তালিকায় সবার প্রথমেই উঠে এসেছে ভারতের নয়া দিল্লির নাম৷ এখানে কোনও মহিলা যদি একা একা ঘুরে বেড়াতে চান তবে তা একেবারেই সম্ভব নয়৷ বিশেষ করে সন্ধ্যের পর৷ আড়াই কোটি মানুষের বাস এই শহরে৷ জনসংখ্যার দিক থেকে এটিই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজধানী৷ ২০১২ সালে নির্ভয়া কাণ্ডই এর সবচেয়ে বড় জ্বলন্ত প্রমাণ৷ শুধু নির্ভয়া একা নয়, তার পরেই দিল্লিতে প্রায় প্রতিদিনই অন্তই একজন করে মহিলা লাঞ্চনার শিকার হয়ে চলেছেন৷

কলম্বিয়া
মহিলার জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিবহণ ব্যবস্থার তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে কলম্বিয়ার বোগোটা শহর৷ সমীক্ষা বলছে, এই শহরে প্রায় ৯৬ লক্ষ মানুষের বাস৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও এই শহরের বাস বা ট্রেন পরিষেবা একেবারেই নিম্ন মানের৷ দেখা গিয়েছে রাতে দিকে কোনও মহিলা বাসে বা ট্রেনে একা চলাফেরা করলে তাকে যৌন হয়রানি বা ছিনতাইয়ের শিকার হন৷

মেক্সিকো
মেক্সিকো সিটিতে প্রায় ২ কোটি ১০ লক্ষ মানুষ বসবাস করেন৷ এটি মেক্সিকোর রাজধানীও৷ কিন্তু সভ্য শহর হয়েও এই শহরের নারীরা অসুরক্ষিত৷ এই শহরে যে মহিলারা গণপরিবহণের মাধ্যমে যাতায়াত করেন তারা প্রতিনিয়তই শ্লীলতাহানি ও শারীরিক হেনস্তার শিকার হন৷

পেরু
পেরুর রাজধানী লিমা শহরে প্রায় ৬২ লক্ষ মানুষের বাস৷ এই শহরটি যদিও একটি অনুন্নত দেশের অধীনে৷ এই শহরের এক তৃতীয়াং মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন৷ সেকারণেই এখানকার পরিবহণ ব্যবস্থা নারীদের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক৷ ছিনতাই, যৌন হয়রানি বা শ্লীলতাহানির ঘটনা এই শহরের নিত্যদিনের সঙ্গী৷

ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থাও একেবারেই বেহাল৷ ইতিমধ্যেই সাধারণ পরিবহণে নারীদের যৌন হয়রানির ঘটনার ফলে ব্যাপ সমালোচনার মুখে পড়েছে সেদেশের সরকার৷ সেকারণেই ট্রেনে ও বাসে মহিলাদের বসার আলাদা ব্যবস্থা করে হয়েছে৷ এখানকার বাসে পকেটমারির ঘটনা একেবারেই সাধারণ৷

মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর শহরে পর্যটনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয়৷ কিন্তু এশহরের চিত্রটাও একই রকম৷ দেখা গিয়েছে এশহরের রাতের বেলায় এক একজন নারী একেবারেই নিরাপদ নন৷

ব্যাংকক
সাধারণ কোনও পর্যটক বিদেশ যাত্রা বলতেই বোঝেন ব্যাংকক-পাটায় ট্রিপ৷ দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটকদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় ব্যাংককও নারীদের জন্য অসুরক্ষিত৷ বাসে বা ট্রেনে প্রতিনিয়তই যৌন হেনস্তার শিকার হন মহিলারা৷

যৌনসম্পর্ক আছে এমন মেয়েদের ‘সস্তা বেশ্যা’ বলছে

নিউজিল্যান্ডে একটি মাধ্যমিক স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অতি-রক্ষণশীল যৌন শিক্ষার পুস্তিকা বিতরণ! যা নিয়ে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
 
‘নিরাপদ যৌনজীবন’ বা ‘সেফ সেক্স’ নামের ওই পুস্তিকায় বিয়ের আগে যৌনসম্পর্ক করেছে এমন মেয়েদের ‘সস্তা বেশ্যা’, এবং বিয়ে ছাড়াই একসঙ্গে থাকছে এমন যুগলকে ‘মজ্জাগতভাবে দায়িত্বহীন ব্যভিচারী’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এমনকি এই বইটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কেউ সমকামিতায় লিপ্ত হলে তার জন্য মৃত্যু ও নরক অপেক্ষা করছে।’

ক্রাইস্টচার্চের পাপানুই হাই স্কুলের স্বাস্থ্য শিক্ষার ক্লাসে ১৫ বছরের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এই পুস্তিকা বিলি করা হয়। এর পর এক ছাত্রের মা এ নিয়ে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে অনলাইনেও ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে।  


স্কুলটির প্রধান শিক্ষক জেফ স্মিথ অবশ্য বলছেন, ছাত্রদের কাছে একটি উগ্র মতাদর্শকে তুলে ধরার জন্যেই বইটি বিলি করা হয়েছে। যদিও এতে স্কুলের নিজস্ব আদর্শের কোন প্রতিফলন ঘটেনি বলে মন্তব্য জেফ স্মিথের।

সন্তানের খাবার যোগাতে ৫০ টাকার জন্য ‘ন্যুড মডেল’

নগ্নতার সম্মান৷ শুনতে কানে লাগে৷ অথচ নগ্নতার নান্দনিকতা যুগ যুগ ধরে পূজিত হয়ে এসেছে৷ নগ্নতা সমাজের কাছে দৃষ্টিকটু৷ কিন্তু শিল্পীদের কাছে শিল্প, প্রেরণা৷ সেই নগ্নতা এবার যখন সসম্মানে উচ্চপদ লাভ করছে, স্থির থাকতে পারেননি ন্যুড আর্টিস্টি লক্ষ্মী৷ দৃঢ়তার সঙ্গে বলে ফেললেন, “নগ্নতা শেষমেশ সম্মান পাচ্ছে৷ আমি খুব খুশি৷”

আসছে রবি যাদব পরিচালিত ছবি ন্যুড৷ একটি ন্যুড আর্টিস্টকে নিয়ে ছবির গল্প৷ এবছর এপ্রিলে ছবিটির মুক্তি পাওয়ার কথা৷ এই ছবিরই প্রধান প্রোটাগনিস্ট লক্ষ্মী৷ তাঁর জীবনই স্টোরি লাইন৷ কথা প্রসঙ্গে লক্ষ্মী জানিয়েছেন, যখন ছেলের মাত্র ৩ বছর বয়স, তাঁর স্বামী মারা যান৷ দুচোখে অন্ধকার দেখেন লক্ষ্মী৷ কিন্তু তিনি ভেঙে পড়েননি৷ হন্যে হয়ে কাজ খুঁজেছিলেন সেই সময়৷ ছেলেকে তো বাঁচাতে হবে৷ সেই কারমেই প্রতিদিন নিজের এক কাকিমাকে কাজের কথা বলতেন তিনি৷ কিন্তু সেই কাকিমা কোনও উচ্চবাচ্য করতেন না৷ এরপর লক্ষ্মী নিজে মুম্বইয়ের জেজে স্কুলে যান৷ সেখানেই তাঁর কাকিমা কাজ করতেন৷ একদিন বিকেলে দুজনের দেখা হয়৷ লক্ষ্মী জানতে পারেন তাঁর কাকিমা সেখানে ন্যুড আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন৷ বলছিলেন লক্ষ্নী৷

ওই কাকিমাই তাঁকে এই জগতের সন্ধান দেন৷ বলেন, লক্ষ্মী তো কাজ খুঁজছে৷ কাজ রয়েছে৷ কিন্তু ন্যুড আর্টিস্টের কাজ৷ লক্ষ্মী কি পারবে?

কথা শুনে একটু দ্বিধান্বিত হয়েছিলেন লক্ষ্মী৷ কিন্তু মাথায় তখন ছেলেদের দায়িত্ব৷ তাই সাতপাঁচ ভেবে কাজটি নিয়েই নেন তিনি৷ প্রথমদিনের কাজের অভিজ্ঞতা স্বভাবতই ছিল অস্বস্তিকর৷ হাজার হাজার পুরুষ চোখের মাঝে তাঁকে দেহ থেকে কাপড় সরাতে হয়েছিল৷ হতে হয়েছিল সম্পূর্ণ নগ্ন৷ এমন নির্মম বাস্তব মানতে পারেননি তিনি৷ কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্রফেসররা তাঁর পাশে দাড়িয়েছিলেন সেদিন৷ বুঝিয়েছিলেন, নগ্নতা একটা আর্ট৷ এর মধ্যে নান্দনিকতার ছড়াছড়ি৷ আর আজ সেই ভীরু লক্ষ্মীই বুক চিতিয়ে বলেন, “আমার কাজ পৃথিবীর সেরা কাজ৷”

তাঁর কাজকে অনেকেই ভালো চোখে দেখত না৷ এখন, যখন এই পেশা স্বীকৃতি পাচ্ছে, খুব খুশি লক্ষ্মী৷ তিনি এও বলেছেন, যখন তিনি এই পেশায় এসেছিলেন, খুব একটা ভালো পারিশ্রমিক পেতেন না৷ সম্মানজনক পেশাও ছিল না৷ কিন্তু তবু তিনি এই পেশায় আসেন, কারণ তাঁকে তাঁর সন্তানদের পেট চালাতে হত৷ তাদের পড়াশোনা শেখাতে হত৷ তারা যেন দারিদ্রতাকে প্রত্যক্ষ না করে, তার জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন তিনি৷

ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠায় বসে থাকার জন্য আগে একজন ন্যুড মডেল পেতেন মাত্র ৫০ টাকা৷ তবু এখন তা বেড়েছে৷ দাঁড়িয়েছে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা৷ কোনও কোনও দিন কাজ থাকত না৷ তখন টাকাও জুটতো না৷ কিন্তু সৌভাগ্যের বিষয়, বেশিরভাগ দিনই মডেল হওয়ার জন্য তাদের ডাক পড়ত৷ লক্ষ্মী বলেছেন, সিটিংয়ের মাঝে খুব কমবার ব্রেক পেতেন তাঁরা৷ বেশিরভাগ সময়ই তাঁদের একই পোজিশনে বসে থাকতে হত৷ তবে নগ্নতার জন্য কখনও তাঁদের অসম্মান করা হয়নি৷ ছাত্রছাত্রীদের ন্যুড মডেলদের সম্মান করতে শেখানো হত৷

আজও তা একচুলও নড়েনি৷ এখনও শিল্পীদের চোখে তাঁদের কদর রয়েছে৷ শুধু পার্থক্য এই যে, অনেকেই তাঁদের এই পেশার জন্য সম্মান দেয় না৷ কিন্তু ভবিষ্যৎ বদলাবে৷ আশাবাদী লক্ষ্মী৷ অন্তত এমন ছবি মুক্তি পাওয়ার পর দৃষ্টিভঙ্গি যে পালটাবে, তা নিয়ে তাঁর মধ্যে কোনও দ্বিধা নেই৷