এক বাটি কর্ন অ্যান্ড প্রন স্যুপেই আরাম

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার। এই সময়ে দিনে হোক বা রাতে, আপনাকে আরাম দিতে পারে একমাত্র একবাটি 

শীতের গলা খুসখুস-সর্দি ভাব? এক বাটি টমেটো স্যুপেই আরাম

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার।

শীতে গলা খুসখুস-সর্দি ভাব? এক বাটি উষ্ণ স্যুপেই আরাম পান

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার। এই সময়ে দিনে হোক বা রাতে, আপনাকে আরাম দিতে পারে একমাত্র একবাটি ইষদুষ্ণ, হালকা স্যুপ।

পিঁয়াজ ছাড়াই রাঁধুন মাংসের সুস্বাদু রেসিপি

পিঁয়াজের দাম এখন আকাশছোঁয়া। হালে দাম একটু কমলেও মধ্যবিত্তের এখনও পিঁয়াজ সাধ্যের বাইরে। পিঁয়াজের দামবৃদ্ধির ফলে রান্নাঘরে এখন চিকেন বা মটন ব্রাত্য। পিঁয়াজ ছাড়া মাংস! শুনতে অবাক লাগলেও এমন রেসিপি কিন্তু আছে। পিঁয়াজ ছাড়াই বানানো যেতে পারে চিকেন বা মটনের সুস্বাদু পদ।

দামের ঝাঁজ, পিঁয়াজ ছাড়াই রাঁধুন মাংসের সুস্বাদু রেসিপি

পিঁয়াজের দাম এখন আকাশছোঁয়া। হালে দাম একটু কমলেও মধ্যবিত্তের এখনও পিঁয়াজ সাধ্যের বাইরে। পিঁয়াজের দামবৃদ্ধির ফলে রান্নাঘরে এখন চিকেন বা মটন ব্রাত্য। পিঁয়াজ ছাড়া মাংস! শুনতে অবাক লাগলেও এমন রেসিপি কিন্তু আছে। পিঁয়াজ ছাড়াই বানানো যেতে পারে চিকেন বা মটনের সুস্বাদু পদ।

প্রেমিককে কুচি কুচি করে কেটে রেঁধে আবার পরিবেশনও করল মহিলা

প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হলে কোনও মহিলা কী করতে পারে? প্রেমিককে উচিত শিক্ষা দিতে পারে। তাঁকে চড় মারা, মারধর করা বা তাঁর জীবন দূর্বিষহ করে তুলতে পারে। মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারা বা পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ারও ভূরি ভূরি উদাহরণ দেখা দিয়েছে। তবে এসবও এখন জলভাত হয়ে গিয়েছে। 

পুরুষদের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির অসাধারণ প্রাকৃতিক উপায়

অধিকাংশ পুরুষের মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে। দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌন ইচ্ছা যাচ্ছে ক্রমশ কমে। কাজেই যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন৷ জেনে নিতে পারেন কী করে এই চাহিদা ক্রমশ ক্ষয়মান হচ্ছে৷

হোম রেমেডি পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার উপায় বার করেছে হোম রেমেডি৷ যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবেমাত্র দেখা দিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হোম রেমেডি কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে হোম রেমেডি দ্বারা চিকিৎসা করা যায় কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়৷

এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম ধাপের চিকিৎসাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কি কি সামগ্রী কাজে লাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার হয়-


রসুন: যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুনকে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে৷ যা আমরা প্রায় প্রতিনিয়্তই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকি৷

আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোনো রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷ এছাড়া যদি কোনো ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশি হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রেও রসুন খুবই কার্যকরী৷

প্রতিদিন দু’ থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷

পেঁয়াজ: কাম-উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসেবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ কিন্তু এটি কীভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখনো পর্যন্ত সঠিকভাবে জানা যায়নি৷
সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷

এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷ এটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷

গাজর: দেড়শো গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।
একঘেয়ে ব্রেকফাস্টে মজাদার ট্যুইস্ট

একঘেয়ে ব্রেকফাস্টে মজাদার ট্যুইস্ট

সকালের জলখাবারে কী খাবেন বা কী খাওয়াবেন এটা নিয়ে যন্ত্রণায় পড়েন প্রতিদিন?
কেউ কেউ তাড়াতাড়িতে ব্রেকফাস্টই করেন না, আবার একই খাবার রোজ রোজ প্রতিদিন ভালো লাগেনা৷ কর্ণফ্রেক্স বা পাউরুটি-জেলিও মুখে রোচে না অনেকেরই।
কোন কোন খাবার তৈরিতে রান্না বান্নার কোন ঝামেলাই নেই,কিন্তু খেতে দারুণ সুস্বাদু, জেনে নিন৷ এই খাবারগুলো আপনাকে বোর করবে না মোটেই। রোজই খেতে পারবেন নিত্য নতুন সব খাবার!


১। সকালে একটি দারুন খাবার চিঁড়ে ও দই। কিন্তু সেই একঘেয়ে চিঁড়ে-দই কতদিন ভালো লাগে? জেনে নিন একটা মজার কৌশল। জল দিয়ে ধুয়ে রাখা চিঁড়ার মাঝে ফেটানো দই দিন, সাথে যোগ করুন নারকেল কোরা, বাদাম, শুকনো বা তাজা ফল, এক চিমটি লবণ ও সামান্য দুধ। ব্যাস, তৈরি আপনার দারুণ হেলদি ব্রেকফাস্ট!
২। সাধারণ প্যানকেক তৈরিতে অনেক ঝামেলা৷ ফ্রিজে রাখা রুটি দিয়ে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন ব্রেড প্যানকেক। রুটি গুলো দুধে ভিজিয়ে নরম করে একেবারে ভর্তা বানিয়ে নিন। সাথে ডিম ও নুন যোগ করুন। পাতলা করতে আরও দুধ দিন। এবার আপনার ইচ্ছা মত চিনি, অথবা পেঁয়াজ মরিচ ও মশলা যোগ করে তৈরি করে নিন পাতলা প্যানকেক। স্বাদে কিন্তু দারুণ এই খাবারটি!

৩। নুডুলস তৈরি করতে বেশ ঝামেলা৷ অথচ পেটভরানো কিছু খেতে চান? তাহলে তৈরি করে ফেলুন চিঁড়ের পোলাও। চিঁড়ে ধুয়ে নিন। এরপর প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ একটু ভেজে একটি ডিম ঝুরি করে নিন। চাইলে সবজি দিতে পারেন। সামান্য জিরে ও মরিচ গুঁড়ো দিয়ে ভাজুন। চিঁড়ে দিয়ে দিন। একটু ভেজেই নামিয়ে নিন। তৈরি মজাদার চিঁড়ের পোলাও।
৪। সকালে ওটস খেতে চান, কিন্তু রান্না করার সময় নেই? রাতে ঘুমাবার সময় ওটসের সাথে পরিমাণ মত দই ও দুধ দিয়ে, সাথে সামান্য চিনি ও কিসমিস দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। চাইলে ফ্রিজেও রাখতে পারেন। সারা রাত তরল শুষে ওটস নরম হয়ে যাবে। সকালে আপনি পাবেন একদম তৈরি ব্রেকফাস্ট! চাইলে ফল যোগ করে খেতে পারেন।
৫। ডিম আর রুটি খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে গেছেন? তৈরি করে ফেলুন দারুণ স্বাদের এক খাবার৷ একটি বা দুটি ডিমকে নুন ও দুধ দিয়ে গুলে নিন। এবার প্যানে তেল বা মাখন অল্প আঁচে গরম করে এই ফেটানো ডিম দিয়ে দিন। এবার এই ডিমের ওপরে দিন আপনার যা ইচ্ছা। গাজর, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ব্রকলি দিতে পারেন। সসেজ টুকরো, ফ্রিজে রাখা রান্না করা চিকেন, চিংড়ি, এমনকি ফ্রিজে চিকেন ফ্রাই থাকলে সেটাও টুকরো করে দিতে পারেন। দিতে পারেন চিজ কিংবা রুটি টুকরোও।
আপনার যা ভালো লাগে উপরে ছড়িয়ে দিন। একটু ভাজা জিরের গুঁড়ো, ধনে পাতা বা চাট মশলা দিতে পারেন দেশী স্বাদ চাইলে। এরপর ঢাকনা লাগিয়ে অল্প আঁচে রাখুন। নিচে জমে গেলে এবং ওপরে ডিম রান্না হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। চাইলে ওভেনে ৫ মিনিট বেকও করে নিতে পারেন। এটি নিজেই একটি সম্পূর্ণ ডিশ, এর সাথে অন্য কিচ্ছু প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে এর সাথে যে কোন কিছুই খেতে পারেন৷

থাইরয়েড গ্রন্থির সক্রিয়তা: মানসিক অবসাদ

বয়স্কদের ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি হতে পারে মানসিক অবসাদের কারণ৷ নতুন এক গবষণায় প্রমাণ হল এমনই এক তথ্য৷ শরীরের বিপাকীয় ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করার সঙ্গে থাইরয়েড মানসিক সুস্থতার উপরেও গভীর প্রভাব বিস্তার করে৷
থাইরয়েডের গ্ল্যান্ড কতটা সক্রিয় তা জানার জন্য গবেষকেরা থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোনের (টিএসএইচ) মাত্রা পরিমাপ করেন৷ থাইরয়েড গ্লান্ড হল এই হরমোন ক্ষরণের মূল উৎস৷ যখন টিএসএইচ এর মাত্রা কম থাকে তখন থাইরয়েড গ্লান্ড সক্রিয় থাকে এবং এটি প্রচুর পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন করে৷ গবেষকেরা আসল থাইরয়েড হরমোনের মাত্রার পরিমাপও গ্রহণ করেন এবং থাইরয়েডের সক্রিয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হন৷ রটারডামের ইরাসমাস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক মার্কো মেডিকি জানান, যে বয়স্করা একা থাকে এবং যাদের থাইরয়েডের সক্রিয়তা রয়েছে তারা অন্যান্যদের তুলণায় অনেকবেশি মানসিক অবসাদের শিকার৷ এ থেকে এটাই প্রমাণিক যে, থাইরয়েডের কার্যকলাপের ফলে মানসিক স্থিতির পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগী হাইপোথাইরয়ডিসম ও হাইপারথাইরয়ডিসম-এর শিকার হতে পারে৷
এই গবেষণার জন্য গবষকেরা ৭০ বছর বয়সী প্রায় ১,৫০৩ জবকে নিয়ে একটি পরীক্ষা করেন৷ গবেষকেরা এদের প্রত্যেকের টিএসএইচ এর মাত্রা এবং তাদের অবসাদের উপসর্গগুলি পরীক্ষা করেন৷ প্রথম বারের পরিদর্শনে অবসাদের কোন উপসর্গ দেখা না গেলেও পরবর্তী ৮ বছরে তাদের মধ্যে অবসাদের উপসর্গ বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়৷
এই গবেষণায় টিএসএইচ-এর পরিমাণের ভিত্তিতে ব্যক্তিদের তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়৷ মেডিকি জানান, এই গবেশণার ফলস্বরূপ দেখা যায়, যাদের মধ্যে সাইরডেয়ের সক্রিয়তার শক্তিশালী প্রভাব দেখা যায় তারা প্রত্যেকেই অস্বাস্থ্যকর মানসিক অবস্থায় রয়েছেন৷ এই গবেষণার ফলে অবসাদের চিকিৎসার একটি নতুন দিশা উন্মোচিত হল৷
সম্প্রতি এই গবেষণাটি এন্ডোক্রাইন সোসাইটির ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজমের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷

কাশ্মীরি পোলাও


উপকরণ: পুরোনো বাসমতী চাল ২ কাপ উষ্ণ গরম জলে ভিজিয়ে রাখা, তেল সিকি কাপ, পেঁয়াজকুচি আধকাপ, এলাচ ৪টে, লবঙ্গ ২ টি, নুন ও চিনি স্বাদ অনুযায়ী, কিসমিস ২ টেবিল চামচ, শাহি বিরিয়ানি মশলা ১ টেবিল চামচ, গরম জল আড়াই কাপ, আদাবাটা ১ চা চামচ, কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ, জাফরান আধ চা চামচ, ক্ষীর সিকি কাপ, আনারসকুচি ১ কাপ, আঙুর চিরে নেওয়া ২৫০ গ্রাম, ঘি সিকি কাপ, ২টি তেজপাতা, দারচিনি ৪ টুকরো, ৪ টে কাঁচালঙ্কা, গুঁড়োদুধ ২ টেবিল চামচ, কাজু বাদাম আধ কাপ, রসুন বাটা আধ চা চামচ, গোলাপজল ১ টেবিল চামচ, বেদানা আধ কাপ, আপেলকুচি ১ কাপ, চেরি ফল কুচি সিকি কাপ, কমলালেবু ২টি৷
শাহি বিরিয়ানীর মশলা: দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জাযইফল, জয়িত্রি, সাদা গোলমরিচ, শাহি জিরা ও চিনি পরিমাণ মতো ঢেলে গুঁড়ো করে নিন৷
প্রণালী: সব ফলগুলি একটি বাটিতে এক টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে মেখে রেখে দিন৷ হাঁড়িতে তেল ও ঘি গরম করে তেজ পাতা ও গোটাগরম মশলা ফোড়ন দিন৷ এবার তাতে পেঁয়াজ দিয়ে সোনালি রঙ করে ভেজে নিন৷ আদা ও রসুনবাটা দিয়ে কষিয়ে নিয়ে ভিজিয়ে রাখা বাসমতি চাল দিয়ে দিন৷ পাঁচ মিনিট ভেজে গুঁড়ো দুধ দিয়ে আরও বেশ কিছুক্ষণ ভাজুন৷ চাল ভাজা হয়ে গেলে গরম জল ও নুন দিয়ে নেড়ে ঢাকা দিয়ে মাঝারি আঁচে রেখে দিন৷ জল টেনে গেলে লেবুর রস মিশিয়ে রাখা ফল, গোলাপজল, কেওড়া জল, চিনি ও ক্ষীর ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে দিন৷ দল সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে কাঁচা লঙ্কা, কাজু বাদাম ও কিশমিশ ছড়িয়ে আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন কিছু ক্ষণ৷ তারপর পোলাও ঝরঝরে হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে কিছুক্ষণ দমে রেখে দিন৷ ব্যাস কাশ্মীরি পোলাও তৈরি৷ গরম গরম পরিবেশন করুন৷