এক বাটি কর্ন অ্যান্ড প্রন স্যুপেই আরাম

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার। এই সময়ে দিনে হোক বা রাতে, আপনাকে আরাম দিতে পারে একমাত্র একবাটি 

শীতের গলা খুসখুস-সর্দি ভাব? এক বাটি টমেটো স্যুপেই আরাম

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার।

শীতে গলা খুসখুস-সর্দি ভাব? এক বাটি উষ্ণ স্যুপেই আরাম পান

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার। এই সময়ে দিনে হোক বা রাতে, আপনাকে আরাম দিতে পারে একমাত্র একবাটি ইষদুষ্ণ, হালকা স্যুপ।

পিঁয়াজ ছাড়াই রাঁধুন মাংসের সুস্বাদু রেসিপি

পিঁয়াজের দাম এখন আকাশছোঁয়া। হালে দাম একটু কমলেও মধ্যবিত্তের এখনও পিঁয়াজ সাধ্যের বাইরে। পিঁয়াজের দামবৃদ্ধির ফলে রান্নাঘরে এখন চিকেন বা মটন ব্রাত্য। পিঁয়াজ ছাড়া মাংস! শুনতে অবাক লাগলেও এমন রেসিপি কিন্তু আছে। পিঁয়াজ ছাড়াই বানানো যেতে পারে চিকেন বা মটনের সুস্বাদু পদ।

দামের ঝাঁজ, পিঁয়াজ ছাড়াই রাঁধুন মাংসের সুস্বাদু রেসিপি

পিঁয়াজের দাম এখন আকাশছোঁয়া। হালে দাম একটু কমলেও মধ্যবিত্তের এখনও পিঁয়াজ সাধ্যের বাইরে। পিঁয়াজের দামবৃদ্ধির ফলে রান্নাঘরে এখন চিকেন বা মটন ব্রাত্য। পিঁয়াজ ছাড়া মাংস! শুনতে অবাক লাগলেও এমন রেসিপি কিন্তু আছে। পিঁয়াজ ছাড়াই বানানো যেতে পারে চিকেন বা মটনের সুস্বাদু পদ।

প্রেমিককে কুচি কুচি করে কেটে রেঁধে আবার পরিবেশনও করল মহিলা

প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হলে কোনও মহিলা কী করতে পারে? প্রেমিককে উচিত শিক্ষা দিতে পারে। তাঁকে চড় মারা, মারধর করা বা তাঁর জীবন দূর্বিষহ করে তুলতে পারে। মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারা বা পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ারও ভূরি ভূরি উদাহরণ দেখা দিয়েছে। তবে এসবও এখন জলভাত হয়ে গিয়েছে। 

পুরুষদের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির অসাধারণ প্রাকৃতিক উপায়

অধিকাংশ পুরুষের মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে। দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌন ইচ্ছা যাচ্ছে ক্রমশ কমে। কাজেই যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন৷ জেনে নিতে পারেন কী করে এই চাহিদা ক্রমশ ক্ষয়মান হচ্ছে৷

হোম রেমেডি পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার উপায় বার করেছে হোম রেমেডি৷ যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবেমাত্র দেখা দিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হোম রেমেডি কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে হোম রেমেডি দ্বারা চিকিৎসা করা যায় কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়৷

এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম ধাপের চিকিৎসাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কি কি সামগ্রী কাজে লাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার হয়-


রসুন: যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুনকে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে৷ যা আমরা প্রায় প্রতিনিয়্তই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকি৷

আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোনো রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷ এছাড়া যদি কোনো ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশি হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রেও রসুন খুবই কার্যকরী৷

প্রতিদিন দু’ থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷

পেঁয়াজ: কাম-উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসেবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ কিন্তু এটি কীভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখনো পর্যন্ত সঠিকভাবে জানা যায়নি৷
সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷

এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷ এটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷

গাজর: দেড়শো গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।
একঘেয়ে ব্রেকফাস্টে মজাদার ট্যুইস্ট

একঘেয়ে ব্রেকফাস্টে মজাদার ট্যুইস্ট

সকালের জলখাবারে কী খাবেন বা কী খাওয়াবেন এটা নিয়ে যন্ত্রণায় পড়েন প্রতিদিন?
কেউ কেউ তাড়াতাড়িতে ব্রেকফাস্টই করেন না, আবার একই খাবার রোজ রোজ প্রতিদিন ভালো লাগেনা৷ কর্ণফ্রেক্স বা পাউরুটি-জেলিও মুখে রোচে না অনেকেরই।
কোন কোন খাবার তৈরিতে রান্না বান্নার কোন ঝামেলাই নেই,কিন্তু খেতে দারুণ সুস্বাদু, জেনে নিন৷ এই খাবারগুলো আপনাকে বোর করবে না মোটেই। রোজই খেতে পারবেন নিত্য নতুন সব খাবার!


১। সকালে একটি দারুন খাবার চিঁড়ে ও দই। কিন্তু সেই একঘেয়ে চিঁড়ে-দই কতদিন ভালো লাগে? জেনে নিন একটা মজার কৌশল। জল দিয়ে ধুয়ে রাখা চিঁড়ার মাঝে ফেটানো দই দিন, সাথে যোগ করুন নারকেল কোরা, বাদাম, শুকনো বা তাজা ফল, এক চিমটি লবণ ও সামান্য দুধ। ব্যাস, তৈরি আপনার দারুণ হেলদি ব্রেকফাস্ট!
২। সাধারণ প্যানকেক তৈরিতে অনেক ঝামেলা৷ ফ্রিজে রাখা রুটি দিয়ে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন ব্রেড প্যানকেক। রুটি গুলো দুধে ভিজিয়ে নরম করে একেবারে ভর্তা বানিয়ে নিন। সাথে ডিম ও নুন যোগ করুন। পাতলা করতে আরও দুধ দিন। এবার আপনার ইচ্ছা মত চিনি, অথবা পেঁয়াজ মরিচ ও মশলা যোগ করে তৈরি করে নিন পাতলা প্যানকেক। স্বাদে কিন্তু দারুণ এই খাবারটি!

৩। নুডুলস তৈরি করতে বেশ ঝামেলা৷ অথচ পেটভরানো কিছু খেতে চান? তাহলে তৈরি করে ফেলুন চিঁড়ের পোলাও। চিঁড়ে ধুয়ে নিন। এরপর প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ একটু ভেজে একটি ডিম ঝুরি করে নিন। চাইলে সবজি দিতে পারেন। সামান্য জিরে ও মরিচ গুঁড়ো দিয়ে ভাজুন। চিঁড়ে দিয়ে দিন। একটু ভেজেই নামিয়ে নিন। তৈরি মজাদার চিঁড়ের পোলাও।
৪। সকালে ওটস খেতে চান, কিন্তু রান্না করার সময় নেই? রাতে ঘুমাবার সময় ওটসের সাথে পরিমাণ মত দই ও দুধ দিয়ে, সাথে সামান্য চিনি ও কিসমিস দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। চাইলে ফ্রিজেও রাখতে পারেন। সারা রাত তরল শুষে ওটস নরম হয়ে যাবে। সকালে আপনি পাবেন একদম তৈরি ব্রেকফাস্ট! চাইলে ফল যোগ করে খেতে পারেন।
৫। ডিম আর রুটি খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে গেছেন? তৈরি করে ফেলুন দারুণ স্বাদের এক খাবার৷ একটি বা দুটি ডিমকে নুন ও দুধ দিয়ে গুলে নিন। এবার প্যানে তেল বা মাখন অল্প আঁচে গরম করে এই ফেটানো ডিম দিয়ে দিন। এবার এই ডিমের ওপরে দিন আপনার যা ইচ্ছা। গাজর, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ব্রকলি দিতে পারেন। সসেজ টুকরো, ফ্রিজে রাখা রান্না করা চিকেন, চিংড়ি, এমনকি ফ্রিজে চিকেন ফ্রাই থাকলে সেটাও টুকরো করে দিতে পারেন। দিতে পারেন চিজ কিংবা রুটি টুকরোও।
আপনার যা ভালো লাগে উপরে ছড়িয়ে দিন। একটু ভাজা জিরের গুঁড়ো, ধনে পাতা বা চাট মশলা দিতে পারেন দেশী স্বাদ চাইলে। এরপর ঢাকনা লাগিয়ে অল্প আঁচে রাখুন। নিচে জমে গেলে এবং ওপরে ডিম রান্না হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। চাইলে ওভেনে ৫ মিনিট বেকও করে নিতে পারেন। এটি নিজেই একটি সম্পূর্ণ ডিশ, এর সাথে অন্য কিচ্ছু প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে এর সাথে যে কোন কিছুই খেতে পারেন৷

থাইরয়েড গ্রন্থির সক্রিয়তা: মানসিক অবসাদ

বয়স্কদের ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি হতে পারে মানসিক অবসাদের কারণ৷ নতুন এক গবষণায় প্রমাণ হল এমনই এক তথ্য৷ শরীরের বিপাকীয় ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করার সঙ্গে থাইরয়েড মানসিক সুস্থতার উপরেও গভীর প্রভাব বিস্তার করে৷
থাইরয়েডের গ্ল্যান্ড কতটা সক্রিয় তা জানার জন্য গবেষকেরা থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোনের (টিএসএইচ) মাত্রা পরিমাপ করেন৷ থাইরয়েড গ্লান্ড হল এই হরমোন ক্ষরণের মূল উৎস৷ যখন টিএসএইচ এর মাত্রা কম থাকে তখন থাইরয়েড গ্লান্ড সক্রিয় থাকে এবং এটি প্রচুর পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন করে৷ গবেষকেরা আসল থাইরয়েড হরমোনের মাত্রার পরিমাপও গ্রহণ করেন এবং থাইরয়েডের সক্রিয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হন৷ রটারডামের ইরাসমাস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক মার্কো মেডিকি জানান, যে বয়স্করা একা থাকে এবং যাদের থাইরয়েডের সক্রিয়তা রয়েছে তারা অন্যান্যদের তুলণায় অনেকবেশি মানসিক অবসাদের শিকার৷ এ থেকে এটাই প্রমাণিক যে, থাইরয়েডের কার্যকলাপের ফলে মানসিক স্থিতির পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগী হাইপোথাইরয়ডিসম ও হাইপারথাইরয়ডিসম-এর শিকার হতে পারে৷
এই গবেষণার জন্য গবষকেরা ৭০ বছর বয়সী প্রায় ১,৫০৩ জবকে নিয়ে একটি পরীক্ষা করেন৷ গবেষকেরা এদের প্রত্যেকের টিএসএইচ এর মাত্রা এবং তাদের অবসাদের উপসর্গগুলি পরীক্ষা করেন৷ প্রথম বারের পরিদর্শনে অবসাদের কোন উপসর্গ দেখা না গেলেও পরবর্তী ৮ বছরে তাদের মধ্যে অবসাদের উপসর্গ বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়৷
এই গবেষণায় টিএসএইচ-এর পরিমাণের ভিত্তিতে ব্যক্তিদের তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়৷ মেডিকি জানান, এই গবেশণার ফলস্বরূপ দেখা যায়, যাদের মধ্যে সাইরডেয়ের সক্রিয়তার শক্তিশালী প্রভাব দেখা যায় তারা প্রত্যেকেই অস্বাস্থ্যকর মানসিক অবস্থায় রয়েছেন৷ এই গবেষণার ফলে অবসাদের চিকিৎসার একটি নতুন দিশা উন্মোচিত হল৷
সম্প্রতি এই গবেষণাটি এন্ডোক্রাইন সোসাইটির ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজমের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷

কাশ্মীরি পোলাও


উপকরণ: পুরোনো বাসমতী চাল ২ কাপ উষ্ণ গরম জলে ভিজিয়ে রাখা, তেল সিকি কাপ, পেঁয়াজকুচি আধকাপ, এলাচ ৪টে, লবঙ্গ ২ টি, নুন ও চিনি স্বাদ অনুযায়ী, কিসমিস ২ টেবিল চামচ, শাহি বিরিয়ানি মশলা ১ টেবিল চামচ, গরম জল আড়াই কাপ, আদাবাটা ১ চা চামচ, কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ, জাফরান আধ চা চামচ, ক্ষীর সিকি কাপ, আনারসকুচি ১ কাপ, আঙুর চিরে নেওয়া ২৫০ গ্রাম, ঘি সিকি কাপ, ২টি তেজপাতা, দারচিনি ৪ টুকরো, ৪ টে কাঁচালঙ্কা, গুঁড়োদুধ ২ টেবিল চামচ, কাজু বাদাম আধ কাপ, রসুন বাটা আধ চা চামচ, গোলাপজল ১ টেবিল চামচ, বেদানা আধ কাপ, আপেলকুচি ১ কাপ, চেরি ফল কুচি সিকি কাপ, কমলালেবু ২টি৷
শাহি বিরিয়ানীর মশলা: দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জাযইফল, জয়িত্রি, সাদা গোলমরিচ, শাহি জিরা ও চিনি পরিমাণ মতো ঢেলে গুঁড়ো করে নিন৷
প্রণালী: সব ফলগুলি একটি বাটিতে এক টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে মেখে রেখে দিন৷ হাঁড়িতে তেল ও ঘি গরম করে তেজ পাতা ও গোটাগরম মশলা ফোড়ন দিন৷ এবার তাতে পেঁয়াজ দিয়ে সোনালি রঙ করে ভেজে নিন৷ আদা ও রসুনবাটা দিয়ে কষিয়ে নিয়ে ভিজিয়ে রাখা বাসমতি চাল দিয়ে দিন৷ পাঁচ মিনিট ভেজে গুঁড়ো দুধ দিয়ে আরও বেশ কিছুক্ষণ ভাজুন৷ চাল ভাজা হয়ে গেলে গরম জল ও নুন দিয়ে নেড়ে ঢাকা দিয়ে মাঝারি আঁচে রেখে দিন৷ জল টেনে গেলে লেবুর রস মিশিয়ে রাখা ফল, গোলাপজল, কেওড়া জল, চিনি ও ক্ষীর ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে দিন৷ দল সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে কাঁচা লঙ্কা, কাজু বাদাম ও কিশমিশ ছড়িয়ে আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন কিছু ক্ষণ৷ তারপর পোলাও ঝরঝরে হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে কিছুক্ষণ দমে রেখে দিন৷ ব্যাস কাশ্মীরি পোলাও তৈরি৷ গরম গরম পরিবেশন করুন৷

চিনি আর তামাক একই

মিষ্টি খাবার মানেই জিভে জল আর মিষ্টি মানেই চিনি৷ অথচ এই চিনিই কিনা তামাকের মতো ক্ষতিকর!

এমন অবিশ্বাস্য তথ্যই দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের ইউনির্ভাসিটি অব লিভারপুলের গবেষক সায়মন ক্যাপওয়েল। চিনিকে নতুন তামাক হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
তার এ গবেষণার ফলাফল জানার পর বিশ্বের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যে চিনির পরিমাণ কমিয়ে আনবে বলে আশা করছেন সায়মন। চিনির ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য একটি ক্যাম্পেইন দলের সদস্য হয়ে কাজ করছেন সায়মন।
চিনির ক্ষতিকারক প্রভাব মানুষের স্থূলতা, বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধির পেছনে দায়ী। এজন্য খাদ্যপণ্যে চিনির পরিমাণ শতকরা ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, জিরো ফ্যাট ইয়োগার্ট (দই) ক্যানে প্রায় পাঁচ চা-চামচ চিনি থাকে। টমেটো স্যুপে থাকে প্রায় চার চা-চামচ চিনি। চকলেট বারে থাকে প্রায় আট চা-চামচ চিনি।
একজন পূর্ণবয়স্ক  নাগরিক দিনে ১২ চা-চামচ চিনি গ্রহণ করে থাকেন। অনেকে আবার দিনে ৪৬ চা-চামচ চিনিও খেয়ে থাকেন। চিনি আহরণের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  জানায়, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ চা-চামচ চিনি গ্রহণ করতে পারেন, এর বেশি নয়।
এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, বিশ্বব্যাপী স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে মৃত্যুর পেছনে মূল ভূমিকা চিনির। উলফসন ইন্সটিটিউট অব প্রিভেনটিভ মেডিসিনের গবেষক গ্রাহাম ম্যাকগ্রেগর বলেন, এখনই বিশ্বব্যাপী চিনির ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
এ বিষয়ে অপর এক চিকিৎসক জানান, চিনি কোনোভাবেই খাদ্যপণ্যের পুষ্টিমান বাড়ায় না, এমনকি ভোক্তাকে পরিতৃপ্তও করে না। স্থূলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চিনি টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগের সংক্রমণে ভূমিকা রাখে। জনস্বাস্থ্যের জন্য এ ধরনের খাদ্যপণ্যকে শিশুদের নাগাল থেকে দূরে রাখার বিষয়ে সর্তক করেছেন চিকিৎসকেরা।

চিকেন দিলরুবা

উপকরণ : ৫০০ গ্রাম মুরগীর মাংস, ২টি মাঝারি মাপের পেঁয়াজ, ২ কাপ দুধ, ২ টেবিল চামচ আদা কুচি করে কাটা, ২ টেবিল চামচ গরম মশলা, ৬ টেবিল চামচ মাখন বা ভেজিটেবল অয়েল, ১ টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো, শুকমনো লঙ্কা গুঁড়ো, ১ কাপ টকদই, নুন স্বাদ মতো, আমন্দ বাদাম গুঁড়ো, কেশর গুঁড়ো, আখরোট গুঁড়ো৷
প্রণালী: পেঁয়াজ ও আদা একসঙ্গে মিক্সিতে দিয়ে ভালো করে পেস্ট তৈরি করে নিন৷ 
এবার কড়া গরম করে তাতে মাখন বা ভেজিটেবল অয়েল দিয়ে দিন৷ তেল গরম হলে তাতে আদা পেঁয়াজ পেস্ট দিয়ে দিন সামান্য নেড়ে নিন৷ ভাজা ভাজা হয়ে এলে তাতে মুরগীর মাংস এবং দই দিয়ে দিন৷ মাঝারি আঁচে কসতে থাকুন যতক্ষণ না মাংসের গায়ে বাদামী রঙ ধরে৷ 
এবার দুধে আমন্ড ও আখরোট গুঁড়ো মিশিয়ে মাংসে ঢেলে দিন৷ এরপর গরম মশলা, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্গা গুঁড়ো, নুন দিয়ে দিন৷ মাধারি আঁচে ফুটতে দিন, মাঝে মাঝে নাড়ুন যতক্ষণ মাংস সেদ্ধ হয়৷ 
গ্রেভি একটু গাঢ় হলে তাতে সামান্য কেশর গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন৷ গার্নিশ করতে চাইলে উপর থেকে ধনেপাতা ছড়িয়ে দিতে পারেন৷  রুটি, নান বা পরোটার সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন৷

ইটালিয়ান এগস্

পরিবেশন: ৮ জন
আয়োজনের সময়: ১৫ মিনিট
রান্নার সময়: ২০ মিনিট
উপকরণ: ১০টি সেদ্ধ ডিম খোসা ছাড়িয়ে আধ টুকরো করে রাখা, ৫০ গ্রাম ধনেপাতা, ২ চা চামচ মারজোরাম, ২ কোয়া রসুন থেঁতো করে রাখা, কালো অলিভ ১০টি, ২টো ছোট পেঁয়াজ কুচি করে রাখা, মাছের ফিলেট ৪ টি, গোলমরিচ গুঁড়ো, ২০০ মিলিলিটার অলিভ অয়েল, নুন স্বাদ মতো৷ গার্নিশ করার জন্য টমেটো কুচি ও ধনে পাতা৷
প্রণালী: ধনেপাতা, মারজোরাম, রসুন, কালো অলিভ, পেঁয়াজ, নুন, মাছের ফিলেট ও গোলমরিচ মিক্সি বা ব্লেন্ডারে দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন তাতে অল্প অলিভ অয়েল মিশিয়ে সস তৈরি করুন৷ এবার একটা সার্ভিং ডিশে ডিমের টুকরোগুলো সাজিয়ে ঠিক কুসুমের উপর ভালো করে লাগিয়ে দিন৷ সসটি কোনে ভরেও ব্যবহার করতে পারেন৷ এতে এটি দেখতে অনেক বেশি সুন্দর হবে৷ আপনার ইটালিয়ান এগস্ তৈরি৷ টমেটোকুচি ও ধনেপাতাকুচি দিয়ে সন্ধ্যের জলখাবারে পরিবেশন করুন৷

পটেটো চিপস্ থেকে হতে পারে ক্যানসার

ফাস্টফুডের পাশাপাশি মেনকোর্সেও পটেটো চিপস প্রায়ই থাকে। গত শতাব্দীর ৭০ এর দশকের পর থেকে পটেটো চিপস তথা পটেটো ক্র্যাকার্স এর বিস্তার চোখে পড়ার মতো। কিন্তু এই প্রিয় খাবারের মাঝে যে লুকিয়ে আছে মারাত্মক প্রাণ নাশক ব্যাধি তা কেউ কখনো চিন্তা করেছেন কি ?
বাচ্চারা তো আছেই, আমরা বড়রাও কাজের ফাঁকে, টি  ব্রেকে বিস্কুট, রুটির  বদলে টক-ঝাল-নোনতা এই কুড়কুড়ে চিপসেরই ভক্ত ৷অথচ এই মজার স্ন্যাক্স বহন করছে ক্যান্সার হওয়ার জন্য দায়ী উপাদান, যার নাম এক্রাইলামাইড বা এক্রিলামাইড(Acryl amide)।
সম্প্রতি সুইডিস ন্যাশনাল ফুড অথোরিটি এই বাস্তব সত্যটা আবিষ্কার করেছে। তাদের গবেষণায় বলা হয়েছে, আলু এক প্রকার উচ্চ শ্বেতসার সমৃদ্ধ সবজি বা শস্য। 
এই আলুর অতি পাতলা করা স্লাইস অতিরিক্ত লবন, ছাঁকা তেলে অনেকক্ষন ভাজাসহ সংরক্ষন করতে উচ্চতাপ ব্যবহার করতে হয়, ফলে এর খাদ্যগুণ অনেকাংশে শুধু নষ্টই হয় তা নয়, এক্রাইলামাইড জাতীয় জটিল জীবননাশক যৌগ উৎপাদনে এটি বিশেষ ভুমিকা রাখে।
এক্রাইলামাইড খুব দ্রুতগতিতে  মানবদেহে ক্যান্সারের বাসা বাঁধতে সহযোগিতা করে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় খাদ্যগুনাগুন বজায় রেখে চিপস তৈরি করা সম্ভব। প্রস্তুতকারকদের সদিচ্ছা আর সুসংহত খাদ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়ন্ত্রনে তা বাস্তবে রূপ দেয়া সম্ভব।

ডায়েট সোডা: ডায়েট আদৌ হচ্ছে কি?

নিজেদের ডায়েট রেজিম ঠিক রাখতে কোলা জাতীয় পানীয় অনেকেই খান না৷ এর বদলে তারা বেছে নিয়েছেন ডায়েট সোডা৷ কিন্তু তাতে আদতে কোন লাভ হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে কেউই দেখেন না৷ যারা এই ডায়েট সোডা নিয়মিত খান তারা নিজের অজান্তেই শরীরে বাড়িয়ে চলেছেন ক্যালোরি৷ অনেকে ভাবতেই পারেন ডায়েট সোডা তো ক্যালেরিফ্রি৷ কিন্তু গবেষণা বলছে অন্য কথা৷
ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথের এক গবেষক জনস্ হপ্কিনস্ সাম্প্রতিক কালে একটি গবেষণা করে দেখেছেন যারা চিনিজাতীয় পানীয় পান করেন তাদের তুলনায় যারা ডায়ট সোডা পান করেন তাদের বেশিরভাগেরই অতিরিক্ত ওজন ও তারা ওবেসিটির শিকার৷ 
ব্লুমবার্গ স্কুলের অপর একজন গবেষক জানিয়েছেন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যাক্তি কেবলমাত্র ডায়েট সোডা খেয়ে যে পরিমাণ ক্যালোরি অর্জন করেন, সেই একই পরিমাণ ক্যালোরি একজন চিনিজাত পানীয় সঙ্গে অন্যান্য স্ন্যাক্সজাতীয় খাবার খেয়ে অর্জন করেন৷ 
ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন এক্সজামিনেশন সার্ভে মূলত একটি জলসংখ্যা মুলক সার্ভে এতে আমেরিকার প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাস্হ্য ও পুষ্টির উপর নজর দেওয়া হয়৷ ১৯৯৯-২০০০ সাল থেকে এই সার্ভেতে এই তথ্যই উঠে এসেছে৷
এই জাতীয় পানীয় খেয়ে যারা অভ্যস্ত তারা যদি নিজেদের ওজন কমাতে চান তবে এই ধরণের পানীয় অবিলম্বে ত্যাগ করুন৷ ডায়েটের মধ্যে শুধু শক্ত খাবার রাখুন এবং প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া অভ্যাস করুন৷ সম্প্রতি এই গবেষণাটি আমেরিকান জার্নাল ওফ পাবলিক হেলথে প্রকাশিত হয়েছে৷

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব রুখতে ডায়েট

বন্ধ্যাত্বের সঙ্গে খাওয়া দাওয়ার সরাসরি তেমন সম্পর্ক না থাকলেও রোজকার ভুরিভোজ ওজন বাড়ায়। অন্যদিকে সঠিক ডায়েট রেজিম ফলো না করলে বা ওজন কমানোর তাগিদে না খেয়ে থাকলে সন্তান ধারণের সমস্যা দেখা দেয়। সন্তানেচ্ছু দম্পতিদের জন্য রইল কিছু ডায়েটের পরামর্শ।
  • সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে গেলে স্বাভাবিক ওজন এবং নীরোগ শরীর চাই। অতিরিক্ত বেশি বা কম সন্তান ধারণের পক্ষে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী ওজন ঠিক রাখতে পুস্তিকর খাবার খান। ভাজা ও জাঙ্ক ফুড কম খাওয়ার চেষ্টা করুন। প্রিজারভেটিভ ও কৃত্রিম রং ও গন্ধ যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • পুরুষের ইনফার্টিলিটি প্রতিরোধে আমন্ড বাদাম খুব উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়। চেষ্টা করুন সকালে ব্রেকফাস্টে গোটা চারেক আমন্ড খাওয়ার।
  • ভিটামিন-ই নারী পুরুষ উভয়েরই ইনফার্টিলিটি প্রতিরোধে কিছুটা সাহায্য করে। দই, ইস্ট ইত্যাদি খাবারে রয়েছে এই ভিটামিন। অন্যান্য খাবারে ভিটামিন ই সামান্য পরিমানে থাকে তাই ভিটামিন-ই ক্যাপসুল খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
  • ভিটামিন-ই বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধে অনুঘটকের কাজ করে। প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে ভিটামিন-ডি। আর ভিটামিন-ডি মেটাবলিজমে সাহায্য করে ভিটামিন-ই।
  • ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং বিভিন্ন অ্যান্টি অক্সিডেন্টও এক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে। যে কোনও অয়েল সিড যেমন বাদাম, তিল, তিসি এবং মাছের তেলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। সপ্তাহে টিং থেকে চার দিন মাছ খান। এছাড়া রান্নায় তিল ব্যবহার করতে পারেন।
  • সিজিনাল ফল ও সবজিতে রয়েছে পর্যাপ্ত অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।  আম, পেয়ারা, তরমুজ, আপেল, আঙুর ইত্যাদি ফল ও ঢ্যাঁড়স, বাঁধাকপি, কুমড়ো ইত্যাদি সবজিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে প্রচুর পরিমানে।
পেট ভরে পুষ্টিকর খাবার খান, আর সুস্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পৃথিবীতে নিয়ে আসুন, ভাল থাকুন।
মেথি

মেথি

মেথিমেথি
 
মেথি: 

শীত একটু একটু করে আসছে। বাড়ছে সর্দিকাশিও। নিয়মিত মেথি খেলে সর্দিকাশি পালাবে। শীতের শুরুতে যাঁরা পেটের সমস্যায় পড়েন, তাঁদের জন্য মেথি দারুণ উপকারী। এতে আয়রন, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ আছে। মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটিই বলা চলে। স্বাদ তিতা ধরনের। লেবু ও মধুর সঙ্গে এক চা-চামচ মেথি মিশিয়ে খেলে জ্বর পালাবে। মেথিতে মিউকিল্যাগ নামের একটি উপাদান আছে, যা গলাব্যথা সারাতে পারে। অল্প পানিতে মেথি সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলার সংক্রমণ দূর হয়। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা। যাঁরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতিটা অত্যন্ত ধীর হয়। 

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে। বিশেষত কৃমি মরে। রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। ডায়াবেটিসের রোগী থেকে শুরু করে হৃদ্রোগের রোগী পর্যন্ত সবাইকে তাঁদের খাবারে মেথি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। মেথির গুণাগুণ দেখলে একে অন্যতম সুপার ফুড বলা চলে। মেথিতে আছে প্রাকৃতিক তন্তু, যা ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। দিনে দুই-তিনবার মেথি চিবাতে থাকলে বেশি না খেলেও পেট ভরা মনে হবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা মেথি কাজে লাগাতে পারেন।
গাজর

গাজর

গাজরগাজর
 
গাজর: 

গাজর!  এই সবজির মধ্যে যে কতগুণ আছে, তা যদি আপনি জানতেন, তবে সকাল, বিকেল, রাত যে খাবারই খান না কেন, তাতে গাজর থাকাটা বাধ্যতামূলক করে দিতেন নিশ্চিত। গাজরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে উপকারটি, তা হলো দৃষ্টিশক্তি বাড়ানো। গাজরে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরনের আঁশ থাকে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের খাদ্যতালিকায় এ সময় অবশ্যই গাজর রাখা উচিত। শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নামক একটি উপাদানের কারণে বয়সের ছাপ চলে আসে। গাজরের মধ্যে যে ক্যারটিনয়েড থাকে, তা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে বয়সের ছাপ আসার গতিকে ধীর করে। 

এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে বিষমুক্ত করে, হৃদরোগ ও ক্যানসার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে ৩৩ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’, ৯ শতাংশ ভিটামিন ‘সি’ এবং ৫ শতাংশ ভিটামিন ‘বি-৬’ পাওয়া যায়। এটি শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু, ভাইরাস ও বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। গাজরের জুসে ভিটামিন ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খনিজ, পটাশিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি থাকে যা হাড় গঠন, নার্ভাস সিস্টেমকে শক্ত করা এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। গাজরে ক্যালরি এবং সুগারের উপাদান খুবই কম। এ ছাড়া ডায়াবেটিস প্রতিরোধে যে সব ভিটামিন এবং খনিজের প্রয়োজন তাও বিদ্যমান। চর্বি কমাতে সাহায্য করে বলে ওজনও কমে।
সরিষা শাক

সরিষা শাক

সরিষা শাকসরিষা শাক

সরিষা শাক:
বাজারে এখন চোখে পড়বে সরিষা শাক। শীত মৌসুমে অনেক বাড়িতেই সরষে শাকের বেশ কদর রয়েছে। সরষে ফুল দিয়ে উপাদেয় বড়া হয়। সরিষা ওজন কমাতে সাহায্য করে। সরিষা শাকে ওজন কমাতে সহায়ক ভিটামিন সি ও আঁশ থাকে। এ ছাড়া এতে আয়রন, পটাশিয়াম ও ম্যাংগানিজ আছে। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সরিষা কাজে লাগে।
বিট

বিট

বিট
বিট: 

বিটে কোনো চর্বি নেই বা একেবারে ক্যালরি কম। শরীর ফিট বা ঠিক রাখতে চাইলে খাদ্যতালিকায় বিট রাখতে পারেন। যাঁরা এই শীতের মৌসুমেও সতেজ ত্বক চান, তাঁদের জন্য সেরা শীতের সবজি এই বিট। শরীরে ক্ষতিকর উপাদান বা বিষমুক্ত করার বিশেষ উপাদান আছে বিটে। বিটে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন বি৬, এ, সি, নাইট্রেট আছে। শরীরকে সুস্থ রাখার নানা উপাদান থাকায় শীতের সবজি হিসেবে বিট খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে নিয়মিত বিট খেতে পারেন। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত ও ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বেশি, তাঁরা বেশি করে বিট খাবেন। এতে প্রদাহবিরোধী উপাদান থাকায় বিটের জুস নিয়মিত খেলে মুখে ব্রণের সমস্যা দূর হয়। 

এনডিটিভি অনলাইন অবলম্বনে