শরীরের এই স্থানগুলিতে চাপ দিলেই সমস্যা ‘ভ্যানিশ’

অ্যাকুপ্রেসার কথাটির সঙ্গে নিশ্চয়ই আপনারা অনেকেই পরিচিত৷ জানেন এর সাহায্যে অনেক সমস্যার সমাধানও হয়৷ তাই জনপ্রিয়তাও কিছু কম না৷ চলুন চোখ রাখা যাক নিচের লেখাতে…

নিদ্রাহীনতা৷ ইনসমনিয়া৷ বর্তমানে এই সমস্যা একটু একটু গ্রাস করছে তরুণ প্রজন্মকে৷ বয়স হলেই যে ঘুমে কমে যায় তা নয়, এখন স্মার্ট লাইফে ঘুম কম, কাজ বেশি৷ তাই এই রুটিন চলতে চলতে কখন যেন অভিমানিনী ঘুম আপনার চোখ থেকেও বিদায় নিচ্ছে ধীরে ধীরে৷ যার প্রভাব পড়ছে আপনার জীবনে৷ যা হয়তো তখনই টের পাচ্ছেন না, কিন্তু জেনে রাখুন ঘুম কমের ফলেই কিন্তু আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে অন্ধকার৷

তবে ওষুধ নয়, প্রাকৃতিকভাবেই সেই ঘুম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা যেতে পারে৷ আর এক্ষেত্রে অ্যাকুপ্রেসারের জুড়ি মেলা নাকি ভার৷ কিন্তু কোথায় কোথায় সেই প্রেসার দিতে হবে জানান? বলা হয়ে থাকে…



১. দুই ভুরুর ঠিক মাঝের স্থানে- এই স্থানে এক মিনিট হালকা করে চাপ দিন আঙুলে করে৷

২. হাতের তালুর তিন আঙুল নীচে কবজির একেবারে মাঝামাঝি, ছবি অনুযায়ী দু’ হাতেরই এই অংশে এক মিনিটের জন্য হালকা চাপ দিতে থাকুন৷

৩. কবজির হাড়ের পাশেই- চিহ্নিত অংশে অন্য হাতের বুড়ো আঙুলে এক মিনিটের জন্য হালকা চাপ দিন এক মিনিট ধরে৷ দুই হাতের কবজিতে চাপ দিতে হবে একইভাবে৷

দিনে এই স্থানগুলিতে চাপ দিলেই নাকি ফিরে আসতে পারে আপনার হারানো ঘুম৷ তবে সবকিছুর জন্যই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলা উচিত৷ কারণ সবার সব সমস্যা নাও হতে পারে৷ তাই না?

পুরুষ হৃদয় তোলপাড় করা বক্ষবন্ধনী!

অন্তর্বাস! নামটা শুনলেই পুরুষ হৃদয় তোলপাড়৷ কারণ এই শব্দতেই আবৃত নারী সৌন্দর্য৷ পৃথিবীর প্রায়  সব মহিলাই যে অন্তর্বাসটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন সেটি  হল বক্ষবন্ধনী বা ব্রেসিয়ার৷ আর সেই বন্ধনীরই একশো বছর পূর্তি হল সম্প্রতি৷  অনেকেই ভাবতে পারেন নোংড়া বিষয় নিয়ে নাড়াঘাটা করছি৷ কিম্বা ওয়েবসাইটের ফলোয়ার বাড়াবার ইউএসপি৷ কিন্তু এটি যেমন তেমন বিষয় নয়৷ এর সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস, অতীত, বাস্তব এমনকী বিপ্লবও৷

আজ থেকে ১০০ বছর আগে এই বক্ষবন্ধনীর পেটেন্ট নথিভুক্ত হয়৷ তারিখটা ছিল ১২ ফেব্রুয়ারী ১৯১৪৷ তাই, ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই বিশ্বের নানা দেশে অন্তর্বাসের শতবর্ষে নতুন নতুন কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে৷এই ব্রেসিয়ার প্রথম তৈরি করেছিলেন মেরি ফিল্পস জেকব মামের এক মহিলা৷ তখন মেরির বয়স মাত্র ২৩ বছর৷  তিনিই প্রথম এই ব্রা-য়ের পেটেন্ট নথিভুক্ত করেন৷ অবশ্য পরে মাত্র দেড় হাজার ডলার মূল্যে এই পেটেন্টটি বেঁচেও দিয়েছিলেন মেরি৷ ভাবুনতো আজ থেকে একশো বছর আগে দেড় হাজার ডলার কি মুখের কথা৷ যিনি এটি কিনেছিলেন তার দূরদর্শিতার কথাটাও একবার ভাবুন৷

মহিলাদের উপর অত্যাচার শুধু যে এ যুগে তার কিন্তু নয়৷ সৃষ্টির ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে নারী জন্মের প্রথম দিন থেকেই অত্যাচারিত সে৷ কি ভাবছেন মাথায় সিঁদুর, পায়ে আলতা এসব কেবলই সাজগোজের অঙ্গ? সেযুগে মাথার সিঁথি তীরের ফলা দিয়ে চিড়ে দেওয়া হত এমকী পায়ের আলতার গপ্পোও একই নিয়মের অধীনে৷  পুরুষের নারী জয়ের প্রতীক ছিল এটি এমনকি আজও আছে৷ ঠিক তেমনই সেযুগে বক্ষযুগল আগলে রাখতে নারীরা বস্ত্রের নীচে পরিধান করতেন কর্সেট৷ এটি ছিল এক ধরণের বর্ম, তিমি মাছের হাড় দিয়ে তৈরি হুপ যুক্ত৷ কাজেই এর ওজন কতটা হতে  পারে তা আশা করি বুঝিয়ে বলার দরকার নেই৷ ঠিক এমন সময়েই মেরির এই ব্রা আবিষ্কার অবশ্যই নারী মুক্তির সমতুল্যই বলা চলে৷

বক্ষবন্ধনী কেবল নারী পরিধানের অঙ্গ হয়ে থাকেনি৷ নারীমুক্তি, নারী বিপ্লবের প্রতীকী হয়ে দাঁড়িয়েছে কালে কালে৷ ষাটের দশকে নারীমুক্তি আন্দোলন যখন চরমে, তখন ইউরোপ-আমেরিকার মহিলারা তাদের ব্রা পুড়িয়ে পুরুষ-শাসিত সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান৷ দেশ, সংস্কৃতি ও কাল একটি প্রতীক্ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণতা নির্ধারন করে৷ তাই মিশরের একটি সাম্র্তিক আন্দলনেও নীল রঙের ব্রা পরে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন মহিলারা৷

শুধু ইতিহাস বা আন্দোলন নয় নারী ও পুরুষের যৌনতা প্রকাশ পায় এই বিশেষ পরিধেয়টির মাধ্যমে৷ ফ্যাশন জগতেই দিন দিন নিত্য নতুন ছোঁয়া লাগে এই বস্ত্রে৷ পুঁজিবাদের আমলে এই বিশেষ অন্তর্বাস নির্মাতা মার্কিন কোম্পানি ভিক্টোরিসা’স সিক্রেট-এর এই মণি-মাণিক্য খচিত ফ্লোরাল ফ্যান্টাসি ব্রায়ের দাম হয়েছিল প্রায় ২৫ লক্ষ ডলার৷ যত  দিন যাচ্ছে এই বিশেষ পোষাকের উপর চলছে একের পর এক এক্সপেরিমেন্ট৷ পরিবেশ সচেতনতা থেকে দেশজ সংস্কৃতির ছোঁয়া দিতে ভারতেও তৈরি হয় বিভিন্ন ধরণের ব্রা৷

নারীবাদ বা নারী অন্দোলনের ক্ষেত্রে শুধু ব্রা পুড়িয়েই ক্ষান্ত থাকেননি বিশ্বের নারী৷ উম্নুক্ত নারীদেহও হয়ে উঠেছে অন্দোলনের প্রতীক৷ এমন ঘটনার সাক্ষী হতে হয়েছে আমাদের বারবার৷ তাই ক্ষুদ্র এই নারী বস্ত্রকে তুচ্ছ করা একেবারেই সাজে না৷ একবার ভেবে দেখুন এই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছেড়ে নারী যদি উন্মুক্ত হয়ে আপনার সামনে প্রতিবাদের ভাবমুর্তিতে এসে দাঁড়ায় চোখ তুলে চাইতে পারবেন তো?

খাদ্যগুনে বাড়বে যৌনতা

যৌনতা, স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়৷ জীবনে এটির পরিমাণ পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলে বিশেষ কোন রোগ আপনাকে হামলা করতে পারবে না৷ তবে  যৌনজীবনকে যদি আরও রোমাঞ্চকর করতে চান, বেশ কিছু খাবার আপনাকে সাহায্য করতেই পারে৷ আপনাদের জন্য তেমনই কিছু খাবারের তথ্য৷
অ্যাভোকাডো খাওয়া যৌনতার জন্য বেশ উপযোগী৷ এছাড়ও এতে প্রচুর পরিমাণে অসম্পৃক্ত ফ্যাট বর্তমান এবং সম্পৃক্ত ফ্যাটের পরিমাণ একেবারেই কম৷ তাই এটি হৃৎপিন্ড ও ধমনীর স্বাস্থের পক্ষে ভাল৷ হৃৎস্পন্দন সঠিক হলে সারা দেহে রক্তের সংবহন পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়৷ তাই দুর্বল হৃদয়ের জন্যেও এটি বেশ কার্যকরী৷
  • আমন্ড বাদাম কিন্তু যৌনচাহিদা বাড়াতে সক্ষম৷ পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি স্পার্ম কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে৷ এছাড়াও এতে জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, এবং ভিটামিন ই রয়েছে৷ জিঙ্ক কামশক্তি ও যৌনচাহিদা বাড়াতেও সাহায্য করে৷ এছাড়াও এতে বেশ কিছু খনিজ পদার্থ রয়েছে যা যৌনস্বাস্থ্য ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সক্ষম৷
  • স্ট্রবেরি ফলিক অ্যাসিডের এক অন্যতম উৎস৷ এই জাতীয় উপাদান মহিলাদের প্রজননে সাহায্য করে এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে স্ট্রবেরী পুরুষদের স্পার্ম কাউন্য বাড়াতেও সক্ষম৷
  •  সামুদ্রিক মাছও কিন্তু কামশক্তি বাড়াতে সহায়ক৷ এটিও জিঙ্কের একটি উৎস যা লিবিডো বাড়াতে সক্ষম৷ এছাড়াও তৈলাক্ত মাছ হৃদয়ের জন্য অত্যন্ত উপযোগি৷
  • লেটুস পাতাও এ বিষয়ে বেশ উপযোগি৷ গবেষণায় দেখা গেছে এতে বেশ কিছু উপাদেয় খনিজ পদার্থ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বর্তমান৷ যে পারিপাশ্বিক চাপের ফলে কামশক্তি বিঘ্নিত করে লেটুস পাতা তাদের পরিশুদ্ধ করে৷
  • প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ডুমুর অত্যন্ত উপযোগী৷ এতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার বর্তমান ফলে এটি শরীরে কাম উত্তেজনা বাড়াতে সক্ষম৷ এছাড়াও এটি হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে৷
  • লেবু জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে যা পুরুষের প্রজনন ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে সক্ষম৷

মোহময়ী ঠোঁট, সুন্দরী আপনি

সুন্দরী রমণীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গ ঠোঁট৷ আর ঠোঁটকে সুন্দর করতে অবশ্যই চাই লিপস্টিক৷ কিন্তু ঠোঁটের রঙ যদি ঠিক না হয় তবে আপনার গোটা সাজটাই মাটি৷ তাই নির্দিষ্ট সময়ে চাই সঠিক লিপশেড৷ কিন্তু কিভাবে বাছবেন সেটাই ভেবে পাচ্ছেন না তো? তাই আপনাদের জন্য রইল তেমনই কিছু টিপস্৷
  • বিভিন্ন শেডের লিপস্টিক একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন৷ আপনি ভালো বুঝবেন কোনটাতে আপনাকে ভাল মানাচ্ছে৷
  • এমন রঙ বাছুন যা আপনার ঠোঁটের রঙ ও ত্বকের টোনের সঙ্গে মানানসই হয়৷ যে মহিলাদের ঠোঁটের আকার বড় তারা ব্রাউন, পারপল বা ব্রোঞ্জ শেডের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন৷ যাদের ঠোঁট পাতলা তারা গোলাপী, পিচ ও অ্যাপ্রিকট শেড ব্যবহার করতে পারেন৷
  • দিনের বেলার হালকা রঙ এবং রাতের বেলায় গাঢ় রঙ বেশি ভাল মানায়৷
  • যদি আপনি গাঢ় লিপশেড ব্যবহার করেন তবে মুখের মেকআপ বেশি চড়া করবেন না৷ আর যদি ঠোঁটে হালকা শেড ব্যবহার করেন তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে চোখের মেকআপ চড়া হয়৷
  • লিপস্টিকের এমন রঙ বাছুন যা বিনা মেকআপেও আপনাকে মানাবে৷
  • আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তবে আপনি লাল অবথা বাদামী শেড ব্যবহার করতে পারেন৷
  • গায়ের রঙ কালো হলে পাম বা ওয়াইন শেড ব্যবহার করুন এবং ফর্সা ত্বক হলে ক্যারামেল বা গাঢ় গোলাপী ব্যবহার করুন৷
  • যদি রাতে কোন পার্টি যাওয়ার থাকে তবে অবশ্যই একটু গাঢ় শেডের লিপস্টিক ব্যবহার করুন৷
  • লিপস্টিক শেডের সীমা বরাবর ওই একই রঙের লিপ লাইনার ব্যবহার করুন৷
  • আর যদি একই রঙ মেখে আপনি ক্লান্ত হয়ে থাকেন তবে অনেকগুলি শেড একসঙ্গে মিশিয়ে নতুন একটা রঙ তৈরি করাই যায়৷
  • লিপস্টিককে যদি আরও আকর্ষণীয় করতে চান তবে সামান্য সোনালী রঙের আই শ্যাডো ঠোঁটের মাঝখানে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে পারেন৷
তবে লিপস্টিক বাছার সময় কখনই তা সরাসরি ঠোঁটে ব্যবহার করবেন না, এটি অস্বাস্থ্যকর হতে পারে৷ হাতের কব্জি বা আঙুলে রঙ পরীক্ষা করুন৷ আর অবশ্যই লিপস্টিক বা টিউব দেখে বিচার করবেন না, এটি আপনার মুখে নাও মানাতে পারে৷

থাইরয়েড গ্রন্থির সক্রিয়তা: মানসিক অবসাদ

বয়স্কদের ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি হতে পারে মানসিক অবসাদের কারণ৷ নতুন এক গবষণায় প্রমাণ হল এমনই এক তথ্য৷ শরীরের বিপাকীয় ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করার সঙ্গে থাইরয়েড মানসিক সুস্থতার উপরেও গভীর প্রভাব বিস্তার করে৷
থাইরয়েডের গ্ল্যান্ড কতটা সক্রিয় তা জানার জন্য গবেষকেরা থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোনের (টিএসএইচ) মাত্রা পরিমাপ করেন৷ থাইরয়েড গ্লান্ড হল এই হরমোন ক্ষরণের মূল উৎস৷ যখন টিএসএইচ এর মাত্রা কম থাকে তখন থাইরয়েড গ্লান্ড সক্রিয় থাকে এবং এটি প্রচুর পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন করে৷ গবেষকেরা আসল থাইরয়েড হরমোনের মাত্রার পরিমাপও গ্রহণ করেন এবং থাইরয়েডের সক্রিয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হন৷ রটারডামের ইরাসমাস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক মার্কো মেডিকি জানান, যে বয়স্করা একা থাকে এবং যাদের থাইরয়েডের সক্রিয়তা রয়েছে তারা অন্যান্যদের তুলণায় অনেকবেশি মানসিক অবসাদের শিকার৷ এ থেকে এটাই প্রমাণিক যে, থাইরয়েডের কার্যকলাপের ফলে মানসিক স্থিতির পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগী হাইপোথাইরয়ডিসম ও হাইপারথাইরয়ডিসম-এর শিকার হতে পারে৷
এই গবেষণার জন্য গবষকেরা ৭০ বছর বয়সী প্রায় ১,৫০৩ জবকে নিয়ে একটি পরীক্ষা করেন৷ গবেষকেরা এদের প্রত্যেকের টিএসএইচ এর মাত্রা এবং তাদের অবসাদের উপসর্গগুলি পরীক্ষা করেন৷ প্রথম বারের পরিদর্শনে অবসাদের কোন উপসর্গ দেখা না গেলেও পরবর্তী ৮ বছরে তাদের মধ্যে অবসাদের উপসর্গ বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়৷
এই গবেষণায় টিএসএইচ-এর পরিমাণের ভিত্তিতে ব্যক্তিদের তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়৷ মেডিকি জানান, এই গবেশণার ফলস্বরূপ দেখা যায়, যাদের মধ্যে সাইরডেয়ের সক্রিয়তার শক্তিশালী প্রভাব দেখা যায় তারা প্রত্যেকেই অস্বাস্থ্যকর মানসিক অবস্থায় রয়েছেন৷ এই গবেষণার ফলে অবসাদের চিকিৎসার একটি নতুন দিশা উন্মোচিত হল৷
সম্প্রতি এই গবেষণাটি এন্ডোক্রাইন সোসাইটির ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজমের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷

মিস ভ্যালেন্টাইনের জন্য

১৪ই ফেব্রুয়ারী বিশ্ব প্রেম দিবস৷ সুন্দরী রমনীদের আরও সুন্দর হয়ে ওঠার দিন৷ রোজনামচা সৌন্দর্য ছেড়ে  এদিনের জন্য চাই স্পেশাল কেয়ার৷ যাতে সবার মাঝে আপনাকে মনে হয় অদ্বিতীয়া৷ তাই স্পেশাল দিনের স্পেশাল বিউটি রেজিম রইল আপনাদের জন্য৷
  • এক্সফোলিয়েশন ও হাইড্রেশন হল উজ্জ্বল ত্বকের প্রধান রহস্য৷ কিন্তু এই এক্সফোলিয়েশনের হার ত্বকের ধরন ছাড়াও পারিপার্শিক পরিবেশের উপর ও নির্ভর করে৷ কলকাতা ও বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক দূষণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ত্বককে ক্ষতিগ্রস্হ করে৷ তাই দূষণ রুখতে ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া উচিত সবার প্রথমেই৷ বাড়িতেই যদি বেসনের সঙ্গে লেবুর রস ও গোলাপ জল মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন৷ এছাড়াও কোন ভালো পার্লার থেকে স্কিন পলিশিং করতে পারেন৷ এছাড়াও ত্বকের ধরণ অনুয়ারী ফেসিয়াল করতে পারেন৷
  • বাইরে যাওয়ার আগে অবশ্যই সানস্কিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না৷ খেয়াল রাখবেন সানস্ক্রনের মাত্রা অন্তত ২৫ যাতে হয়৷ যারা নিয়মিত শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই আলাদা যত্ন প্রয়োজন৷ এয়ারকন্ডিশন ত্বকের যাবতীয় অপরিহার্য তেল ও ময়শ্চারাইজিং ফ্যাক্টর বের করে নেয়৷ তার প্রতি চার ঘন্টা অন্তর ত্বকের হাইড্রেশন সঠিক রাখতে হবে৷ এমন যারা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করেন তাদের সানস্ক্রিনের সঙ্গে মশ্চারাইজার মিশিয়ে ত্বকে মাখতে পারেন৷
  • চোখের তলার কালি কিন্তু চেহারা সৌন্দর্যকে একেবারে মাটি করে দেয়৷ প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভিটামিন সি জাতীয় সিরাম যদি চোখের তলায় ৩ থেকে ৫ মিনিট মাসাজ করা যায় তবে চোখের তলায় কালির পরিমান অনেকটাই কমে যেতে পারে৷রোদে বেরোবার সময় ইউভি প্রোটেক্টেড সানগ্লাস ব্যবহার করুন৷
  • বিশেষ এই দিনটিতে নিজের মুখের বলিরেখা ঢাকতে বোটক্স করিয়ে নিতেই পারেন৷ বোটক্সে এক প্রকার টক্সিন ব্যবহরা করা হয়৷ এতে শুধু আপনার নিস্তেজ ত্বক জৌলস ফিরে পাবে তা নয় অতিরিক্ত বলিরেখার হাত থেকেও মুক্তি পাবেন৷এটে দাঁতকেও ভালো রাখে৷ তবে যারা ধুমপান করেন তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু সূর্যরশ্মির থেকে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে৷
  • মুখে যদি ব্রণ হয় তবে তাতে নখ লাগাবেন না৷ ব্রণের মুখ যদি ফেটে যায় তেব তা মুখে বিশ্রী গর্তের সষ্টি করতে পারে৷ সেক্ষেত্রে মুখে ২ থেকে ৩ মিনিট ভ্যাপার নিতে পারেন৷ এটি মুখের ত্বকের জন্য খুবই কার্যকরী৷ ভ্যাপার নিয়ে বেঞ্জোইল পারঅক্সাইড জেল মেখে ঘুমোতে পারেন৷ এছাড়াও মুখে টোনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না৷
  • মুখে কখনই সাবান ব্যবহার করবেন না৷ এতে ক্ষাতজাতীয় উপাদান থাকে যা ত্বকের নমনীয়তা নষ্ট করে৷ ত্বকের তারতম্য অনুযায়ী ফেস ওয়াশ ব্যবহার করুন৷
ঘরোয়া পদ্ধতি:
  • পাকা পেঁপের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে একটা পেসস্ট তৈরি করুন৷ মুখে ও গোটা শরীরে পেস্টটি লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন৷ একদিন অন্তর যদি এটি করা যায় তবে খুব ভালো ভাবে স্কিন পলিশ করা যাবে এবং ত্বক জেল্লাদার হয়ে উঠবে৷ ভ্যালেন্টাইন ডের আগে এটি একবার অন্তত ব্যবহার করে দেখতে পারেন৷
  • চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে এককাপ লারকেল তেল নিন, তাতে ডিমের কুসুম, ১ টেবিল চামচ কন্ডিশনার ও ৪ ফোঁটা ল্যভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে চুলে ও স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন৷ ৩০ মিনিট রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ যদি আপনার চুলের ধরন শুষ্ক হয় তবে অবশ্যই শ্যাম্পু করবেন না৷ যদি একান্ত শ্যাম্পু করার দরকার পরে তবে জলের মধ্যে সামান্য শ্যাম্পু মিশিয়ে চুল ধুয়ে নিতে পারেন৷ তবে হট ওয়েল বা ড্রায়ার ব্যবহার একেবারেই করবেন না৷

কাশ্মীরি পোলাও


উপকরণ: পুরোনো বাসমতী চাল ২ কাপ উষ্ণ গরম জলে ভিজিয়ে রাখা, তেল সিকি কাপ, পেঁয়াজকুচি আধকাপ, এলাচ ৪টে, লবঙ্গ ২ টি, নুন ও চিনি স্বাদ অনুযায়ী, কিসমিস ২ টেবিল চামচ, শাহি বিরিয়ানি মশলা ১ টেবিল চামচ, গরম জল আড়াই কাপ, আদাবাটা ১ চা চামচ, কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ, জাফরান আধ চা চামচ, ক্ষীর সিকি কাপ, আনারসকুচি ১ কাপ, আঙুর চিরে নেওয়া ২৫০ গ্রাম, ঘি সিকি কাপ, ২টি তেজপাতা, দারচিনি ৪ টুকরো, ৪ টে কাঁচালঙ্কা, গুঁড়োদুধ ২ টেবিল চামচ, কাজু বাদাম আধ কাপ, রসুন বাটা আধ চা চামচ, গোলাপজল ১ টেবিল চামচ, বেদানা আধ কাপ, আপেলকুচি ১ কাপ, চেরি ফল কুচি সিকি কাপ, কমলালেবু ২টি৷
শাহি বিরিয়ানীর মশলা: দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জাযইফল, জয়িত্রি, সাদা গোলমরিচ, শাহি জিরা ও চিনি পরিমাণ মতো ঢেলে গুঁড়ো করে নিন৷
প্রণালী: সব ফলগুলি একটি বাটিতে এক টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে মেখে রেখে দিন৷ হাঁড়িতে তেল ও ঘি গরম করে তেজ পাতা ও গোটাগরম মশলা ফোড়ন দিন৷ এবার তাতে পেঁয়াজ দিয়ে সোনালি রঙ করে ভেজে নিন৷ আদা ও রসুনবাটা দিয়ে কষিয়ে নিয়ে ভিজিয়ে রাখা বাসমতি চাল দিয়ে দিন৷ পাঁচ মিনিট ভেজে গুঁড়ো দুধ দিয়ে আরও বেশ কিছুক্ষণ ভাজুন৷ চাল ভাজা হয়ে গেলে গরম জল ও নুন দিয়ে নেড়ে ঢাকা দিয়ে মাঝারি আঁচে রেখে দিন৷ জল টেনে গেলে লেবুর রস মিশিয়ে রাখা ফল, গোলাপজল, কেওড়া জল, চিনি ও ক্ষীর ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে দিন৷ দল সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে কাঁচা লঙ্কা, কাজু বাদাম ও কিশমিশ ছড়িয়ে আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন কিছু ক্ষণ৷ তারপর পোলাও ঝরঝরে হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে কিছুক্ষণ দমে রেখে দিন৷ ব্যাস কাশ্মীরি পোলাও তৈরি৷ গরম গরম পরিবেশন করুন৷

সারভাইক্যাল ক্যানসার: কারণ ও প্রতিকার

বর্তমান প্রজন্মের কাছে ক্যানসার অভিশাপ৷ পুরুষ নারী নির্বিশেষে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন সকলেই৷ মহিলাদের ক্ষেত্রে মারণরোগ হয়ে দেখা দিচ্ছে সারভাইক্যাল ক্যানসারের সংক্রমণ৷ তবে, অনেকেই এখনও এই রোগ সম্পর্কে জানেন না৷ কী এই সারভাইক্যাল ক্যানসার? কেন এই রোগেই সংক্রমণ হয়? এর প্রতিকার কী? 

সারভাইক্যাল ক্যানসার কী?
জরায়ুর মুখ যেখান থেকে শিশু জন্ম নেয়,  তাকে ইংরাজীতে সারভিকস্ বলে৷ এই অংশে   ক্যানসার হলে তাকে সারভাইক্যাল ক্যানসার বলে৷
এই প্রকার ক্যানসারের কারণ কী?
জরায়ুর এই অংশে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তনের ফলে ক্যানসার হতে পারে৷ এছাড়াও সহবাসের সময় যদি কোনভাবে এই অংশে আঘাত লেগে ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং এবং এই ক্ষত দীর্ঘদিন ধরে বাড়তে থাকে তবেও ,সারভাইক্যাল কানসার হতে পারে৷  এই রোগের অপর এক কারণ জীবাণু, যার নাম হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস৷ চিকিৎসকেরা সংক্ষেপে একে এইচপিভি বলে থাকেন৷ এটি জরায়ুতে বাসা বাঁধলে সারভাইক্যাল ক্যানসার হতে পারে৷
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস কীভাবে আক্রমণ করে?
এই জীবাণু আক্রমণের প্রধান কারণ হেলথ হাইজিনের অভাব৷ এছাড়াও এইচপিভি জাবীণু যদি সংখ্যায় বেড়ে যায়, তবেও এই রোগের সম্ভাবনা থেকে যায়৷ কেউ যদি একাধিক পুরুষের সঙ্গে সহবাস করেন তবেও, এই রোগ হতে পারে৷ অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় সেক্স পার্টনার্সদের মধ্যে কেউ যদি এইচপিভি ক্যারিয়ার হন তবে তার থেকে অপরজনের এই সংক্রমন হতে পারে৷ যদিও, এইচপিভি সংক্রমণ মানেই যে সারভাইক্যাল ক্যানসার, তা কিন্তু একেবারেই নয়৷
মা যদি সারভাইক্যাল ক্যানসারে আক্রান্ত হন, তবে কী গর্ভজাত শিশুরও এই সংক্রমণ হতে পারে?
একেবারেই নয়৷ মায়ের দেহের কোন জীবাণু কোনভাবেই সন্তানের উপর প্রভাব ফেলে না৷ ঈশ্বর শিশুর  জন্মরহস্য এমনভাবেই সৃষ্টি করেছেন যে গর্ভজাত সন্তানের কোনরকম সংক্রমণ মায়ের শরীরে থাকাকালীন হয় না৷
সারভাইক্যাল ক্যানসারের উপসর্গগুলি কী কী?
কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয় এই রোগের মূল উপসর্গ৷ অতিরিক্ত সাদা স্রাব, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, সহবাসের পর রক্তপাত, মনোপজের পরেও রক্তপাত, সারভিকসের গোড়ায় ব্যাথা ইত্যাদি৷ এছাড়াও অনেক সময় দেখা গিয়েছে রোগীর কিডনি অকোজে হয়ে যাওয়ার পিছনেও সারভাইক্যাল ক্যানসারের ভূমিকা রয়েছে৷ তাই এই কারণগুলি যদি দেখা যায়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত৷ কারণ,  সমস্যা ফেলে রাখলে ভবিষ্যতে এই রোগ সারানো অনেকবেশি অসুবিধাজনক হতে পারে৷
সারভাইক্যাল ক্যানসার প্রতিরোধের কোন উপায় আছে কী?
সারভাইক্যাল ক্যানসারের প্রতিষেধক বাজারে রয়েছে যার নাম এইচপিভি ভ্যাকসিন৷ যদিও, এটি অত্যন্ত খরচ সাপেক্ষ৷ আবার দেখা গিয়েছে অনেকক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিন ঠিক ভাবে কাজ করে না৷ তাই এই রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হল স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা৷
এই রোগের চিকিৎসা কী?
প্রাথমিক অবস্থায় অনেকসময় সার্জারি করা হয় বা রেডিওথেরাপি করা হয়ে থাকে৷ পরবর্তী পর্যায়ে রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপি দেওয়া হয়ে থাকে৷ কিন্তু, একেবারেই যদি দেরি হয়ে যায়, তখন আর সেইভাবে কিছু করার থাকে না, তখন রোগীর সাইন অ্যান্ড সিম্পটম অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়৷তবে, বর্তমানে চিকিৎসাবিজ্ঞান এতটাই উন্নত হয়েছে যে, সারভাইক্যাল ক্যানসার যদি প্রথমধাপেই ধরা পরে তবে রেডিওথেরাপির মাধ্যমে এটিকে সম্পূর্ণ ভাবে সারিয়ে তোলা সম্ভব৷ এমনকী সারভাইক্যাল ক্যানসারের তৃতীয়ধাপে এসেও প্রায় ৫০ শতাংশ রোগীকে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুস্থ ভাবে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব৷

অতিরিক্ত মদ্যপান ত্বকের ক্যানসারের কারণ

অনেকেই বলেন মদ্যপানের বিরুদ্ধে যারা তাদের মাথায় পরুক বাজ৷ তারা বেশ ভালোই জানান মদ্যপান শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর৷ তবে জানেন কি অতিরিক্ত মদ্যপান ত্বকের ক্যানসারেরও কারণ? 

এবার মনে হতেই পারে মদ খেলে তো লিভারে ক্যানসার হওয়ার কথা হঠাৎ ত্বকে কেন? সাম্প্রতিক গবেষণাতে উঠে এসেছে এমনই তথ্য৷
গবেষকেরা জানিয়েছেন অতিরিক্ত মদ্যপান শরীরে অর্ধেকেরও বেশি ত্বকের ক্যানসারের প্রাণঘাতী উপাদান উৎপাদন করে৷ তাঁরা জানিয়েছেন প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ পেগ মদ খেলে শরীরে কিছু জৈবিক পরিবর্তন হয় এর ফলে সুর্যরশ্মিতে শরীর অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে৷  
শুধু তাই নয় দিনে এক পেগ করে মদ খেলেও কিন্তু মিলানোমা হওয়ার সম্ভাবনা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷
গবেষক ডাঃ ইভা নেগরি জানিয়েছেন, অতি বেগুনী রশ্মি ও অ্যালকোহল শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়৷এতে অতিরিক্ত মাত্রায় ত্বকের কোষ ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং ত্বকে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়৷ তবে গবেষকেরা স্বীকার করেছেন যে, আ্যালকোহল কিভাবে ত্বকে ক্যানসার সৃষ্টি করে তা তারা এখনও জানতে পারেননি৷ কিন্তু তারা প্রমাণ করেছেন যে অ্যালকোহল শরীরে প্রবেশ করে দ্রুত অ্যাকটালডেহাইডি তে পরিণত হয়ে ত্বককে সূর্যরশ্মির সামনে অনেক বেশি সংবেদনশীল করে দেয়৷ এই গবেষণাটি সম্প্রতি ব্রিটিশ জার্নাল অফ ডার্মাটোলজিতে প্রকাশিত হয়েছে৷