বুকের যত ব্যাথা

বুকের যত ব্যাথা

হৃদ্‌রোগ ছাড়াও বুকে ব্যথা এবং প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। বুকে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নেন হৃদ্‌রোগের কারণে এমন ব্যথা হচ্ছে কি না। হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা বাতিল হলে চিকিৎসক বুকে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন এবং চিকিৎসার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। 

রুটিন চেকআপ কি জরুরি?

বাড়ির কর্তা অনেক সময় অফিস থেকেই হোক, কি নিজ উদ্যোগে, নিজের স্বাস্থ্যের রুটিন চেকআপ করিয়ে নেন। কিন্তু বাড়ির নারী সদস্যটি অনেক সময় থাকেন অন্ধকারে। বছর বছর কোনো রুটিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা তাঁর করা হয়ে ওঠে না।
ডায়রিয়ায় কী ওষুধ খাবেন?

ডায়রিয়ায় কী ওষুধ খাবেন?

ডায়রিয়ায় কী ওষুধ খাবেন?
হঠাৎ ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে অনেকে এটি থামাতে নানা ধরনের ওষুধ খেতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আসলে বেশির ভাগ ডায়রিয়ায় কোনো ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। কেবল যে পানি ও লবণ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, সেটা খাওয়ার স্যালাইন দিয়ে পূরণ করলেই চলবে। বেশির ভাগ ডায়রিয়া নিজে থেকেই সেরে যায়।
মেথি

মেথি

মেথিমেথি
 
মেথি: 

শীত একটু একটু করে আসছে। বাড়ছে সর্দিকাশিও। নিয়মিত মেথি খেলে সর্দিকাশি পালাবে। শীতের শুরুতে যাঁরা পেটের সমস্যায় পড়েন, তাঁদের জন্য মেথি দারুণ উপকারী। এতে আয়রন, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ আছে। মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটিই বলা চলে। স্বাদ তিতা ধরনের। লেবু ও মধুর সঙ্গে এক চা-চামচ মেথি মিশিয়ে খেলে জ্বর পালাবে। মেথিতে মিউকিল্যাগ নামের একটি উপাদান আছে, যা গলাব্যথা সারাতে পারে। অল্প পানিতে মেথি সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলার সংক্রমণ দূর হয়। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা। যাঁরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতিটা অত্যন্ত ধীর হয়। 

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে। বিশেষত কৃমি মরে। রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। ডায়াবেটিসের রোগী থেকে শুরু করে হৃদ্রোগের রোগী পর্যন্ত সবাইকে তাঁদের খাবারে মেথি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। মেথির গুণাগুণ দেখলে একে অন্যতম সুপার ফুড বলা চলে। মেথিতে আছে প্রাকৃতিক তন্তু, যা ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। দিনে দুই-তিনবার মেথি চিবাতে থাকলে বেশি না খেলেও পেট ভরা মনে হবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা মেথি কাজে লাগাতে পারেন।
গাজর

গাজর

গাজরগাজর
 
গাজর: 

গাজর!  এই সবজির মধ্যে যে কতগুণ আছে, তা যদি আপনি জানতেন, তবে সকাল, বিকেল, রাত যে খাবারই খান না কেন, তাতে গাজর থাকাটা বাধ্যতামূলক করে দিতেন নিশ্চিত। গাজরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে উপকারটি, তা হলো দৃষ্টিশক্তি বাড়ানো। গাজরে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরনের আঁশ থাকে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের খাদ্যতালিকায় এ সময় অবশ্যই গাজর রাখা উচিত। শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নামক একটি উপাদানের কারণে বয়সের ছাপ চলে আসে। গাজরের মধ্যে যে ক্যারটিনয়েড থাকে, তা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে বয়সের ছাপ আসার গতিকে ধীর করে। 

এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে বিষমুক্ত করে, হৃদরোগ ও ক্যানসার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে ৩৩ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’, ৯ শতাংশ ভিটামিন ‘সি’ এবং ৫ শতাংশ ভিটামিন ‘বি-৬’ পাওয়া যায়। এটি শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু, ভাইরাস ও বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। গাজরের জুসে ভিটামিন ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খনিজ, পটাশিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি থাকে যা হাড় গঠন, নার্ভাস সিস্টেমকে শক্ত করা এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। গাজরে ক্যালরি এবং সুগারের উপাদান খুবই কম। এ ছাড়া ডায়াবেটিস প্রতিরোধে যে সব ভিটামিন এবং খনিজের প্রয়োজন তাও বিদ্যমান। চর্বি কমাতে সাহায্য করে বলে ওজনও কমে।
সরিষা শাক

সরিষা শাক

সরিষা শাকসরিষা শাক

সরিষা শাক:
বাজারে এখন চোখে পড়বে সরিষা শাক। শীত মৌসুমে অনেক বাড়িতেই সরষে শাকের বেশ কদর রয়েছে। সরষে ফুল দিয়ে উপাদেয় বড়া হয়। সরিষা ওজন কমাতে সাহায্য করে। সরিষা শাকে ওজন কমাতে সহায়ক ভিটামিন সি ও আঁশ থাকে। এ ছাড়া এতে আয়রন, পটাশিয়াম ও ম্যাংগানিজ আছে। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সরিষা কাজে লাগে।
বিট

বিট

বিট
বিট: 

বিটে কোনো চর্বি নেই বা একেবারে ক্যালরি কম। শরীর ফিট বা ঠিক রাখতে চাইলে খাদ্যতালিকায় বিট রাখতে পারেন। যাঁরা এই শীতের মৌসুমেও সতেজ ত্বক চান, তাঁদের জন্য সেরা শীতের সবজি এই বিট। শরীরে ক্ষতিকর উপাদান বা বিষমুক্ত করার বিশেষ উপাদান আছে বিটে। বিটে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন বি৬, এ, সি, নাইট্রেট আছে। শরীরকে সুস্থ রাখার নানা উপাদান থাকায় শীতের সবজি হিসেবে বিট খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে নিয়মিত বিট খেতে পারেন। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত ও ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বেশি, তাঁরা বেশি করে বিট খাবেন। এতে প্রদাহবিরোধী উপাদান থাকায় বিটের জুস নিয়মিত খেলে মুখে ব্রণের সমস্যা দূর হয়। 

এনডিটিভি অনলাইন অবলম্বনে
টেস্টে বাংলাদেশের সেরা র‍্যাঙ্কিংয়ের হাতছানি

টেস্টে বাংলাদেশের সেরা র‍্যাঙ্কিংয়ের হাতছানি

বাংলাদেশের সামনে আটে উঠে আসার সুযোগ এই টেস্টে। ছবি: প্রথম আলো
 বাংলাদেশের সামনে আটে উঠে আসার সুযোগ এই টেস্টে।
  • এই টেস্ট জিতলে বা ড্র করলে বাংলাদেশ টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের আটে উঠে আসবে।
  • বাংলাদেশ পেছনে ফেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।
  • জিতলে ৬ রেটিং পয়েন্ট পাবে বাংলাদেশ, হেরে গেলে কমবে ১ পয়েন্ট।