বিশ্বের সবথেকে দামী গয়না

গয়না এবং বহুমূল্য পাথর মেয়েদের কাছে খুবই আদরের৷ মেয়েরা এমনিতেই গয়নার নাম শুনলেই দুর্বল হয়ে পড়ে৷ মেয়েদের এই দুর্বলতার কথা কারও অজানা নেই৷তবে এবার যেসব গয়নার কথা বলব, তা দেখলে আপনাদের মাথা ঘুরে যাবে, আর দাম শুনলে চোখ উঠবে কপালে। বিশ্বের সবথেকে দামী এইসব গয়নাগুলো চিনে নিন

স্যাফায়ার রিং অফ প্রিন্সেস ডায়না :  
এই আংটিটি প্রিন্সেস ডায়না পরেছিলেন৷ তারপর থেকেই এই রিংটির নাম স্যাফায়ার রিং অফ প্রিন্সেস ডায়না৷ এটির দাম ৪৫০,০০০ ডলার৷
prience-diana

কুইন মেরি জোস এমাব়্যাল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড নেকলেস :  
কুইন মেরি জোস ইতালির শেষ রাণী৷ তাঁর নামেই এই রিংটির নামকরণ করা হয়েছে৷ এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামী গয়নাগুলির মধ্যে একটি৷ তবে এর সঠিক মূল্য কোথাও প্রকাশ করা যায় না।
queen-merry-rose

মেরি অ্যানন্টিয়োনেট নেকলেস : 
এই নেকলেসটিতে রয়েছে দুটো বিরল হলুদ ডায়মন্ড এবং একটি পিঙ্ক ডায়মন্ড৷ আর বাকিসব সাদা ডায়মন্ড৷ এটির মূল্য ৩.৭ মিলিয়ন ডলার৷
marry-antonie-nec

হ্যারি উইন্সটন ডায়মন্ড ড্রপ ইয়াররিং : 
এটি তৈরি হয়েছে ২০০৬ সালে৷ এটির দাম ৮.৫ মিলিয়ন ডলার৷
drop

ব্রায়োলিটি ডায়মন্ড নেকলেস : 
এটি বিখ্যাত ৭৫.৩৬ ক্যারেট ডায়মন্ড দিয়ে তৈরি করা হয়েছে৷ এটির দাম ১১ মিলিয়ন ডলার৷
briolity-diamond-nec

বুলগারি ব্লু ডায়মন্ড রিং : 
এটিতে গাঢ় ডায়মন্ড নীল রঙের হীরে ব্যবহার করা হয়েছে৷ দাম ৯.৪ মিলিয়ন ডলার৷
bulgari-blue-diamond

পিঙ্ক ডায়মন্ড : 
এটি হালকা গোলাপি রঙের ডায়মন্ড ব্যবহার করা হয়েছে৷ দাম ১৭.৭৭ ডলার৷
pink-diamond

হার্ট অফ দ্য এশিয়ান : 
টাইটানিক সিনেমায় নায়িকা রোজকে এই হার পরতে দেখা গিয়েছিল৷ এটির দাম ২০ মিলিয়ন ডলার৷
heart-of-the-ocean  
দ্য পারফেক্ট পিঙ্ক :  
এটি একটি দারুণ এবং মূল্যবান পাথর৷ রঙ,কাটিং এবং স্বচ্ছতাই এর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে৷ এর দাম ২৩.২ মিলিয়ন ডলার।
the-perfect-pink

দ্য অরেন্স : 
এটি ভিভিট অরেঞ্জ ডায়মন্ড৷ এটির দাম ৩৬ মিলিয়ন ডলার৷ orange

মোহময়ী ঠোঁট, সুন্দরী আপনি

সুন্দরী রমণীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গ ঠোঁট৷ আর ঠোঁটকে সুন্দর করতে অবশ্যই চাই লিপস্টিক৷ কিন্তু ঠোঁটের রঙ যদি ঠিক না হয় তবে আপনার গোটা সাজটাই মাটি৷ তাই নির্দিষ্ট সময়ে চাই সঠিক লিপশেড৷ কিন্তু কিভাবে বাছবেন সেটাই ভেবে পাচ্ছেন না তো? তাই আপনাদের জন্য রইল তেমনই কিছু টিপস্৷
  • বিভিন্ন শেডের লিপস্টিক একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন৷ আপনি ভালো বুঝবেন কোনটাতে আপনাকে ভাল মানাচ্ছে৷
  • এমন রঙ বাছুন যা আপনার ঠোঁটের রঙ ও ত্বকের টোনের সঙ্গে মানানসই হয়৷ যে মহিলাদের ঠোঁটের আকার বড় তারা ব্রাউন, পারপল বা ব্রোঞ্জ শেডের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন৷ যাদের ঠোঁট পাতলা তারা গোলাপী, পিচ ও অ্যাপ্রিকট শেড ব্যবহার করতে পারেন৷
  • দিনের বেলার হালকা রঙ এবং রাতের বেলায় গাঢ় রঙ বেশি ভাল মানায়৷
  • যদি আপনি গাঢ় লিপশেড ব্যবহার করেন তবে মুখের মেকআপ বেশি চড়া করবেন না৷ আর যদি ঠোঁটে হালকা শেড ব্যবহার করেন তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে চোখের মেকআপ চড়া হয়৷
  • লিপস্টিকের এমন রঙ বাছুন যা বিনা মেকআপেও আপনাকে মানাবে৷
  • আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তবে আপনি লাল অবথা বাদামী শেড ব্যবহার করতে পারেন৷
  • গায়ের রঙ কালো হলে পাম বা ওয়াইন শেড ব্যবহার করুন এবং ফর্সা ত্বক হলে ক্যারামেল বা গাঢ় গোলাপী ব্যবহার করুন৷
  • যদি রাতে কোন পার্টি যাওয়ার থাকে তবে অবশ্যই একটু গাঢ় শেডের লিপস্টিক ব্যবহার করুন৷
  • লিপস্টিক শেডের সীমা বরাবর ওই একই রঙের লিপ লাইনার ব্যবহার করুন৷
  • আর যদি একই রঙ মেখে আপনি ক্লান্ত হয়ে থাকেন তবে অনেকগুলি শেড একসঙ্গে মিশিয়ে নতুন একটা রঙ তৈরি করাই যায়৷
  • লিপস্টিককে যদি আরও আকর্ষণীয় করতে চান তবে সামান্য সোনালী রঙের আই শ্যাডো ঠোঁটের মাঝখানে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে পারেন৷
তবে লিপস্টিক বাছার সময় কখনই তা সরাসরি ঠোঁটে ব্যবহার করবেন না, এটি অস্বাস্থ্যকর হতে পারে৷ হাতের কব্জি বা আঙুলে রঙ পরীক্ষা করুন৷ আর অবশ্যই লিপস্টিক বা টিউব দেখে বিচার করবেন না, এটি আপনার মুখে নাও মানাতে পারে৷

মিস ভ্যালেন্টাইনের জন্য

১৪ই ফেব্রুয়ারী বিশ্ব প্রেম দিবস৷ সুন্দরী রমনীদের আরও সুন্দর হয়ে ওঠার দিন৷ রোজনামচা সৌন্দর্য ছেড়ে  এদিনের জন্য চাই স্পেশাল কেয়ার৷ যাতে সবার মাঝে আপনাকে মনে হয় অদ্বিতীয়া৷ তাই স্পেশাল দিনের স্পেশাল বিউটি রেজিম রইল আপনাদের জন্য৷
  • এক্সফোলিয়েশন ও হাইড্রেশন হল উজ্জ্বল ত্বকের প্রধান রহস্য৷ কিন্তু এই এক্সফোলিয়েশনের হার ত্বকের ধরন ছাড়াও পারিপার্শিক পরিবেশের উপর ও নির্ভর করে৷ কলকাতা ও বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক দূষণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ত্বককে ক্ষতিগ্রস্হ করে৷ তাই দূষণ রুখতে ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া উচিত সবার প্রথমেই৷ বাড়িতেই যদি বেসনের সঙ্গে লেবুর রস ও গোলাপ জল মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন৷ এছাড়াও কোন ভালো পার্লার থেকে স্কিন পলিশিং করতে পারেন৷ এছাড়াও ত্বকের ধরণ অনুয়ারী ফেসিয়াল করতে পারেন৷
  • বাইরে যাওয়ার আগে অবশ্যই সানস্কিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না৷ খেয়াল রাখবেন সানস্ক্রনের মাত্রা অন্তত ২৫ যাতে হয়৷ যারা নিয়মিত শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই আলাদা যত্ন প্রয়োজন৷ এয়ারকন্ডিশন ত্বকের যাবতীয় অপরিহার্য তেল ও ময়শ্চারাইজিং ফ্যাক্টর বের করে নেয়৷ তার প্রতি চার ঘন্টা অন্তর ত্বকের হাইড্রেশন সঠিক রাখতে হবে৷ এমন যারা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করেন তাদের সানস্ক্রিনের সঙ্গে মশ্চারাইজার মিশিয়ে ত্বকে মাখতে পারেন৷
  • চোখের তলার কালি কিন্তু চেহারা সৌন্দর্যকে একেবারে মাটি করে দেয়৷ প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভিটামিন সি জাতীয় সিরাম যদি চোখের তলায় ৩ থেকে ৫ মিনিট মাসাজ করা যায় তবে চোখের তলায় কালির পরিমান অনেকটাই কমে যেতে পারে৷রোদে বেরোবার সময় ইউভি প্রোটেক্টেড সানগ্লাস ব্যবহার করুন৷
  • বিশেষ এই দিনটিতে নিজের মুখের বলিরেখা ঢাকতে বোটক্স করিয়ে নিতেই পারেন৷ বোটক্সে এক প্রকার টক্সিন ব্যবহরা করা হয়৷ এতে শুধু আপনার নিস্তেজ ত্বক জৌলস ফিরে পাবে তা নয় অতিরিক্ত বলিরেখার হাত থেকেও মুক্তি পাবেন৷এটে দাঁতকেও ভালো রাখে৷ তবে যারা ধুমপান করেন তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু সূর্যরশ্মির থেকে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে৷
  • মুখে যদি ব্রণ হয় তবে তাতে নখ লাগাবেন না৷ ব্রণের মুখ যদি ফেটে যায় তেব তা মুখে বিশ্রী গর্তের সষ্টি করতে পারে৷ সেক্ষেত্রে মুখে ২ থেকে ৩ মিনিট ভ্যাপার নিতে পারেন৷ এটি মুখের ত্বকের জন্য খুবই কার্যকরী৷ ভ্যাপার নিয়ে বেঞ্জোইল পারঅক্সাইড জেল মেখে ঘুমোতে পারেন৷ এছাড়াও মুখে টোনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না৷
  • মুখে কখনই সাবান ব্যবহার করবেন না৷ এতে ক্ষাতজাতীয় উপাদান থাকে যা ত্বকের নমনীয়তা নষ্ট করে৷ ত্বকের তারতম্য অনুযায়ী ফেস ওয়াশ ব্যবহার করুন৷
ঘরোয়া পদ্ধতি:
  • পাকা পেঁপের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে একটা পেসস্ট তৈরি করুন৷ মুখে ও গোটা শরীরে পেস্টটি লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন৷ একদিন অন্তর যদি এটি করা যায় তবে খুব ভালো ভাবে স্কিন পলিশ করা যাবে এবং ত্বক জেল্লাদার হয়ে উঠবে৷ ভ্যালেন্টাইন ডের আগে এটি একবার অন্তত ব্যবহার করে দেখতে পারেন৷
  • চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে এককাপ লারকেল তেল নিন, তাতে ডিমের কুসুম, ১ টেবিল চামচ কন্ডিশনার ও ৪ ফোঁটা ল্যভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে চুলে ও স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন৷ ৩০ মিনিট রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ যদি আপনার চুলের ধরন শুষ্ক হয় তবে অবশ্যই শ্যাম্পু করবেন না৷ যদি একান্ত শ্যাম্পু করার দরকার পরে তবে জলের মধ্যে সামান্য শ্যাম্পু মিশিয়ে চুল ধুয়ে নিতে পারেন৷ তবে হট ওয়েল বা ড্রায়ার ব্যবহার একেবারেই করবেন না৷

শীতের মেকআপ টিপস্

শীতকাল মানেই ত্বকের বারোটা৷ ত্বকের শুষ্কতা দুর করতে মশ্চারাইজার মাখতে মাখতেই গোটা দিন কাবার৷ তাই শীতকাল মানেই নো মেকআপ সিজন, এমনটাই ভাবেন অনেকে৷ তবে এবার আর শীতের আতঙ্ক ভুগতে হবে না আপনাদের৷ শীতকালের পারফেক্ট মেকআপের কিছু টিপস্ রইল আপনাদের জন্য৷
  • হাতের নখে একটু ডিপ শেডের নেইলপেন্ট ব্যবহার করুন৷ শীতের ঠান্ডা আমেজে এই রং বেশ ভালো মানায়৷ গোটা নখে না পড়ে নখের কেবল মাথার অংশে লাগালেও মন্দ হবে না৷
  • শীতে ঠোঁটফাটার সমস্যা সকলের কাছেই সাধারন৷ তাই ঠোঁটের সঠিক মশ্চারাইজার খুবই জরুরী৷ তাই এই সময় লিপস্টিকের বদলে রঙিন লিপগ্লস ব্যবহার করতে পারেন৷ তবে লিপগ্লস একবার না লাগিয়ে বারবার লাগানোর চেষ্টা করুন এতে ঠোঁট ভালো থাকবে আব আপনাকে দেখতেও লাগবে সুন্দর৷
  • সুন্দর নখ ছাড়া সুন্দরী হওয়া যায়না৷ সুন্দর নখের জন্য সুন্দর নেইলপেন্ট লাগালেই হবে না, নখ পরিষ্কারও রাখতে হবে৷ তাই এই সময় ফ্রেঞ্চ ম্যানিকিওরও করা যেতে পারে৷
  • শীতের সময়ে আমরা অনেকেই হাতের দিকে নজর দিই না৷ তবে হাতের মশ্চারাইজারও কিন্তু একান্ত দরকার৷ তাই দিনে ও রাতে হাতে মশ্চারাইজার মাখতে ভুলবেন না৷
  • শীতে যদিও খুব বেশি পারফিউমের দরকার পড়ে না, তবুও পারফিউম যদি মাখতেই হয় একটু হলকা গন্ধের পারফিউম ব্যবহার করবেন৷ বেশি উগ্র গন্ধ শীতকালে মানায় না৷
  • শীতের চোখের সৌন্দর্য বাড়াতে জেল বেসড্ শ্যাডো ব্যবহার করুন৷ এর সঙ্গে হালকা কাজল ও আইলাইনার আপনার চোখের সৌন্দর্যে অন্য মাত্রা এনে দেবে৷
  • শীতের পার্টিতে লিপস্টিক অবশ্যই মেকআপের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ৷ তাই লিপস্টিক ব্যবহার করতে হলে ভিটামিন সমৃদ্ধি লিপস্টিক ব্যবহার করুন৷ লাল, মেহগনি, কফি, ক্যারামেল, ওয়াইন ইত্যাদি শেডের লিপস্টিক শীতের আদর্শ৷ ঠোঁটকে আরও উজ্জ্বল করতে ঠোঁটের মাঝখানে সামান্য আই শ্যাডো লাগাতে পারেন৷

রূপে আসুক জৌলুস

কথাই আছে ‘ পেহেলে দর্শনধারী, ফির গুন বিছারি’। তাই নারী হোক বা পুরুষ দুজনেরই সৌন্দর্য চাই। মানব সভ্যতার ইতিহাসে মেয়েদের রুপচর্চার কথা অনেক প্রাচীন। ভারতেও রূপচর্চার জন্য পুরানে অনেক আয়ুর্বেদিক ওষুধের  উল্লেখ আছে। তবে বর্তমানে ব্যস্ত কর্মজীবনে রূপচর্চার সময় বেজ করাই মুশকিলে পড়তে হয় মেয়েদের। বাড়িতে বা বাইরে কর্মব্যস্ত মহিলাদের কম সময়ে ও কম খরচে রূপচর্চার কিছু টিপস রইল।
অনেকেরই হাতের কনুই আর হাঁটুর চারপাশের অংশ শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় কাল হয়ে যায়। লেবুর রস আর চিনি মিশিয়ে ওই জায়গায় রোজ ভাল করে স্ক্রাব করুন। লেবুর রস উজ্জ্বল করতে সাহায্যও করবে আর চিনি মৃত কোষ গুলোকে সজীব করবে।

লিপস্টিক গাঢ় করে লাগালেও ঠোঁট উজ্জ্বল কিছুতেই হতে ছায়না। তাই কোন অনুষ্ঠানে নিজের ঠোঁটকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে লিপস্টিক আর লিপগ্লস দুই ঠোঁটে ব্যবহার করুন। ঠোঁটের মাঝখানে সামান্য আইস্যাডো দিন ও সেব্ধানে মিশিয়ে নিন, দেখবেন সবার চোখ আপনার ঠোঁটের দিকে আটকে।

ক্লান্ত চেহারা কখনই আকর্ষণীয় হতে পারে না। আর আপনার যত ক্লান্তি লুকিয়ে থাকে আপনার চোখে। তাই চেষ্টা করবেন চোখের তলার অংশে একটু গাঢ় মেক-আপ ব্যবহার করতে। এতে আপনাকে অনেকটাই সতেজ বলে মনে হবে।

আপনার ত্বক যদি তুলনায় বেশি ড্রাই বা অয়েলি হয়, তবে যে কোনও একরকম প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন। আর অবশ্যই দেখে নেবেন যাতে সেটা ভাল ধরণের ময়েশ্চারাইজার হয়।

দিনে দুবারের বেশি মুখ ধোবেন না, আর অবশ্যই একটু বেছে ক্লিনজার ব্যবহার করবেন।

বয়স ঢাকতে হাজারো অ্যান্টি এজিং ক্রিম ব্যবহার না করে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।