বিশ্বের সবথেকে দামী গয়না
স্যাফায়ার রিং অফ প্রিন্সেস ডায়না :
এই আংটিটি প্রিন্সেস ডায়না পরেছিলেন৷ তারপর থেকেই এই রিংটির নাম স্যাফায়ার রিং অফ প্রিন্সেস ডায়না৷ এটির দাম ৪৫০,০০০ ডলার৷
কুইন মেরি জোস এমাব়্যাল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড নেকলেস :
কুইন মেরি জোস ইতালির শেষ রাণী৷ তাঁর নামেই এই রিংটির নামকরণ করা হয়েছে৷ এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামী গয়নাগুলির মধ্যে একটি৷ তবে এর সঠিক মূল্য কোথাও প্রকাশ করা যায় না।
মেরি অ্যানন্টিয়োনেট নেকলেস :
এই নেকলেসটিতে রয়েছে দুটো বিরল হলুদ ডায়মন্ড এবং একটি পিঙ্ক ডায়মন্ড৷ আর বাকিসব সাদা ডায়মন্ড৷ এটির মূল্য ৩.৭ মিলিয়ন ডলার৷
হ্যারি উইন্সটন ডায়মন্ড ড্রপ ইয়াররিং :
এটি তৈরি হয়েছে ২০০৬ সালে৷ এটির দাম ৮.৫ মিলিয়ন ডলার৷
ব্রায়োলিটি ডায়মন্ড নেকলেস :
এটি বিখ্যাত ৭৫.৩৬ ক্যারেট ডায়মন্ড দিয়ে তৈরি করা হয়েছে৷ এটির দাম ১১ মিলিয়ন ডলার৷
বুলগারি ব্লু ডায়মন্ড রিং :
এটিতে গাঢ় ডায়মন্ড নীল রঙের হীরে ব্যবহার করা হয়েছে৷ দাম ৯.৪ মিলিয়ন ডলার৷
পিঙ্ক ডায়মন্ড :
এটি হালকা গোলাপি রঙের ডায়মন্ড ব্যবহার করা হয়েছে৷ দাম ১৭.৭৭ ডলার৷
হার্ট অফ দ্য এশিয়ান :
টাইটানিক সিনেমায় নায়িকা রোজকে এই হার পরতে দেখা গিয়েছিল৷ এটির দাম ২০ মিলিয়ন ডলার৷
দ্য পারফেক্ট পিঙ্ক :
এটি একটি দারুণ এবং মূল্যবান পাথর৷ রঙ,কাটিং এবং স্বচ্ছতাই এর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে৷ এর দাম ২৩.২ মিলিয়ন ডলার।
দ্য অরেন্স :
এটি ভিভিট অরেঞ্জ ডায়মন্ড৷ এটির দাম ৩৬ মিলিয়ন ডলার৷
সন্তানের খাবার যোগাতে ৫০ টাকার জন্য ‘ন্যুড মডেল’
নগ্নতার সম্মান৷ শুনতে কানে লাগে৷ অথচ নগ্নতার নান্দনিকতা যুগ যুগ ধরে
পূজিত হয়ে এসেছে৷ নগ্নতা সমাজের কাছে দৃষ্টিকটু৷ কিন্তু শিল্পীদের কাছে
শিল্প, প্রেরণা৷ সেই নগ্নতা এবার যখন সসম্মানে উচ্চপদ লাভ করছে, স্থির
থাকতে পারেননি ন্যুড আর্টিস্টি লক্ষ্মী৷ দৃঢ়তার সঙ্গে বলে ফেললেন, “নগ্নতা
শেষমেশ সম্মান পাচ্ছে৷ আমি খুব খুশি৷”
আসছে রবি যাদব পরিচালিত ছবি ন্যুড৷ একটি
ন্যুড আর্টিস্টকে নিয়ে ছবির গল্প৷ এবছর এপ্রিলে ছবিটির মুক্তি পাওয়ার
কথা৷ এই ছবিরই প্রধান প্রোটাগনিস্ট লক্ষ্মী৷ তাঁর জীবনই স্টোরি লাইন৷ কথা
প্রসঙ্গে লক্ষ্মী জানিয়েছেন, যখন ছেলের মাত্র ৩ বছর বয়স, তাঁর স্বামী
মারা যান৷ দুচোখে অন্ধকার দেখেন লক্ষ্মী৷ কিন্তু তিনি ভেঙে পড়েননি৷ হন্যে
হয়ে কাজ খুঁজেছিলেন সেই সময়৷ ছেলেকে তো বাঁচাতে হবে৷ সেই কারমেই প্রতিদিন
নিজের এক কাকিমাকে কাজের কথা বলতেন তিনি৷ কিন্তু সেই কাকিমা কোনও
উচ্চবাচ্য করতেন না৷ এরপর লক্ষ্মী নিজে মুম্বইয়ের জেজে স্কুলে যান৷
সেখানেই তাঁর কাকিমা কাজ করতেন৷ একদিন বিকেলে দুজনের দেখা হয়৷ লক্ষ্মী
জানতে পারেন তাঁর কাকিমা সেখানে ন্যুড আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন৷ বলছিলেন
লক্ষ্নী৷
ওই কাকিমাই তাঁকে এই জগতের সন্ধান দেন৷ বলেন, লক্ষ্মী তো কাজ খুঁজছে৷ কাজ রয়েছে৷ কিন্তু ন্যুড আর্টিস্টের কাজ৷ লক্ষ্মী কি পারবে?
কথা শুনে একটু দ্বিধান্বিত হয়েছিলেন
লক্ষ্মী৷ কিন্তু মাথায় তখন ছেলেদের দায়িত্ব৷ তাই সাতপাঁচ ভেবে কাজটি
নিয়েই নেন তিনি৷ প্রথমদিনের কাজের অভিজ্ঞতা স্বভাবতই ছিল অস্বস্তিকর৷
হাজার হাজার পুরুষ চোখের মাঝে তাঁকে দেহ থেকে কাপড় সরাতে হয়েছিল৷ হতে
হয়েছিল সম্পূর্ণ নগ্ন৷ এমন নির্মম বাস্তব মানতে পারেননি তিনি৷ কান্নায়
ভেঙে পড়েছিলেন কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্রফেসররা তাঁর পাশে দাড়িয়েছিলেন
সেদিন৷ বুঝিয়েছিলেন, নগ্নতা একটা আর্ট৷ এর মধ্যে নান্দনিকতার ছড়াছড়ি৷ আর
আজ সেই ভীরু লক্ষ্মীই বুক চিতিয়ে বলেন, “আমার কাজ পৃথিবীর সেরা কাজ৷”

তাঁর কাজকে অনেকেই ভালো চোখে দেখত না৷
এখন, যখন এই পেশা স্বীকৃতি পাচ্ছে, খুব খুশি লক্ষ্মী৷ তিনি এও বলেছেন, যখন
তিনি এই পেশায় এসেছিলেন, খুব একটা ভালো পারিশ্রমিক পেতেন না৷ সম্মানজনক
পেশাও ছিল না৷ কিন্তু তবু তিনি এই পেশায় আসেন, কারণ তাঁকে তাঁর সন্তানদের
পেট চালাতে হত৷ তাদের পড়াশোনা শেখাতে হত৷ তারা যেন দারিদ্রতাকে প্রত্যক্ষ
না করে, তার জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন তিনি৷
ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠায় বসে থাকার জন্য আগে
একজন ন্যুড মডেল পেতেন মাত্র ৫০ টাকা৷ তবু এখন তা বেড়েছে৷ দাঁড়িয়েছে ৫০০
থেকে ১০০০ টাকা৷ কোনও কোনও দিন কাজ থাকত না৷ তখন টাকাও জুটতো না৷ কিন্তু
সৌভাগ্যের বিষয়, বেশিরভাগ দিনই মডেল হওয়ার জন্য তাদের ডাক পড়ত৷ লক্ষ্মী
বলেছেন, সিটিংয়ের মাঝে খুব কমবার ব্রেক পেতেন তাঁরা৷ বেশিরভাগ সময়ই
তাঁদের একই পোজিশনে বসে থাকতে হত৷ তবে নগ্নতার জন্য কখনও তাঁদের অসম্মান
করা হয়নি৷ ছাত্রছাত্রীদের ন্যুড মডেলদের সম্মান করতে শেখানো হত৷
আজও তা একচুলও নড়েনি৷ এখনও শিল্পীদের
চোখে তাঁদের কদর রয়েছে৷ শুধু পার্থক্য এই যে, অনেকেই তাঁদের এই পেশার জন্য
সম্মান দেয় না৷ কিন্তু ভবিষ্যৎ বদলাবে৷ আশাবাদী লক্ষ্মী৷ অন্তত এমন ছবি
মুক্তি পাওয়ার পর দৃষ্টিভঙ্গি যে পালটাবে, তা নিয়ে তাঁর মধ্যে কোনও
দ্বিধা নেই৷
প্রেয়সীর চেয়ে ফোন প্রিয় ভারতীয়দের
হাল সময়ে নারী-পুরুষনির্বিশেষে স্মার্টফোনে আসক্ত। যাপিত জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোন নিয়ে অনেকে নেতিবাচক কথাও শোনা যায়। তবে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য জানলে অনেকেই চমকে যেতে পারেন। প্রায় অর্ধেক ভারতীয় নাকি আপনজনের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন তাঁর নিজের স্মার্টফোনকে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের জি নিউজ।
সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৩৩ শতাংশ মানুষ (ভারতীয়), বিশেষত নতুন প্রজন্মের তরুণেরা ডিজিটাল দুনিয়ার সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে সংযোগ রেখে চলতে অনেক পছন্দ করেন। ভারতের ৪৭ শতাংশই প্রেমিক-প্রেমিকা বা মা-বাবার চেয়েও বেশি ভালোবাসেন নিজের স্মার্টফোনকে। জন্মদাতা মা-বাবার সঙ্গে কথা না বলে পুরো একটি দিন কাটালেও নিজের হাল ফ্যাশনের স্মার্টফোন ছাড়া দিন কাটানো অনেকের পক্ষেই অসম্ভব ব্যাপার।
টেলি-কমিউনিকেশন সংস্থা মটোরোলা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এ সমীক্ষাটি চালিয়েছে। সমীক্ষার ফলাফল বলছে, মানুষ তাঁর নিজের জীবনের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ ক্রমশ হারিয়ে ফেলছে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া অর্ধেক মানুষই জানিয়েছে, কিছুক্ষণ পরপর নিজের অজান্তেই তাদের হাত চলে যায় ফোনে। ভারতের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা আরও বেশি, প্রায় ৬৫ শতাংশ। ৩৫ শতাংশ মানুষ স্বীকারও করেছেন, তাঁরা স্মার্টফোনের ‘নেশা’ ছাড়াতে পারছেন না।
সমীক্ষায় অংশ নেওয়া শতকরা ৫৩ জন স্মার্টফোনকে নিজের সেরা বন্ধু এবং অন্যতম প্রিয় সঙ্গী হিসেবে ভাবেন। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় দেশ ভারতে এ সংখ্যাটা আরও বেশি, প্রায় ৬৫ শতাংশ। ভারতের ৬৪ শতাংশ মানুষ আবার ফোন ও বাস্তব জীবনের মধ্যে সামঞ্জস্য নিত্য অভাবে ভুগছেন। ৭৭ শতাংশ ভারতীয় ফোন হারালে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
১৯৯০-২০০০ সালের মধ্যে যাঁদের জন্ম, তাঁদের জেনারেশন-জেড হিসেবে আখ্যায়িত করে সমীক্ষায় বলা হয়েছে, এরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত স্মার্টফোনের ‘নেশা’য়। এ প্রবণতা তাঁরা ছাড়তে পারছেন না। ভারতে যার সংখ্যা প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৫৫ জন।
ওই সমীক্ষা বলছে, মানুষ ধীরে ধীরে তাঁর স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছে। মানুষ মোবাইল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্ত হয়ে পড়ছে। বাস্তব জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমে কমে গিয়ে ইন্টারনেট জগতে বিচরণ বাড়ছে। এ জগৎকেই আপন করে নিচ্ছেন সবাই।
এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে একটি ফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কেন এমন একটি সমীক্ষা চালাল? জবাবে মটোরোলা জানাচ্ছে, স্মার্টফোন দৈনন্দিন জীবনে অন্যতম অপরিহার্য, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু যেকোনো সংস্থারই আগামী প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে যায়। আগামী প্রজন্ম স্মার্টফোন সিনড্রোমে ‘আক্রান্ত’ বা ‘অসুস্থ’ হয়ে পড়লে ক্ষতি সবার। তাই সময় থাকতেই সতর্ক করার জন্যই মটোরোলা এ উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগে ফলাফল প্রকাশ্যে জানা গেল। এখন সাবধান, আপনি কীভাবে বা কবে হবেন, তা আপনার ওপর নির্ভর করে।
সামাজিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা সাবধান করে বারবার বলছেন, ফোনগুলো ছেড়ে কিছুটা সময় শুধু আপনজনদের সঙ্গেই কাটান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি আসক্তি কমাতে হবে। জীবন ও ফোনের মধ্যে একটা ভারসাম্য রাখার উদ্যোগ নিতে হবে।
শ্রীদেবীর অজানা খবর
• শ্রীদেবীর আসল নাম শ্রী আম্মা ইয়াংগার আয়াপ্পাঁ।
• অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের কয়েকটি ছবিতে প্লেব্যাক করেছেন শ্রীদেবী।
• ‘জুরাসিক পার্ক’ ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন শ্রীদেবী।
* শ্রীদেবীর জন্ম ১৯৬৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের তামিলনাড়ুতে। তাঁর মায়ের নাম রাজেশ্বরী ইয়াংগার ও বাবার নাম আয়াপ্পাঁ ইয়াংগার। শ্রীদেবীর বাবা পেশায় ছিলেন আইনজীবী।
* শ্রীদেবীর আসল নাম শ্রী আম্মা ইয়াংগার আয়াপ্পাঁ।
* ১৯৬৯ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান শ্রীদেবী। ত্রিরুমুঘামের ভক্তিমূলক তামিল ছবি ‘তুনাইভান’ তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র। ১৯৭৫ সালে হিন্দি ছবি ‘জুলি’তেও তিনি শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেন।
* নায়িকা হিসেবে বলিউডে শ্রীদেবীর প্রথম ছবি ‘ষোলা সাওয়ান’। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭৯ সালে।
১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া শ্রীদেবীর জনপ্রিয় ছবি ‘চালবাজ’-এর ‘না জানে কাহা সে আয়ি হ্যায়’ গানটির শুটিংয়ের সময় শ্রীদেবীর গায়ে ১০৩ ডিগ্রি জ্বর ছিল। জ্বর নিয়ে গানটির শুটিং শেষ করেন তিনি।
* অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের কয়েকটি ছবিতে প্লেব্যাক করেছেন শ্রীদেবী। ‘সাদমা’ (১৯৮৩), ‘চাঁদনি’ (১৯৮৯) ও ‘গারাজনা’ (১৯৯১) ছবির গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন।
* শ্রীদেবী হলিউডের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক স্টিভেন স্পিলবার্গের জনপ্রিয় ছবি ‘জুরাসিক পার্ক’-এ (১৯৯৩) অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন। কিন্তু বলিউডের কয়েকটি ছবি নিয়ে তখন ব্যস্ত থাকায় সেই ইংরেজি ছবিতে আর অভিনয় করা হয়নি তাঁর।
মাতৃভাষা তামিল হওয়ার হিন্দি ছবি করতে গিয়ে শুরুতে হিমশিম খেতে হয় শ্রীদেবীকে। তখন তাঁর বয়স খুব বেশি না। ভালো হিন্দিও বলতে পারতেন না। শ্রীদেবীর প্রথম দিকের সব ছবিতে তাঁর চরিত্রের ডাব করতেন প্রয়াত অভিনেত্রী নাজ। ১৯৮৬ সালের ছবি ‘আখেরি রাস্তা’তে শ্রীদেবীর হয়ে ডাব করেন নায়িকা রেখা। হিন্দি ছবিতে শ্রীদেবীর নিজের কণ্ঠে প্রথম ডাব করেন ‘চাঁদনি’তে।
* বলিউড অভিনেত্রী জয়া প্রদাকে ধরা হতো শ্রীদেবীর সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। দুজনের সম্পর্ক কখনোই স্বাভাবিক ছিল না। একবার ‘মকসদ’ (১৯৮৪) ছবির শুটিংয়ের সময় ছবির নায়ক রাজেশ খান্না ও জিতেন্দ্র ঠিক করলেন এই দুই নায়িকার সম্পর্কের শীতলতা দূর করার জন্য কিছু করবেন। তাই চুপ করে দুজনকে একটি রুমে রেখে তাঁরা বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরটি খোলার পর দেখা যায় শ্রীদেবী আর জয়া প্রদা দুজন তখনো ঘরের দুই কোনায় চুপচাপ বসে আছেন।
শ্রীদেবীর জীবনে অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় দুটি ছবি ‘নাগিনা’ ও ‘চাঁদনি’। যদিও দুটি ছবিতেই প্রথমে কাজ করার কথা ছিল অন্য নায়িকার। ‘নাগিনা’তে প্রথম প্রস্তাব করা হয়েছিল জয়া প্রদার নাম আর ‘চাঁদনি’তে রেখার।
* আশির দশকে নায়ক মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে গভীর প্রেম ছিল শ্রীদেবীর। কথিত আছে, তাঁরা মন্দিরে গিয়ে গোপনে বিয়েও করেছিলেন। তবে তাঁদের সেই সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত টেকেনি।
চলচ্চিত্র নির্মাতা বনি কাপুরকে শ্রীদেবী বিয়ে করেন ১৯৯৬ সালে। তাঁদের সংসারে দুই সন্তান জাহ্নবী কাপুর ও খুশি কাপুর। জাহ্নবী ইতিমধ্যেই বলিউডে তাঁর প্রথম ছবির শুটিং শুরু করেছেন। হিন্দুস্তান টাইমস।
গাছে-গাছে বিয়ে
লক্ষ্য সবুজ, সুন্দর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়া। আর এ স্বপ্ন পূরণে গ্রীন সেভার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং বেনাউল দ্য পাইপারের যৌথ ঘটকালিতে (উদ্যোগে) আয়োজন করা হলো গাছে-গাছে বিয়ে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিবেশ ভবন চত্বরে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ২০টি বিয়ে সম্পন্ন হয়। সবুজ এবং সম্পর্ক বাঁচানোর এ ঐতিহাসিক যাত্রায় ঢাকা, রংপুর এবং আশপাশের এলাকা থেকে নানা বয়স ও পেশার দুই শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুলতান আহমেদ এবং চিত্রনায়ক রিয়াজ বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন। সবুজপ্রেমী মানুষের কলরব, বিয়ের ফাঁকে ফাঁকে গান, বাদ্যযন্ত্রের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে পরিবেশ ভবন চত্বর। বিয়ে শেষে সবাইকে বাতাসা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
গাছে-গাছে বিয়ের জন্য আগ্রহী ব্যক্তিরা একটি করে বিবাহযোগ্য গাছ নিয়ে আসেন। এরপর তাঁদের পছন্দমতো অন্য কারও গাছের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। এখানে কোনটি ছেলে গাছ বা কোনটি মেয়ে গাছ বা কোন গাছের কী ধর্ম—এসব বিচার্য ছিল না। বরং দুটো গাছের মাধ্যমে দুটো পরিচিত বা অপরিচিত পরিবারের মধ্যে এক ধরনের অংশীদারত্ব গড়ে তোলাই ছিল এ বিয়ের উদ্দেশ্য।
বিয়ের অনুষ্ঠান, আর ব্যান্ড পার্টি থাকবে না! হোক না তা গাছের বিয়ে। আড়ম্বরের অভাব নেই।
পুরুষদের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির অসাধারণ প্রাকৃতিক উপায়
অধিকাংশ পুরুষের মধ্যে একটা সমস্যা বেশ
প্রকট হয়ে উঠছে। দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এছাড়া বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌন ইচ্ছা যাচ্ছে ক্রমশ কমে। কাজেই
যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন৷ জেনে নিতে পারেন
কী করে এই চাহিদা ক্রমশ ক্ষয়মান হচ্ছে৷
হোম রেমেডি পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের
জন্য এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার
উপায় বার করেছে হোম রেমেডি৷ যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবেমাত্র দেখা
দিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হোম রেমেডি কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে
হোম রেমেডি দ্বারা চিকিৎসা করা যায় কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি
প্রযোজ্য নয়৷
এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম
ধাপের চিকিৎসাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কি কি সামগ্রী কাজে লাগতে পারে
বা তা ব্যবহারে কি উপকার হয়-
রসুন: যৌন অক্ষমতার
ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুনকে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷
কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে৷ যা আমরা প্রায় প্রতিনিয়্তই
খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকি৷
আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর
ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোনো রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা
কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷ এছাড়া যদি কোনো
ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশি হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক
প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রেও রসুন খুবই
কার্যকরী৷
প্রতিদিন দু’ থেকে তিনটি রসুনের কোয়া
কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা
বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার
শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি
সাহায্য করে৷
পেঁয়াজ: কাম-উত্তেজক ও
কামনা বৃদ্ধিকারী হিসেবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ কিন্তু
এটি কীভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখনো পর্যন্ত সঠিকভাবে জানা যায়নি৷
সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷
সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷
এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা
সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷
এটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক
মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷
গাজর: দেড়শো গ্রাম গাজর
কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে
আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।
ইয়ারফোনের ‘ইয়ারিয়াঁ’ ডেকে আনতে পারে ৫ বিপদ
স্মার্টযুগে স্মারটলাইফ৷ প্রযুক্তির উন্নতিতে উন্নয়নের তালে তাল
মেলাচ্ছে মানবজীবন৷ কিন্তু এই উন্নতির মধ্যেই কি কোথাও লুকিয়ে রয়েছে
ক্ষতি? ইতিবাচকের মধ্যেই কি ঢুকে নেতিবাচক কোনও কিছু? এর একটি ছোট্ট উদাহরণ
হল- ইয়ারফোন, যা ফোনের বা ল্যাপটপের মতো গ্যাজেটস-এর সঙ্গে কানের
যোগাযোগে হামেশাই ব্যবহার করেন অনেকে৷ অনেকের মতেই ইয়ারফোনের বেশি
ব্যবহারে নিচের ক্ষতিগুলি হতে পারে৷ কোনগুলি? চলুন চোখ রাখা যাক,
১) কানে বায়ু চলাচলে ক্ষতি: ফোনে সরাসরি কান না রেখে অনেকেই ইয়ারফোন ব্যবহার করে থাকেন৷ এর দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারে কিন্তু কানে বায়ু চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং এর ফলে সংক্রমণ হতে পারে যা আপনার কানের ক্ষতি করবে৷
২) শ্রবণশক্তি হ্রাস: ইয়ারফোনে ৯০ ডেসিবলের উপর শব্দ শুনলে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে৷ শ্রবণশক্তি চিরতরের মতো হারিয়েও যেতে পারে বলে অনেকেরই আশঙ্কা! ১০০ ডেসিবলের উপর মাত্র ১৫ মিনিট এয়ারফোন ব্যবহার করলে শ্রবণশক্তি নষ্ট হতে পারে।
৩) শ্রবণশক্তির জড়তা: কিছু সমীক্ষায় জানা যায়, যারা এয়ারফোন ব্যবহার করেন তারা উচ্চ শব্দে মিউজিক শোনেন। এতে কানে জড়তা চলে আসে।
৪) মস্তিষ্কে সমস্যা: বর্তমানে ইয়ারফোন কিছু তড়িত-চুম্বকীয় তরঙ্গ তৈরি করে, যার থেকে মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করা হয়৷
৫) ইনফেকশন: ইয়ারফোন ব্যক্তিগত থাকাই উচিত৷ কিন্তু অনেকেই তা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকে। এতে কানে ইনফেকশনের সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকটাই৷ তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে প্রত্যেককে৷
কম ভলিউমে ইয়ারফোন ব্যবহার করা উচিত তাও দীর্ঘক্ষণ নয়৷ এবং রাস্তায় চলতে গিয়ে এসব ব্যবহার না করাই ভালো৷ আপনার সুরক্ষা আপনারই হাতে৷
১) কানে বায়ু চলাচলে ক্ষতি: ফোনে সরাসরি কান না রেখে অনেকেই ইয়ারফোন ব্যবহার করে থাকেন৷ এর দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারে কিন্তু কানে বায়ু চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং এর ফলে সংক্রমণ হতে পারে যা আপনার কানের ক্ষতি করবে৷
২) শ্রবণশক্তি হ্রাস: ইয়ারফোনে ৯০ ডেসিবলের উপর শব্দ শুনলে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে৷ শ্রবণশক্তি চিরতরের মতো হারিয়েও যেতে পারে বলে অনেকেরই আশঙ্কা! ১০০ ডেসিবলের উপর মাত্র ১৫ মিনিট এয়ারফোন ব্যবহার করলে শ্রবণশক্তি নষ্ট হতে পারে।
৪) মস্তিষ্কে সমস্যা: বর্তমানে ইয়ারফোন কিছু তড়িত-চুম্বকীয় তরঙ্গ তৈরি করে, যার থেকে মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করা হয়৷
৫) ইনফেকশন: ইয়ারফোন ব্যক্তিগত থাকাই উচিত৷ কিন্তু অনেকেই তা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকে। এতে কানে ইনফেকশনের সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকটাই৷ তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে প্রত্যেককে৷
কম ভলিউমে ইয়ারফোন ব্যবহার করা উচিত তাও দীর্ঘক্ষণ নয়৷ এবং রাস্তায় চলতে গিয়ে এসব ব্যবহার না করাই ভালো৷ আপনার সুরক্ষা আপনারই হাতে৷
যৌনতার আগে মাথায় রাখুন কিছু টিপস
যৌনতা বড় বিষম বস্তু৷ এই সময় একটু এদিক ওদিক হয়ে গেলেই বিপদ৷ তাই
সচেতন থাকতে হয় সর্বক্ষণ৷ যৌনতা কীভাবে করবেন, কখন করবেন এই নিয়ে নানা
মুনির নানা মত৷ কিন্তু সেসব মানতে গেলে আবার সমস্যা৷ সুখ কিছুতেই ধরা দেয়
না৷ বিছানায় যত রকম আদর, সবই হয়৷ কিন্তু মুনিদের মত ফলাতে গেলে সুখভোগে
বাধা পড়ে৷ তাই যৌনতা সবসময়ই দরকার খুল্লমখুল্লা৷ কিন্তু ওই যে বলে না,
ভালোর উপর আরও একটু ভালো? তা তো হতেই পারে৷ তার জন্য জাস্ট মাথায় রাখতে
হবে কয়েকটি টিপস৷
বেশি বকবক নয়
কথা বলুন৷ কিন্তু বেশি নয়৷ যতটুকু দরকার, ততটুকুই৷ তাবলে আবার টু দা পয়েন্টও নয়৷ কথা বলতে বলতে ঘনিষ্ঠ হলে নাকি আবেগ বাড়ে৷ তাই প্রয়োজনমাফিক কথা বলুন৷ মাত্রাতিরিক্ত নয়৷ বেশি কথা কিন্তু মুড চটকে দিতে পারে৷
নেতিবাচকতা ঝেড়ে ফেলুন
আপনার পার্টনারের যা কিছু নেগেটিভ, তা কিন্তু বলার সময় নয় এটা৷ তাই নেতিবাচক চিন্তাভাবনা ঝেড়ে ফেলুন৷ পার্টনারের বডি শেপ বা যা কিছু বললে তাঁর খারাপ লাগে, তা নিয়ে কিন্তু ভুলেও কোনও উচ্চবাচ্য করবেন না৷ তাতে সেই সময়কার আবেগ তো মাঠে মারা যাবেই, উলটে বরবারের জন্য আপনি হতে পারেন ব্ল্যাক লিস্টেড৷
ফোন, নৈব নৈব চ
ভুল করেও এই সময় ফোন রিসিভ করবেন না বা কাউকে ফোন করবেন না৷ দরকার হলে ফোন সাইলেন্ট করে রাখুন৷ কোনও প্যাশনেট মুহূর্তে ফোন ধরা মানে আপনি আপনার পার্টনারের প্রতি মনোযোগ দিচ্ছেন না৷ তা কিন্তু কখনই কাম্য নয়৷
ঝুঁকি মুক্ত থাকুন
সেক্স করুন৷ কিন্তু সাবধানে৷ আবেগের বশে প্রোটেকশন নিতে ভুলে যাবেন না৷ যৌনতা থেকে ছড়াতে পারে বিভিন্ন রোগ৷ সেগুলো থেকে সচেতন থাকুন৷ তাই হাজার ব্যস্ততাতেও প্রোটেকশন নিন৷ সেটা ভুলেও ভুলে যাবেন না৷
শক্ত কাঠ হবেন না
যৌনতা উপভোগ করুন৷ এই সময় কখনই শক্ত কাঠের মতো হয়ে থাকবেন না৷ যেভাবে খুশি বডি মুভমেন্ট করুন৷ আনন্দ পাবেন৷ যৌনতার সময় কখনই লজ্জা পাবেন না৷
বেশি বকবক নয়
কথা বলুন৷ কিন্তু বেশি নয়৷ যতটুকু দরকার, ততটুকুই৷ তাবলে আবার টু দা পয়েন্টও নয়৷ কথা বলতে বলতে ঘনিষ্ঠ হলে নাকি আবেগ বাড়ে৷ তাই প্রয়োজনমাফিক কথা বলুন৷ মাত্রাতিরিক্ত নয়৷ বেশি কথা কিন্তু মুড চটকে দিতে পারে৷
নেতিবাচকতা ঝেড়ে ফেলুন
আপনার পার্টনারের যা কিছু নেগেটিভ, তা কিন্তু বলার সময় নয় এটা৷ তাই নেতিবাচক চিন্তাভাবনা ঝেড়ে ফেলুন৷ পার্টনারের বডি শেপ বা যা কিছু বললে তাঁর খারাপ লাগে, তা নিয়ে কিন্তু ভুলেও কোনও উচ্চবাচ্য করবেন না৷ তাতে সেই সময়কার আবেগ তো মাঠে মারা যাবেই, উলটে বরবারের জন্য আপনি হতে পারেন ব্ল্যাক লিস্টেড৷
ভুল করেও এই সময় ফোন রিসিভ করবেন না বা কাউকে ফোন করবেন না৷ দরকার হলে ফোন সাইলেন্ট করে রাখুন৷ কোনও প্যাশনেট মুহূর্তে ফোন ধরা মানে আপনি আপনার পার্টনারের প্রতি মনোযোগ দিচ্ছেন না৷ তা কিন্তু কখনই কাম্য নয়৷
ঝুঁকি মুক্ত থাকুন
সেক্স করুন৷ কিন্তু সাবধানে৷ আবেগের বশে প্রোটেকশন নিতে ভুলে যাবেন না৷ যৌনতা থেকে ছড়াতে পারে বিভিন্ন রোগ৷ সেগুলো থেকে সচেতন থাকুন৷ তাই হাজার ব্যস্ততাতেও প্রোটেকশন নিন৷ সেটা ভুলেও ভুলে যাবেন না৷
শক্ত কাঠ হবেন না
যৌনতা উপভোগ করুন৷ এই সময় কখনই শক্ত কাঠের মতো হয়ে থাকবেন না৷ যেভাবে খুশি বডি মুভমেন্ট করুন৷ আনন্দ পাবেন৷ যৌনতার সময় কখনই লজ্জা পাবেন না৷
রূপে আসুক জৌলুস
কথাই আছে ‘ পেহেলে দর্শনধারী, ফির গুন বিছারি’। তাই নারী হোক বা পুরুষ দুজনেরই সৌন্দর্য চাই। মানব সভ্যতার ইতিহাসে মেয়েদের রুপচর্চার কথা অনেক প্রাচীন। ভারতেও রূপচর্চার জন্য পুরানে অনেক আয়ুর্বেদিক ওষুধের উল্লেখ আছে। তবে বর্তমানে ব্যস্ত কর্মজীবনে রূপচর্চার সময় বেজ করাই মুশকিলে পড়তে হয় মেয়েদের। বাড়িতে বা বাইরে কর্মব্যস্ত মহিলাদের কম সময়ে ও কম খরচে রূপচর্চার কিছু টিপস রইল।
অনেকেরই হাতের কনুই আর হাঁটুর চারপাশের অংশ শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় কাল হয়ে যায়। লেবুর রস আর চিনি মিশিয়ে ওই জায়গায় রোজ ভাল করে স্ক্রাব করুন। লেবুর রস উজ্জ্বল করতে সাহায্যও করবে আর চিনি মৃত কোষ গুলোকে সজীব করবে।লিপস্টিক গাঢ় করে লাগালেও ঠোঁট উজ্জ্বল কিছুতেই হতে ছায়না। তাই কোন অনুষ্ঠানে নিজের ঠোঁটকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে লিপস্টিক আর লিপগ্লস দুই ঠোঁটে ব্যবহার করুন। ঠোঁটের মাঝখানে সামান্য আইস্যাডো দিন ও সেব্ধানে মিশিয়ে নিন, দেখবেন সবার চোখ আপনার ঠোঁটের দিকে আটকে।
ক্লান্ত চেহারা কখনই আকর্ষণীয় হতে পারে না। আর আপনার যত ক্লান্তি লুকিয়ে থাকে আপনার চোখে। তাই চেষ্টা করবেন চোখের তলার অংশে একটু গাঢ় মেক-আপ ব্যবহার করতে। এতে আপনাকে অনেকটাই সতেজ বলে মনে হবে।
আপনার ত্বক যদি তুলনায় বেশি ড্রাই বা অয়েলি হয়, তবে যে কোনও একরকম প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন। আর অবশ্যই দেখে নেবেন যাতে সেটা ভাল ধরণের ময়েশ্চারাইজার হয়।
দিনে দুবারের বেশি মুখ ধোবেন না, আর অবশ্যই একটু বেছে ক্লিনজার ব্যবহার করবেন।
বয়স ঢাকতে হাজারো অ্যান্টি এজিং ক্রিম ব্যবহার না করে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
গাড়িতে চড়লে বমি? একটু মানলেই হবে সমাধান
ঘুরতে যেতে কে না ভালোবাসে৷ অথবা অফিস বা যে কোনও কাজে বেরোতেই হয়৷ কিন্তু বাস বা চার চাকাতে ভয়৷ উঠলেই গা বমি বমি করে৷ মাথা ঘোরে৷ মনে হয় এখনই নেমে যাই গাড়ি থেকে? অনেকবার বমির ওষুধ খেয়ে কমানোর চেষ্টা করেছেন? তাও ফিরে ফিরে আসে সমস্যা? তাহলে নিচের লেখাতে একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন৷
পড়ুন:
যৌনতায় অর্গ্যাজম খুব জরুরি কেন জানেন? কারণ জানলে আশ্চর্য হবেন
১) রাতের ঘুম কিন্তু মাস্ট৷ কোনওভাবেই ঘুমের সময় কেটে অন্য কাজ করবেন না৷ শুতে দেরি হলে সকালে একটু পরে ওঠার চেষ্টা করুন৷
২) গাড়িতে খালি পেটে উঠবেন না৷ হালকা সিদ্ধ কিছু খেতে পারেন৷ সঙ্গে পরিমিত জল৷
৩) শ্বাস-প্রশ্বাসে কোনও সমস্যা আছে কিনা দেখুন৷ প্রণায়ামের অভ্যাস থাকলে ভালো৷
২) গাড়িতে খালি পেটে উঠবেন না৷ হালকা সিদ্ধ কিছু খেতে পারেন৷ সঙ্গে পরিমিত জল৷
৩) শ্বাস-প্রশ্বাসে কোনও সমস্যা আছে কিনা দেখুন৷ প্রণায়ামের অভ্যাস থাকলে ভালো৷
৪) গাড়িতে অনেক দূর যেতে হলে, মাঝে মধ্যে গাড়ি থামিয়ে নিচে নেমে হাত-পা নাড়ুন৷ আর বাস হলে উঠে দাঁড়ান মাঝে মাঝে৷
৫) হয় চুইংগাম অথবা বিট নুন সহযোগে আদা মুখে রাখতে পারেন৷ বমি বমি ভাবটা কেটে যাবে এতে৷ অথবা রাখুন বিটনুন এর পাতিলেবু৷
৫) হয় চুইংগাম অথবা বিট নুন সহযোগে আদা মুখে রাখতে পারেন৷ বমি বমি ভাবটা কেটে যাবে এতে৷ অথবা রাখুন বিটনুন এর পাতিলেবু৷
যৌনতায় অর্গ্যাজম খুব জরুরি কেন জানেন? কারণ জানলে আশ্চর্য হবেন
অর্গ্যাজাম বা রাগমোচন এমনই একটা শব্দ যা দাম্পত্য সুখের শেষ রসদ। যৌন ক্রীড়ার শেষ বিন্দুতে রাগমোচন এক স্বতঃস্ফূর্ত স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এইসময় শ্রোণী অঞ্চলের মাংসপেশির ছন্দোময় সংকোচনের মাধ্যমে দেহে চরম যৌনসুখ অনুভূত হয়। নারী এবং পুরুষ উভয়েরই রাগমোচন ঘটে থাকে যৌন ক্রীড়ার সময়। রাগমোচন সম্পূর্ণ ভাবে স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। রাগমোচনের সময় শরীরে বিবিধ ক্রিয়া ঘটে।
যেমনঃ আনন্দ-চঞ্চল সংবেদন , শরীরের কোন কোন অংশের বিদ্যুতের মতো অনুভব এবং মুখে নানান ধরনের শব্দের উৎপত্তি। অরগ্যাজামের পরবর্তি সময়টি একটি অবসাদময় নিস্তেজ পরিস্থিতি হয়। যার মূল কারন হল অক্সিটোসিন, প্রোল্যাক্টীন এবং এন্ডোরফিন্স নামক নিউরোহরমোনের নিঃসরণ।
রাগমোচন বা অরগ্যাজাম যেকোন ধরনের শারীরিক যৌন উদ্দীপনার মাধ্যমে হতে পারে, যেমন পুরুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গ (এক্ষত্রে বীর্যপাতের ঘটে থাকে ) এবং নারীর ক্ষেত্রে ভগাঙ্কুরের উদ্দীপনার মাধ্যমে। এই যৌন উত্তেজনা হস্তমৈথুনের মাধ্যমে নিজে নিজে করা যেতে পারে বা কোন সঙ্গীর সাহায্য অন্য যেকোন যৌন ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে হতে পারে।
রাগমোচন কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এতে আনন্দের সাথে মিশে থাকে দেহ ও মনের এক ধরণের নিরুদ্বেগ শৈথিল্য। পুরুষের ক্ষেত্রে বীর্যস্খলনের সময়ই রাগমোচন লাভ হয়, এর পাশাপাশি পেশীর ক্রিয়ার কারণে তার লিঙ্গ কয়েকবার কেঁপে ওঠে এবং অণ্ডকোষ শক্ত হয়ে একটু উপরে উঠে আসে। অধিকাংশ পুরুষের ক্ষেত্রেই রাগমোচনের পরেই পুনর্বার মৈথুন করা সম্ভব না, কেননা বীর্যপাতের সঙ্গে সঙ্গে লিঙ্গের উত্থান রহিত হয়ে যায়। লিঙ্গের পুনরুত্থান বা পুনরায় সঙ্গমের জন্য কিছুটা সময় লাগে।
স্ত্রীর ক্ষেত্রে ইউটেরিন ও যোনির দেয়ালের পেশীগুলোর মুহুর্মুহু সংকোচনের মাধ্যমে রাগমোচন ঘটে। এটা ক্ষেত্রবিশেষে একসাথে কয়েকবার হতে পারে আবার সামান্য সময়ের ব্যবধানে হতে পারে। অনেক স্ত্রীর ক্ষেত্রে পুরো দেহব্যাপী অনেকক্ষণের জন্য রাগমোচন ঘটতে পারে। পুরুষের চেয়ে নারীর রাগমোচন অনেক দীর্ঘস্থায়ী হয়।
সুতরাং সঙ্গমের কালে অরগ্যাজাম বা রাগমোচন খুব গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্গমের সমাপ্তি তখনই সম্ভব যখন রাগমোচন ঘটে।
জানেন বয়সভেদে যৌন চাওয়া-পাওয়া বদল হয়
হেডলাইনে নারী শব্দের উল্লেখ থাকলেও, এখানে কিন্তু প্রথমে টিনএজ মেয়েদের কথা বলব। মেয়েরা, তোমরা কিন্তু ভ্রু কোঁচকাবে না। তোমাদের যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯ এর মধ্যে, তাঁদের চাওয়া পাওয়া বাস করে কিন্তু এক বড়সড় স্বপ্নের দেশে। অনন্ত চাওয়া, একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম। শুরু করলে শেষ করা সম্ভব হবে না। তাই একটু এগিয়ে যাচ্ছি।
বয়স যখন ; ২০-২৯
প্রথম ব্যাপার তাঁকে( পুরুষটিকে ) সুদর্শন হতে হবে। মুগ্ধ শ্রোতা হতে হবে ১০০ ভাগ। ফ্যাশন সচেতন হওয়া জরুরী। রোমান্টিক হতেই হবে, না হলে চলবে না। শিল্পানুরাগী না হলেও ধারনা থাকতে হবে। সেন্স অব হিউমার থাকতে হবে প্রবল। আর্থিকভাবে সচ্চল পরিবারের ছেলে হতে হবে, যাতে বায়না করলেই তা হাজির হয়ে যাবে এক মুহুর্তে। রোমান্সের জন্য জিম করা ফিগার থাকা প্রয়োজন, হিরো হিরো ভাব থাকতে হবে।
বয়স যখন ; ৩০-৩৯
ভাল ব্যাংক ব্যালান্স থাকা জরুরী। কথা বলার থেকে শুনবে বেশি। রান্না খেয়ে প্রশংসা করতে হবে (অখাদ্য হলেও)। কাজ সবাই করে , ওটার বাহানা দেওয়া চলবে না। ম্যানার জানতে হবে। জন্মদিন এবং অ্যানিভার্সারি ভোলা চলবে না।
বয়স যখন ; ৪০-৪৯-
নোংরা থাকা চলবে না, পরিষ্কার পরিছন্ন থাকাতে হবে। টয়লেট সীট নামিয়ে আসতে হবে। অন্তত উইক-এন্ডে সেভ করতে হবে। সংসারের খরচের টাকাটা যেন ঠিকমত আয় করতে পারে। স্ত্রীর কথা শুনে সব সময়”হাঁ”সূচক মাথা নাড়তে হবে। এমন একটা শাট পরতে হবে যেটা পেট (ভুরি) ঢেকে রাখতে সক্ষম।
বয়স যখন ; ৫০-৫৯-
নাক ও কানের চুল নিয়মিত পরিস্কার করতে হবে। পরিস্কার মোজা ও আন্ডারওয়্যার পরতে হবে। মাঝে মধ্যে সেভ করা জরুরী। কথা শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়া চলবে না। নাক ডাকা চলবে না। বেশী বেশী ধার না করাই ভাল। সপ্তাহে একদিন সঙ্গে বসে বাইরে গিয়ে খাওয়ার মতো ইচ্ছে থাকতে হবে।
বয়স যখনঃ ৬০-৬৯-
ঘুমের সময় নাট ডাকার শব্দ একটু কম হতে হবে। হাসার সময় বুঝতে হবে কেন সে হাসছে। দাঁত (কৃত্রিম) কোথায় রেখেছেমনে রাখতে হবে। খাওয়া নিয়ে য্ন্ত্রনা করা চলবে না। টাকা-পয়সার চিন্তা বাদ দিয়ে বউয়ের উপর ভার ছেড়ে দিতে হবে। ছোট বাচ্চাদের ভয়ের কারন হওয়া চলবে না।
বয়স যখন ; ৭০-৭৯-
টয়লেট যেন টয়লেটে হয় সেটা মনে রাখতে হবে। শ্বাস নেওয়ার মত শারীরিক শক্তি থাকতে হবে। মরার আগে বেশী খরচের অছিয়ত করে যাওয়া চলবে না । মরার আগেই সব সম্পত্তি চুলচেরা হিসাব করে ভাগ করে দিতে হবে ।
মুসলিম সমকামী বিবাহে নজির গড়ল টেমসের শহর
সমকামী মুসলিম বিয়ের সাক্ষী হল ব্রিটেন৷ এই নয়া দম্পতিরা হলেন জাহেদ চৌধুরি এবং সিয়ান রোগান৷ নাম দেখে আরও একটি বিষয় নিশ্চয়ই আপনাদের নজরে এসেছে৷ এই দম্পতির মধ্যে একজন মুসলিম হলেও অপরজন কিন্তু ব্রিটেনবাসী৷ বিশ্বের দরবারে এনারা কার্যত নজির গড়লেন৷ মঙ্গলবার পশ্চিম মিডল্যান্ডে এই দম্পতি আংটি বদল করে একে অপরের সঙ্গে আইনত সম্পর্কে আবদ্ধ হলেন৷












