স্মার্টফোনে আসক্তরা মাথাব‌্যথায় খাচ্ছেন

সংবাদ ডেস্ক: ঘন ঘন মাথা ব‌্যথা করে? মনে হয় যেন যন্ত্রণায় মাথাটা ছিঁড়ে, ফেটে, চৌচির হয়ে যাচ্ছে? চোখের সামনে সব কিছু ঝাপসা হয়ে যায়? কান ঝালাপালা করে? মুঠো মুঠো পেন-কিলার গিলতে হয়? আচ্ছা, আপনি কি স্মার্টফোন ইউজার? না, না। ভুল কিছু পড়েননি।

এক বাটি কর্ন অ্যান্ড প্রন স্যুপেই আরাম

ভোরে কিংবা গভীর রাতে উত্তরে হাওয়ার শিরশিরানি টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ। উষ্ণ চাদরের আদর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করে না। গলার কাছটা খুসখুসে ভাব। সর্দি হবে হবে ব্যাপার। এই সময়ে দিনে হোক বা রাতে, আপনাকে আরাম দিতে পারে একমাত্র একবাটি 

মাইগ্রেন থেকে মুক্তির জন্য করুন

কাজ করতে করতে হঠাৎ করে মাথাব্যথা বা বমি ভাব? কিংবা বাড়ির শিশুটি খেলাধূলা করে ফিরে কিংবা পড়তে বসলেই মাথা ব্যথার কথা বলছে? তাহলে এখনই সাবধান হওয়া উচিত। কারণ চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন এগুলি সবই কিন্তু মাইগ্রেনের লক্ষণ।

পুরুষ সঙ্গীর কাছে কী চান মহিলারা?

মানুষের চাহিদার কোনও শেষ নেই৷ বিশেষ করে মহিলাদের৷ নিজের সঙ্গীর কাছেই সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে ভারতীয় কন্যাদের৷
জানেন কি, জীবনের কতটা সময় খরচ হয় যৌনতায়?

জানেন কি, জীবনের কতটা সময় খরচ হয় যৌনতায়?

sex_spot_couple_balcony_600x450মানুষ না কি জীবনের এক তৃতীয়াংশ স্রেফ ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেয়!

শুনলে একটু খারাপ লাগে ঠিকই! একেই তো জীবন বড় ছোট! তারও কি না অনেকটাই চলে যায় ঘুমিয়ে!

বিশ্বের সবথেকে দামী গয়না

গয়না এবং বহুমূল্য পাথর মেয়েদের কাছে খুবই আদরের৷ মেয়েরা এমনিতেই গয়নার নাম শুনলেই দুর্বল হয়ে পড়ে৷ মেয়েদের এই দুর্বলতার কথা কারও অজানা নেই৷তবে এবার যেসব গয়নার কথা বলব, তা দেখলে আপনাদের মাথা ঘুরে যাবে, আর দাম শুনলে চোখ উঠবে কপালে। বিশ্বের সবথেকে দামী এইসব গয়নাগুলো চিনে নিন

স্যাফায়ার রিং অফ প্রিন্সেস ডায়না :  
এই আংটিটি প্রিন্সেস ডায়না পরেছিলেন৷ তারপর থেকেই এই রিংটির নাম স্যাফায়ার রিং অফ প্রিন্সেস ডায়না৷ এটির দাম ৪৫০,০০০ ডলার৷
prience-diana

কুইন মেরি জোস এমাব়্যাল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড নেকলেস :  
কুইন মেরি জোস ইতালির শেষ রাণী৷ তাঁর নামেই এই রিংটির নামকরণ করা হয়েছে৷ এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামী গয়নাগুলির মধ্যে একটি৷ তবে এর সঠিক মূল্য কোথাও প্রকাশ করা যায় না।
queen-merry-rose

মেরি অ্যানন্টিয়োনেট নেকলেস : 
এই নেকলেসটিতে রয়েছে দুটো বিরল হলুদ ডায়মন্ড এবং একটি পিঙ্ক ডায়মন্ড৷ আর বাকিসব সাদা ডায়মন্ড৷ এটির মূল্য ৩.৭ মিলিয়ন ডলার৷
marry-antonie-nec

হ্যারি উইন্সটন ডায়মন্ড ড্রপ ইয়াররিং : 
এটি তৈরি হয়েছে ২০০৬ সালে৷ এটির দাম ৮.৫ মিলিয়ন ডলার৷
drop

ব্রায়োলিটি ডায়মন্ড নেকলেস : 
এটি বিখ্যাত ৭৫.৩৬ ক্যারেট ডায়মন্ড দিয়ে তৈরি করা হয়েছে৷ এটির দাম ১১ মিলিয়ন ডলার৷
briolity-diamond-nec

বুলগারি ব্লু ডায়মন্ড রিং : 
এটিতে গাঢ় ডায়মন্ড নীল রঙের হীরে ব্যবহার করা হয়েছে৷ দাম ৯.৪ মিলিয়ন ডলার৷
bulgari-blue-diamond

পিঙ্ক ডায়মন্ড : 
এটি হালকা গোলাপি রঙের ডায়মন্ড ব্যবহার করা হয়েছে৷ দাম ১৭.৭৭ ডলার৷
pink-diamond

হার্ট অফ দ্য এশিয়ান : 
টাইটানিক সিনেমায় নায়িকা রোজকে এই হার পরতে দেখা গিয়েছিল৷ এটির দাম ২০ মিলিয়ন ডলার৷
heart-of-the-ocean  
দ্য পারফেক্ট পিঙ্ক :  
এটি একটি দারুণ এবং মূল্যবান পাথর৷ রঙ,কাটিং এবং স্বচ্ছতাই এর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে৷ এর দাম ২৩.২ মিলিয়ন ডলার।
the-perfect-pink

দ্য অরেন্স : 
এটি ভিভিট অরেঞ্জ ডায়মন্ড৷ এটির দাম ৩৬ মিলিয়ন ডলার৷ orange

৭১-এর যুদ্ধে ৯৩০০০ পাক বন্দিকে এক ‘অজ্ঞাত’ কারণে ফিরিয়ে দিয়েছিল ভারত


১৯৭২-এর ২ অগাস্ট। ঠিক আট মাস আগেই শেষ হয়েছে ১৩ দিনের ভারত-পাক যুদ্ধ। এদিন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় সিমলা চুক্তি। আর ফলে ভারত ৯৩০০০ পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দিকে ফিরিয়ে দিতে রাজি হয়। ৭১-এর যুদ্ধ চলাকালীন এদের বন্দি করা হয়েছিল ভারতে। এটা ছিল ভারতের অত্যন্ত বিতর্কিত একটি সিদ্ধান্ত। কেন এই সময় ওই বন্দিদের হাতের তাস করে কাশ্মীর নিয়ে দরাদরি করেননি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী? হয়ত মিটে যেত সমস্যা!

কিসের জন্য পাক বন্দিদের ছেড়ে দিতে রাজি হয়ে যান ইন্দিরা? এর পিছনে আসল গল্প কি ছিল? সেটা জানলে হয়ত বিতর্কের সমাধান হত। কিন্তু সেই গল্প রয়ে গিয়েছিল গোপনেই। কোনোদিন তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। ৪০ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে সেই যুদ্ধের। সেদিন কেন পাক বন্দিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই রহস্য উদঘাটন করেছেন এক অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিবিদ শশাঙ্ক বন্দ্যোপাধ্যায়।

THE WIRE পত্রিকায় তিনি লিখেছেন সেই ইতিহাস। ২৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর পাক যোদ্ধারা আত্মসমর্পণ করে ঢাকায়। ভারতীয় সেনা ও বাংলাদেশ মুক্তি বাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা। ভারত আর বাংলাদেশের জন্য সে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কিন্তু সেইসময় ইন্দিরা গান্ধী তথা ভারত অন্য এক বিপদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। একদিকে, যুদ্ধের বিপুল খরচ, তার উপরে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা প্রায় ১ কোটি শরণার্থী, যারা পাক সেনার অত্যাচারে সীমান্ত পার করে চলে এসেছিল তাদের খরচ। তার মধ্যে বাড়তি খরচ এই ৯৩০০০ পাক সেনা।

ইন্দিরা গান্ধীর মূল লক্ষ্য হয়ে উঠেছিল, কিভাবে শেখ মুজিবর রহমানকে নিরাপদে দেশে ফেরানো যায়। তার জন্য যে কোনও মূল্য দিতে রাজি ছিলেন তিনি। সেকথা তিনি একজনকেই বলেছিলেন। তিনি হলেন তৎকালীন RAW প্রধান রাম নাথ রাও। পাকিস্তানের মিলিটারি কোর্টে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছিল তাঁকে, নৃশংসভাবে হত্যা করার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। সেটাই ছিল ইন্দিরা গান্ধীর সবথেকে বড় দুঃস্বপ্ন। হৃদয় দিয়ে বাংলাদেশকে সমর্থন করেছিল ভারত। তাই মুজিবর রহমানকে হত্যা করা হলে, ভারতের স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে। এটাই ছিল ভয়। বাংলাদেশকে ‘অনাথ’ দেখতে চাননি তিনি।

এদিকে, পরাজয়ের অপমান সহ্য করতে না পেরে পদত্যাগ করেন তৎকালীন পাক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহা খান। আমেরিকায় থাকা জুলফিকর আলি ভুট্টোকে ফোন করে সেকথা জানান। দায়িত্ব দিয়ে যান ভুট্টোকেই। তড়িঘড়ি রাওয়ালপিন্ডির বিমান ধরেন ভুট্টো।

ইন্দিরার ঐতিহাসিক কূটনীতি:
ভুট্টোর ফেরার খবর পেয়েই জরুরি মিটিং ডাকেন ইন্দিরা গান্ধী। ভুট্টোর বিমান রিফুয়েলিং-এর জন্য থামার কথা ছিল হিথরো বিমানবন্দরে। ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন, সেইসময় সেখানে উপস্থিত থাকুক কোনও ভারতীয় প্রতিনিধি। যাতে তিনি জানতে পারেন, মুজিবর রহমানকে নিয়ে কি ভাবছেন তিনি? সেই বৈঠকে ছিলেন বিদেশমন্ত্রকের উপদেষ্টা দূর্গা প্রসাদ ধর, RAW প্রধান রাম নাথ কাও, প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি পিএন হাসকার, বিদেশ সচিব টিএন কাউল।

মুজফ্ফর হোসেন, পূর্ব পাকিস্তানের চিফ সেক্রেটারি ছিলেন। তিনি ভারতে যুদ্ধবন্দি হন এবং ডিপি ধরের বাড়িতে অতিথির মর্যাদায় ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ছিলেন লন্ডনে। ফলে সেইসময় কূটনীতিকদের মাধ্যমেই যোগাযোগ করতেন স্বামী-স্ত্রী। অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিবিদ শশাঙ্ক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনিই দু’জনের মাধ্যম হয়ে উঠেছিলেন ফলে দু’জনের সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। লায়লা ছিলেন ভুট্টোর একসময়ের বান্ধবী। সেই লায়লাকেই কাজে লাগান ইন্দিরা। ভুট্টোর সঙ্গে কথা বলতে পাঠান লায়লাকে। উদ্দেশ্য ছিল একটাই।

মুজিবরকে নিয়ে কি ভাবছেন সেটা জানা। এই শশাঙ্ক বন্দ্যোপাধ্যায়ই লায়লাকে জানান, তিনি আতে হিথরো বিমানবন্দরে গিয়ে একসময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ভুট্টোকে বলেন, তাঁর স্বামীকে ভারত থেকে ছাড়ার ব্যবস্থা করতে। সেইমত এয়ারপোর্টের লাউঞ্জে দেখা হয় দু’জনের। কথাবার্তা শেষে লায়লাকে কাছে টেনে তাঁর কানে কানে একটা বার্তা দেন ভুট্টো। বলেন, ‘লায়লা আমি জানি, তুমি কি জানতে এসেছ। একটা মেসেজ দিও ইন্দিরা গান্ধীকে। বোলো, আমি মুজিবর রহমানকে মুক্তি দেব। কিন্তু বদলে কি চাইব? সেটা পরে জানাব।’

বার্তা জানান লায়লা। তবুও সন্দেহ দূর হয় না। ভারতকে ভুল পথে চালিত করছেন না তো ভুট্টো? কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই সন্দেহের অবসান হল। খবরটা সত্যি সেটাই জানা গেল। বদলে চাওয়া হল ৯৩০০০ যুদ্ধবন্দিকে। ১৯৭২-এর ৮ জানুয়ারি ছেড়ে দেওয়া হল মুজিবর রহমানকে। ফিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন তিনি। এর ঠিক আট মাস পরে ছেড়ে দেওয়া হয় ওইসব পাক যুদ্ধবন্দিদের।

মহিলাদের জন্য বিপজ্জনক সাত শহর

গ্লোবালাইজেশনের যুগে যে হারে ধর্ষণ, নারী নির্যাতনে মত ঘটনা ঘটছে তাতে বিশ্বের কোনও কোণাতেই মহিলারা সুরক্ষিত নন৷ তবে এই বিষয়ে নিয়েই সম্প্রতি থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন একটি সমীক্ষা চালিয়েছে৷ প্রায় ৬,৫৫০ জন মহিলার উপর পরীক্ষা চালানো হয় এই গবেষণা৷ এতে দেখা গিয়েছে বিশ্বে এমন সাতটি শহর রয়েছে যেখানে পরিবহন ব্যবস্থা নারীদের জন্য একেবারেই সুরক্ষিত নয়৷

ভারত
অসুরক্ষিত শহরের তালিকায় সবার প্রথমেই উঠে এসেছে ভারতের নয়া দিল্লির নাম৷ এখানে কোনও মহিলা যদি একা একা ঘুরে বেড়াতে চান তবে তা একেবারেই সম্ভব নয়৷ বিশেষ করে সন্ধ্যের পর৷ আড়াই কোটি মানুষের বাস এই শহরে৷ জনসংখ্যার দিক থেকে এটিই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজধানী৷ ২০১২ সালে নির্ভয়া কাণ্ডই এর সবচেয়ে বড় জ্বলন্ত প্রমাণ৷ শুধু নির্ভয়া একা নয়, তার পরেই দিল্লিতে প্রায় প্রতিদিনই অন্তই একজন করে মহিলা লাঞ্চনার শিকার হয়ে চলেছেন৷

কলম্বিয়া
মহিলার জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিবহণ ব্যবস্থার তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে কলম্বিয়ার বোগোটা শহর৷ সমীক্ষা বলছে, এই শহরে প্রায় ৯৬ লক্ষ মানুষের বাস৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও এই শহরের বাস বা ট্রেন পরিষেবা একেবারেই নিম্ন মানের৷ দেখা গিয়েছে রাতে দিকে কোনও মহিলা বাসে বা ট্রেনে একা চলাফেরা করলে তাকে যৌন হয়রানি বা ছিনতাইয়ের শিকার হন৷

মেক্সিকো
মেক্সিকো সিটিতে প্রায় ২ কোটি ১০ লক্ষ মানুষ বসবাস করেন৷ এটি মেক্সিকোর রাজধানীও৷ কিন্তু সভ্য শহর হয়েও এই শহরের নারীরা অসুরক্ষিত৷ এই শহরে যে মহিলারা গণপরিবহণের মাধ্যমে যাতায়াত করেন তারা প্রতিনিয়তই শ্লীলতাহানি ও শারীরিক হেনস্তার শিকার হন৷

পেরু
পেরুর রাজধানী লিমা শহরে প্রায় ৬২ লক্ষ মানুষের বাস৷ এই শহরটি যদিও একটি অনুন্নত দেশের অধীনে৷ এই শহরের এক তৃতীয়াং মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন৷ সেকারণেই এখানকার পরিবহণ ব্যবস্থা নারীদের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক৷ ছিনতাই, যৌন হয়রানি বা শ্লীলতাহানির ঘটনা এই শহরের নিত্যদিনের সঙ্গী৷

ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থাও একেবারেই বেহাল৷ ইতিমধ্যেই সাধারণ পরিবহণে নারীদের যৌন হয়রানির ঘটনার ফলে ব্যাপ সমালোচনার মুখে পড়েছে সেদেশের সরকার৷ সেকারণেই ট্রেনে ও বাসে মহিলাদের বসার আলাদা ব্যবস্থা করে হয়েছে৷ এখানকার বাসে পকেটমারির ঘটনা একেবারেই সাধারণ৷

মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর শহরে পর্যটনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয়৷ কিন্তু এশহরের চিত্রটাও একই রকম৷ দেখা গিয়েছে এশহরের রাতের বেলায় এক একজন নারী একেবারেই নিরাপদ নন৷

ব্যাংকক
সাধারণ কোনও পর্যটক বিদেশ যাত্রা বলতেই বোঝেন ব্যাংকক-পাটায় ট্রিপ৷ দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটকদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় ব্যাংককও নারীদের জন্য অসুরক্ষিত৷ বাসে বা ট্রেনে প্রতিনিয়তই যৌন হেনস্তার শিকার হন মহিলারা৷

যৌনসম্পর্ক আছে এমন মেয়েদের ‘সস্তা বেশ্যা’ বলছে

নিউজিল্যান্ডে একটি মাধ্যমিক স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অতি-রক্ষণশীল যৌন শিক্ষার পুস্তিকা বিতরণ! যা নিয়ে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
 
‘নিরাপদ যৌনজীবন’ বা ‘সেফ সেক্স’ নামের ওই পুস্তিকায় বিয়ের আগে যৌনসম্পর্ক করেছে এমন মেয়েদের ‘সস্তা বেশ্যা’, এবং বিয়ে ছাড়াই একসঙ্গে থাকছে এমন যুগলকে ‘মজ্জাগতভাবে দায়িত্বহীন ব্যভিচারী’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এমনকি এই বইটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কেউ সমকামিতায় লিপ্ত হলে তার জন্য মৃত্যু ও নরক অপেক্ষা করছে।’

ক্রাইস্টচার্চের পাপানুই হাই স্কুলের স্বাস্থ্য শিক্ষার ক্লাসে ১৫ বছরের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এই পুস্তিকা বিলি করা হয়। এর পর এক ছাত্রের মা এ নিয়ে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে অনলাইনেও ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে।  


স্কুলটির প্রধান শিক্ষক জেফ স্মিথ অবশ্য বলছেন, ছাত্রদের কাছে একটি উগ্র মতাদর্শকে তুলে ধরার জন্যেই বইটি বিলি করা হয়েছে। যদিও এতে স্কুলের নিজস্ব আদর্শের কোন প্রতিফলন ঘটেনি বলে মন্তব্য জেফ স্মিথের।

সন্তানের খাবার যোগাতে ৫০ টাকার জন্য ‘ন্যুড মডেল’

নগ্নতার সম্মান৷ শুনতে কানে লাগে৷ অথচ নগ্নতার নান্দনিকতা যুগ যুগ ধরে পূজিত হয়ে এসেছে৷ নগ্নতা সমাজের কাছে দৃষ্টিকটু৷ কিন্তু শিল্পীদের কাছে শিল্প, প্রেরণা৷ সেই নগ্নতা এবার যখন সসম্মানে উচ্চপদ লাভ করছে, স্থির থাকতে পারেননি ন্যুড আর্টিস্টি লক্ষ্মী৷ দৃঢ়তার সঙ্গে বলে ফেললেন, “নগ্নতা শেষমেশ সম্মান পাচ্ছে৷ আমি খুব খুশি৷”

আসছে রবি যাদব পরিচালিত ছবি ন্যুড৷ একটি ন্যুড আর্টিস্টকে নিয়ে ছবির গল্প৷ এবছর এপ্রিলে ছবিটির মুক্তি পাওয়ার কথা৷ এই ছবিরই প্রধান প্রোটাগনিস্ট লক্ষ্মী৷ তাঁর জীবনই স্টোরি লাইন৷ কথা প্রসঙ্গে লক্ষ্মী জানিয়েছেন, যখন ছেলের মাত্র ৩ বছর বয়স, তাঁর স্বামী মারা যান৷ দুচোখে অন্ধকার দেখেন লক্ষ্মী৷ কিন্তু তিনি ভেঙে পড়েননি৷ হন্যে হয়ে কাজ খুঁজেছিলেন সেই সময়৷ ছেলেকে তো বাঁচাতে হবে৷ সেই কারমেই প্রতিদিন নিজের এক কাকিমাকে কাজের কথা বলতেন তিনি৷ কিন্তু সেই কাকিমা কোনও উচ্চবাচ্য করতেন না৷ এরপর লক্ষ্মী নিজে মুম্বইয়ের জেজে স্কুলে যান৷ সেখানেই তাঁর কাকিমা কাজ করতেন৷ একদিন বিকেলে দুজনের দেখা হয়৷ লক্ষ্মী জানতে পারেন তাঁর কাকিমা সেখানে ন্যুড আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন৷ বলছিলেন লক্ষ্নী৷

ওই কাকিমাই তাঁকে এই জগতের সন্ধান দেন৷ বলেন, লক্ষ্মী তো কাজ খুঁজছে৷ কাজ রয়েছে৷ কিন্তু ন্যুড আর্টিস্টের কাজ৷ লক্ষ্মী কি পারবে?

কথা শুনে একটু দ্বিধান্বিত হয়েছিলেন লক্ষ্মী৷ কিন্তু মাথায় তখন ছেলেদের দায়িত্ব৷ তাই সাতপাঁচ ভেবে কাজটি নিয়েই নেন তিনি৷ প্রথমদিনের কাজের অভিজ্ঞতা স্বভাবতই ছিল অস্বস্তিকর৷ হাজার হাজার পুরুষ চোখের মাঝে তাঁকে দেহ থেকে কাপড় সরাতে হয়েছিল৷ হতে হয়েছিল সম্পূর্ণ নগ্ন৷ এমন নির্মম বাস্তব মানতে পারেননি তিনি৷ কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্রফেসররা তাঁর পাশে দাড়িয়েছিলেন সেদিন৷ বুঝিয়েছিলেন, নগ্নতা একটা আর্ট৷ এর মধ্যে নান্দনিকতার ছড়াছড়ি৷ আর আজ সেই ভীরু লক্ষ্মীই বুক চিতিয়ে বলেন, “আমার কাজ পৃথিবীর সেরা কাজ৷”

তাঁর কাজকে অনেকেই ভালো চোখে দেখত না৷ এখন, যখন এই পেশা স্বীকৃতি পাচ্ছে, খুব খুশি লক্ষ্মী৷ তিনি এও বলেছেন, যখন তিনি এই পেশায় এসেছিলেন, খুব একটা ভালো পারিশ্রমিক পেতেন না৷ সম্মানজনক পেশাও ছিল না৷ কিন্তু তবু তিনি এই পেশায় আসেন, কারণ তাঁকে তাঁর সন্তানদের পেট চালাতে হত৷ তাদের পড়াশোনা শেখাতে হত৷ তারা যেন দারিদ্রতাকে প্রত্যক্ষ না করে, তার জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন তিনি৷

ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠায় বসে থাকার জন্য আগে একজন ন্যুড মডেল পেতেন মাত্র ৫০ টাকা৷ তবু এখন তা বেড়েছে৷ দাঁড়িয়েছে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা৷ কোনও কোনও দিন কাজ থাকত না৷ তখন টাকাও জুটতো না৷ কিন্তু সৌভাগ্যের বিষয়, বেশিরভাগ দিনই মডেল হওয়ার জন্য তাদের ডাক পড়ত৷ লক্ষ্মী বলেছেন, সিটিংয়ের মাঝে খুব কমবার ব্রেক পেতেন তাঁরা৷ বেশিরভাগ সময়ই তাঁদের একই পোজিশনে বসে থাকতে হত৷ তবে নগ্নতার জন্য কখনও তাঁদের অসম্মান করা হয়নি৷ ছাত্রছাত্রীদের ন্যুড মডেলদের সম্মান করতে শেখানো হত৷

আজও তা একচুলও নড়েনি৷ এখনও শিল্পীদের চোখে তাঁদের কদর রয়েছে৷ শুধু পার্থক্য এই যে, অনেকেই তাঁদের এই পেশার জন্য সম্মান দেয় না৷ কিন্তু ভবিষ্যৎ বদলাবে৷ আশাবাদী লক্ষ্মী৷ অন্তত এমন ছবি মুক্তি পাওয়ার পর দৃষ্টিভঙ্গি যে পালটাবে, তা নিয়ে তাঁর মধ্যে কোনও দ্বিধা নেই৷
 ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাবেন যেভাবে

ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাবেন যেভাবে

এখনকার সময়ে ক্যারিয়ারের অগ্রগতি অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে তরুণ চাকরিজীবীদের জন্য। পড়াশোনা শেষে বেশির ভাগ তরুণই অধৈর্য হয়ে পড়েন এবং অনেক সময় পেশায় স্থির হওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাঁরা হতাশও হয়ে পড়েন। তাই তাঁদের জন্য কিছু পরামর্শ উল্লেখ করা হচ্ছে, যা তাঁদের কর্মজীবন পরিবর্তনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

স্মার্ট সিভি তৈরি
সিভি সব সময়ই আপনাকে এবং আপনার দক্ষতা ও জ্ঞানকে প্রতিফলিত করে। নবীন যাঁরা তাঁদের উদ্দেশে বলছি, আপনাদের উচিত হবে না অনেক কিছু সিভির মধ্যে উল্লেখ করা। আপনাদের অবশ্যই একটি কাভার লেটার সংযুক্ত করতে হবে, যেখানে আপনি উল্লেখ করতে পারবেন, আপনি একজন নবীন। যে কারণে চাকরিতে আপনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু আপনি সেখানে বলতে পারবেন, আমি একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট এবং ছাত্রাবস্থায় আমি বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমি দ্রুত কাজ শিখতে এবং নতুন কিছু শেখার ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে মনোনিবেশ করতে পারি। বড় হওয়ার জন্য আমার মধ্যে প্রচণ্ড আকাঙ্ক্ষা কাজ করে। আমি বিশ্বাস করি, যদি আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পাই, বড় কোনো অবদান রাখার মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করতে পারব। আপনাকে মনে রাখতে হবে, সিভিতে প্রকৃত অবস্থান উল্লেখ করার মাঝে কোনো ভুল নেই। নিজের চিন্তাভাবনার ব্যাপারে সততা সব সময়ই অন্যের মাঝে ইমপ্রেশন তৈরি করে।


ইন্টারভিউর মুখোমুখি হওয়া
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে, আপনি যখন কোনো ইন্টারভিউ বোর্ডে যাবেন, তখনই ইন্টারভিউ যাঁরা নেন তাঁরা প্রথম দেখায় আপনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। মনে রাখতে হবে, প্রথম ইমপ্রেশনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই অবশ্যই আপনাকে মার্জিত পোশাক পরতে হবে। ইন্টারভিউয়ে নিজের স্মার্টনেস প্রকাশ করবেন কিন্তু কখনো ওভার স্মার্ট হবেন না। প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে স্মার্ট ও যথাযথভাবে। যেই প্রশ্নের উত্তর আপনি জানেন, সেগুলোর ব্যাখ্যা দেবেন উদাহরণসহ। আপনি যদি কোনো উত্তর জেনে না থাকেন, সে ক্ষেত্রে বলতে পারেন, সরি স্যার, আমার কোনো ধারণা নেই। মনে রাখবেন, সবকিছু জানা আপনার জন্য বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার স্মার্ট ও কনফিডেন্ট (ওভার কনফিডেন্ট নয়) উত্তর খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


নিজের কাজ সম্পর্কে জানা
আপনাকে অবশ্যই নিজের কাজ ও দায়িত্ব সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে জানতে হবে; কী করতে হবে এবং কী করা যাবে না। কাজটাকে বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি দ্রুত কাজ সম্পর্কে না জানেন, তাহলে আপনার জন্য নিজের কাজে কোনো অবদান রাখাটা কঠিন হয়ে পড়বে। একজন ফ্রেশার হিসেবে আপনি কম জানতেই পারেন কিন্তু আপনাকে কাজ করতে হবে সিনসিয়ারলি, যাতে আপনি নিজের কাজটা খুব দ্রুত শিখতে পারেন। কাজের ব্যাপারে আপনাকে হতে হবে পেশাদার।


প্রতিষ্ঠানকে বোঝা
যেই প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন সেই প্রতিষ্ঠানকে বোঝা খুব জরুরি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই ভিন্ন—সেটা সরকারি, মাল্টিন্যাশনাল অথবা জাতীয় হোক না কেন। প্রাথমিক ধাপে নিজেকে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নীতি বা লক্ষ্যের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোটাই উত্তম। ব্যবসা ও কাজের ওপর নির্ভর করে তরুণদের উচিত ধাপে ধাপে নিজেদের খাপ খাওয়ানো। এ ক্ষেত্রে তাদের উচিত সিনিয়র, সহকর্মীদের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়া। অবশ্যই মনে রাখতে হবে, কঠোর পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না। কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প কিছু নেই। কিন্তু এটাও সত্যি, কেবল কঠোর পরিশ্রমই যথেষ্ট নয় নিজের উন্নতির জন্য। কাজ সম্পন্ন করার জন্য আপনাকে হতে হবে স্মার্ট। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তাঁদের দিকেই মনোনিবেশ করে, যাঁরা তাদের কাজের ব্যাপারে নিবেদিত। মনে রাখবেন, ১০০ ভাগ কাজ করা মানে এই নয় যে তিনি তাঁর পরবর্তী ধাপের জন্য উপযুক্ত। ১০০ ভাগ কার্যোপযোগীর মানে হলো, তিনি তাঁর বর্তমান অবস্থানের জন্য যোগ্য। সুতরাং আপনাকে একটু বেশি কাজ করতে হবে, যাতে প্রতিষ্ঠান আপনাকে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য যোগ্য মনে করে।

পুরুষদের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির অসাধারণ প্রাকৃতিক উপায়

অধিকাংশ পুরুষের মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে। দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌন ইচ্ছা যাচ্ছে ক্রমশ কমে। কাজেই যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন৷ জেনে নিতে পারেন কী করে এই চাহিদা ক্রমশ ক্ষয়মান হচ্ছে৷

হোম রেমেডি পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার উপায় বার করেছে হোম রেমেডি৷ যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবেমাত্র দেখা দিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হোম রেমেডি কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে হোম রেমেডি দ্বারা চিকিৎসা করা যায় কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়৷

এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম ধাপের চিকিৎসাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কি কি সামগ্রী কাজে লাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার হয়-


রসুন: যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুনকে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে৷ যা আমরা প্রায় প্রতিনিয়্তই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকি৷

আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোনো রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷ এছাড়া যদি কোনো ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশি হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রেও রসুন খুবই কার্যকরী৷

প্রতিদিন দু’ থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷

পেঁয়াজ: কাম-উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসেবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ কিন্তু এটি কীভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখনো পর্যন্ত সঠিকভাবে জানা যায়নি৷
সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷

এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷ এটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷

গাজর: দেড়শো গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

ইয়ারফোনের ‘ইয়ারিয়াঁ’ ডেকে আনতে পারে ৫ বিপদ

স্মার্টযুগে স্মারটলাইফ৷ প্রযুক্তির উন্নতিতে উন্নয়নের তালে তাল মেলাচ্ছে মানবজীবন৷ কিন্তু এই উন্নতির মধ্যেই কি কোথাও লুকিয়ে রয়েছে ক্ষতি? ইতিবাচকের মধ্যেই কি ঢুকে নেতিবাচক কোনও কিছু? এর একটি ছোট্ট উদাহরণ হল- ইয়ারফোন, যা ফোনের বা ল্যাপটপের মতো গ্যাজেটস-এর সঙ্গে কানের যোগাযোগে হামেশাই ব্যবহার করেন অনেকে৷ অনেকের মতেই ইয়ারফোনের বেশি ব্যবহারে নিচের ক্ষতিগুলি হতে পারে৷ কোনগুলি? চলুন চোখ রাখা যাক,

১) কানে বায়ু চলাচলে ক্ষতি: ফোনে সরাসরি কান না রেখে অনেকেই ইয়ারফোন ব্যবহার করে থাকেন৷ এর দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারে কিন্তু কানে বায়ু চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং এর ফলে সংক্রমণ হতে পারে যা আপনার কানের ক্ষতি করবে৷

২) শ্রবণশক্তি হ্রাস: ইয়ারফোনে ৯০ ডেসিবলের উপর শব্দ শুনলে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে৷ শ্রবণশক্তি চিরতরের মতো হারিয়েও যেতে পারে বলে অনেকেরই আশঙ্কা! ১০০ ডেসিবলের উপর মাত্র ১৫ মিনিট এয়ারফোন ব্যবহার করলে শ্রবণশক্তি নষ্ট হতে পারে।


৩) শ্রবণশক্তির জড়তা: কিছু সমীক্ষায় জানা যায়, যারা এয়ারফোন ব্যবহার করেন তারা উচ্চ শব্দে মিউজিক শোনেন। এতে কানে জড়তা চলে আসে।

৪) মস্তিষ্কে সমস্যা: বর্তমানে ইয়ারফোন কিছু তড়িত-চুম্বকীয় তরঙ্গ তৈরি করে, যার থেকে মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করা হয়৷

৫) ইনফেকশন: ইয়ারফোন ব্যক্তিগত থাকাই উচিত৷ কিন্তু অনেকেই তা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকে। এতে কানে ইনফেকশনের সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকটাই৷ তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে প্রত্যেককে৷

কম ভলিউমে ইয়ারফোন ব্যবহার করা উচিত তাও দীর্ঘক্ষণ নয়৷ এবং রাস্তায় চলতে গিয়ে এসব ব্যবহার না করাই ভালো৷ আপনার সুরক্ষা আপনারই হাতে৷

কোন ছয়টি ভুল নষ্ট করে মজবুত সম্পর্ককেও

অনেকেই বলেন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। আবার অনেকে এও বলেন, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা মোটেও হাতিঘোড়া কোনও কাজ নয়। সাধারণ কয়েকটি জিনিস মাথায় রাখলে প্রেমিকা-প্রেমিকারা বিশ্বাস করতে পারেন একে অপরকে। এই প্রতিবেদনে দেওয়া হল এমন কয়েকটি ভুল, যা নষ্ট করতে পারে একটি মজবুত সম্পর্ককেও। ভুলগুলি পড়ুন ও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন-
অভিভাবক হবেন না: দয়া করে নিজের প্রেমিকাকে নিজের সম্পত্তি ভাববেন না। তাঁকেও ঘুরতে যেতে দিন বন্ধুদের সঙ্গে। সন্দেহ করবেন না অকারণে।
কাজ কাজ করবেন না: দিনভর অফিস-চাকরি-ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকার পর একটু সময় রাখুন নিজের আপনজনের জন্য। জানেন তো,অধিকাংশ সম্পর্কই ভেঙে যায় একে অপরকে সময় দিতে না পারার অজুহাতে।


বিয়েতে তাড়াহুড়ো নয়: প্রেমিকা আপনারই। আপনাকে ভালবাসলে অন্য কারুর সঙ্গে পালিয়ে যাবে না। তাই বিয়ের জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না। অনেক পুরুষই চান, কোনও মহিলাকে তাড়াতাড়ি বিয়ে করে বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে। এটা কোনও উপায় হতে পারে না মশাই।
ছোটখাটো ঝগড়া এড়িয়ে চলুন: এটাকে বলে গোল্ডেন ওয়ার্ডস অফ রিলেশনশিপ। ঝগড়া এড়িয়ে চলুন। একে অপরকে ছুঁয়ে থাকুন। মনে থাক শুধুই ভাল লাগার আমেজ।
বিশ্বাস করতে শিখুন: একটি সুস্থ-স্বাভাবিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে কিন্তু বিশ্বাস করতের শিখতেই হবে একে অপরকে।
দোষ চাপাবেন না: আপনার কাজের চাপ, আপনার বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতা-সব কিছুর দোষ আপনার প্রেমিকার উপর চাপাবেন না.
একঘেয়ে ব্রেকফাস্টে মজাদার ট্যুইস্ট

একঘেয়ে ব্রেকফাস্টে মজাদার ট্যুইস্ট

সকালের জলখাবারে কী খাবেন বা কী খাওয়াবেন এটা নিয়ে যন্ত্রণায় পড়েন প্রতিদিন?
কেউ কেউ তাড়াতাড়িতে ব্রেকফাস্টই করেন না, আবার একই খাবার রোজ রোজ প্রতিদিন ভালো লাগেনা৷ কর্ণফ্রেক্স বা পাউরুটি-জেলিও মুখে রোচে না অনেকেরই।
কোন কোন খাবার তৈরিতে রান্না বান্নার কোন ঝামেলাই নেই,কিন্তু খেতে দারুণ সুস্বাদু, জেনে নিন৷ এই খাবারগুলো আপনাকে বোর করবে না মোটেই। রোজই খেতে পারবেন নিত্য নতুন সব খাবার!


১। সকালে একটি দারুন খাবার চিঁড়ে ও দই। কিন্তু সেই একঘেয়ে চিঁড়ে-দই কতদিন ভালো লাগে? জেনে নিন একটা মজার কৌশল। জল দিয়ে ধুয়ে রাখা চিঁড়ার মাঝে ফেটানো দই দিন, সাথে যোগ করুন নারকেল কোরা, বাদাম, শুকনো বা তাজা ফল, এক চিমটি লবণ ও সামান্য দুধ। ব্যাস, তৈরি আপনার দারুণ হেলদি ব্রেকফাস্ট!
২। সাধারণ প্যানকেক তৈরিতে অনেক ঝামেলা৷ ফ্রিজে রাখা রুটি দিয়ে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন ব্রেড প্যানকেক। রুটি গুলো দুধে ভিজিয়ে নরম করে একেবারে ভর্তা বানিয়ে নিন। সাথে ডিম ও নুন যোগ করুন। পাতলা করতে আরও দুধ দিন। এবার আপনার ইচ্ছা মত চিনি, অথবা পেঁয়াজ মরিচ ও মশলা যোগ করে তৈরি করে নিন পাতলা প্যানকেক। স্বাদে কিন্তু দারুণ এই খাবারটি!

৩। নুডুলস তৈরি করতে বেশ ঝামেলা৷ অথচ পেটভরানো কিছু খেতে চান? তাহলে তৈরি করে ফেলুন চিঁড়ের পোলাও। চিঁড়ে ধুয়ে নিন। এরপর প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ একটু ভেজে একটি ডিম ঝুরি করে নিন। চাইলে সবজি দিতে পারেন। সামান্য জিরে ও মরিচ গুঁড়ো দিয়ে ভাজুন। চিঁড়ে দিয়ে দিন। একটু ভেজেই নামিয়ে নিন। তৈরি মজাদার চিঁড়ের পোলাও।
৪। সকালে ওটস খেতে চান, কিন্তু রান্না করার সময় নেই? রাতে ঘুমাবার সময় ওটসের সাথে পরিমাণ মত দই ও দুধ দিয়ে, সাথে সামান্য চিনি ও কিসমিস দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। চাইলে ফ্রিজেও রাখতে পারেন। সারা রাত তরল শুষে ওটস নরম হয়ে যাবে। সকালে আপনি পাবেন একদম তৈরি ব্রেকফাস্ট! চাইলে ফল যোগ করে খেতে পারেন।
৫। ডিম আর রুটি খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে গেছেন? তৈরি করে ফেলুন দারুণ স্বাদের এক খাবার৷ একটি বা দুটি ডিমকে নুন ও দুধ দিয়ে গুলে নিন। এবার প্যানে তেল বা মাখন অল্প আঁচে গরম করে এই ফেটানো ডিম দিয়ে দিন। এবার এই ডিমের ওপরে দিন আপনার যা ইচ্ছা। গাজর, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ব্রকলি দিতে পারেন। সসেজ টুকরো, ফ্রিজে রাখা রান্না করা চিকেন, চিংড়ি, এমনকি ফ্রিজে চিকেন ফ্রাই থাকলে সেটাও টুকরো করে দিতে পারেন। দিতে পারেন চিজ কিংবা রুটি টুকরোও।
আপনার যা ভালো লাগে উপরে ছড়িয়ে দিন। একটু ভাজা জিরের গুঁড়ো, ধনে পাতা বা চাট মশলা দিতে পারেন দেশী স্বাদ চাইলে। এরপর ঢাকনা লাগিয়ে অল্প আঁচে রাখুন। নিচে জমে গেলে এবং ওপরে ডিম রান্না হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। চাইলে ওভেনে ৫ মিনিট বেকও করে নিতে পারেন। এটি নিজেই একটি সম্পূর্ণ ডিশ, এর সাথে অন্য কিচ্ছু প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে এর সাথে যে কোন কিছুই খেতে পারেন৷

মানুষের শরীর নিয়ে চমকে যাওয়ার মতো কিছু তথ্য

মানুষের দেহ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি চমকে যাওয়ার মতো তথ্য জানতে পড়ুন এই প্রতিবেদনটি-
  • পুরুষদের থেকে মহিলারা প্রতিদিন বেশি চুল হারান। প্রতিদিন পুরুষেরা হারান ৪০টার মতো চুল আর মহিলারা হারান ৭০ টার মতো চুল।
  • মানুষের শরীরের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লবণ। মানুষের শরীরের রক্তে লবণের পরিমান একটা সাগরে থাকা লবনের সমান।
  • মানুষ রাতের থেকে সকালে তুলনামূলক বেশি লম্বা হয়ে যায়।
  • মানুষের শরীরের হৃদপিন্ডের প্রতিদিনের গড় রক্তসঞ্চালনের পরিমাণ ১০০০ বার।
  • আমাদের চোখের পাপড়ির আয়ুকাল মাত্র ১৫০ দিন।
  • মানুষের চোখের ভ্রুতে চুলের পরিমাণ প্রায় ৫০০-র মত।
  • একজন মানুষের শরীরে গড় নার্ভের পরিমাণ গড়ে প্রায় একশো বিলিয়ন।
  • বিশ্বাস না হলে মিলিয়ে দেখুন। মানুষ চোখ খোলা রেখে কখনই হাঁচতে পারে না।
  • একজন মানুষের শরীরে হাড় জমাট বাঁধা কংক্রিটের চেয়ে অনেক বেশি শক্ত।
  • ছোটদের জন্য বসন্তকালটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ তারা বসন্তকালে সময়ে সবচেয়ে বেশি বেড়ে উঠে।
  • মানুষের মাথার খুলি বিভিন্ন রকমের ২৬ টি হাড় দিয়ে তৈরি।
  • জেনে অবাক হবেন যে, আমাদের শরীরের ভিতরের সমস্ত যন্ত্রাংশ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় যখন আমরা হাঁচি দিই। এমনকী,  আমাদের হৃদয়ও।
  • জিভ শুধু স্বাদ গ্রহণ আর উচ্চারণে নয়, মানুষের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী একটি পেশীও।
  • স্বাভাবিক একজন মানুষ দৈনিক ছয়’বার মূত্রত্যাগ করেন।
  • মানুষের মুখ থেকে পেটে খাবার যেতে সময় লাগে মাত্র ৭ সেকেন্ড।
  • হাঁচির সময় মানুষের নাক থেকে যে বাতাস বের হয় তার গতিবেগ ১০০ কিমি।
  • উরুর পেশী আপনার শরীরের সবচেয়ে বড় পেশী।
  • মানুষের দেহের সবচেয়ে ছোট হাড় হল কানের হাড়।

অতিরিক্ত মদ্যপান ত্বকের ক্যানসারের কারণ

অনেকেই বলেন মদ্যপানের বিরুদ্ধে যারা তাদের মাথায় পরুক বাজ৷ তারা বেশ ভালোই জানান মদ্যপান শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর৷ তবে জানেন কি অতিরিক্ত মদ্যপান ত্বকের ক্যানসারেরও কারণ? 

এবার মনে হতেই পারে মদ খেলে তো লিভারে ক্যানসার হওয়ার কথা হঠাৎ ত্বকে কেন? সাম্প্রতিক গবেষণাতে উঠে এসেছে এমনই তথ্য৷
গবেষকেরা জানিয়েছেন অতিরিক্ত মদ্যপান শরীরে অর্ধেকেরও বেশি ত্বকের ক্যানসারের প্রাণঘাতী উপাদান উৎপাদন করে৷ তাঁরা জানিয়েছেন প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ পেগ মদ খেলে শরীরে কিছু জৈবিক পরিবর্তন হয় এর ফলে সুর্যরশ্মিতে শরীর অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে৷  
শুধু তাই নয় দিনে এক পেগ করে মদ খেলেও কিন্তু মিলানোমা হওয়ার সম্ভাবনা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷
গবেষক ডাঃ ইভা নেগরি জানিয়েছেন, অতি বেগুনী রশ্মি ও অ্যালকোহল শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়৷এতে অতিরিক্ত মাত্রায় ত্বকের কোষ ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং ত্বকে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়৷ তবে গবেষকেরা স্বীকার করেছেন যে, আ্যালকোহল কিভাবে ত্বকে ক্যানসার সৃষ্টি করে তা তারা এখনও জানতে পারেননি৷ কিন্তু তারা প্রমাণ করেছেন যে অ্যালকোহল শরীরে প্রবেশ করে দ্রুত অ্যাকটালডেহাইডি তে পরিণত হয়ে ত্বককে সূর্যরশ্মির সামনে অনেক বেশি সংবেদনশীল করে দেয়৷ এই গবেষণাটি সম্প্রতি ব্রিটিশ জার্নাল অফ ডার্মাটোলজিতে প্রকাশিত হয়েছে৷

হাসি হোক উন্মুক্ত

দাঁতের ফাঁকে বা ওপরে কালো  দাগ সুন্দর চেহারার বারোটা বাজিয়ে দেয়। অনেকে এই কালো দাগের জন্য প্রাণভরে হাসতেও ভয় পান। দাঁতের ফাঁকে কালো দাগ নানা কারণে হতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো দন্তমল। খাওয়ার পর বিভিন্ন খাদ্যকণা দাঁতের ফাঁকে বা মাড়িতে আটকে থাকে। দীর্ঘদিন আটকে থাকার কারণে  দাঁতের ওপর শক্ত আবরণ পড়ে, যা দন্তমলে পরিণত হয়। এ ছাড়া ধূমপান, জর্দা, পান ও তামাক সেবনেও দাঁতে দাগ পড়ে।

দন্তমল কেবল দেখতে খারাপ  তা নয়, এর ভেতরে জন্ম নেয় অসংখ্য জীবাণু। অনেক সময় এই জীবাণু রক্তে মিশে নানা বিপত্তির সৃষ্টি করতে পারে, এমনিক গর্ভস্থ শিশুর ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলে। এ ছাড়া মুখে দুর্গন্ধ এবং বারবার মাড়ির প্রদাহের জন্যও এটি দায়ী। তাই দাঁত সুন্দর ও সাদা রাখতে কিছু বিষয়ে সচেতনতা দরকার।
  • দিনে অন্তত দুবার বেশ কিছুক্ষণ সময় ধরে দাঁত ব্রাশ করুন।
  • ব্রাশ করার আগে ডেন্টাল ফ্লস বা সুতা দিয়ে দাঁতের ফাঁকগুলো পরিষ্কার করলে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
  • প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে  যাওয়ার আগে একটু ভালো কোম্পানীর মাউথওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন৷
  • রোজ কোনো শক্ত ফল যেমন পেয়ারা, আমড়া, আপেল ইত্যাদি দাঁত দিয়ে কামড়ে খান। তাজা শাক-সবজি যেমন গাজর, শসা, টমেটো, লেবু ইত্যাদিও দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে।
  • বছরে অন্তত দুবার দন্তমল দূর করার জন্য ডেন্টাল স্কেলিং করা উচিত।

চিনি আর তামাক একই

মিষ্টি খাবার মানেই জিভে জল আর মিষ্টি মানেই চিনি৷ অথচ এই চিনিই কিনা তামাকের মতো ক্ষতিকর!

এমন অবিশ্বাস্য তথ্যই দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের ইউনির্ভাসিটি অব লিভারপুলের গবেষক সায়মন ক্যাপওয়েল। চিনিকে নতুন তামাক হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
তার এ গবেষণার ফলাফল জানার পর বিশ্বের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যে চিনির পরিমাণ কমিয়ে আনবে বলে আশা করছেন সায়মন। চিনির ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য একটি ক্যাম্পেইন দলের সদস্য হয়ে কাজ করছেন সায়মন।
চিনির ক্ষতিকারক প্রভাব মানুষের স্থূলতা, বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধির পেছনে দায়ী। এজন্য খাদ্যপণ্যে চিনির পরিমাণ শতকরা ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, জিরো ফ্যাট ইয়োগার্ট (দই) ক্যানে প্রায় পাঁচ চা-চামচ চিনি থাকে। টমেটো স্যুপে থাকে প্রায় চার চা-চামচ চিনি। চকলেট বারে থাকে প্রায় আট চা-চামচ চিনি।
একজন পূর্ণবয়স্ক  নাগরিক দিনে ১২ চা-চামচ চিনি গ্রহণ করে থাকেন। অনেকে আবার দিনে ৪৬ চা-চামচ চিনিও খেয়ে থাকেন। চিনি আহরণের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  জানায়, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ চা-চামচ চিনি গ্রহণ করতে পারেন, এর বেশি নয়।
এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, বিশ্বব্যাপী স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে মৃত্যুর পেছনে মূল ভূমিকা চিনির। উলফসন ইন্সটিটিউট অব প্রিভেনটিভ মেডিসিনের গবেষক গ্রাহাম ম্যাকগ্রেগর বলেন, এখনই বিশ্বব্যাপী চিনির ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
এ বিষয়ে অপর এক চিকিৎসক জানান, চিনি কোনোভাবেই খাদ্যপণ্যের পুষ্টিমান বাড়ায় না, এমনকি ভোক্তাকে পরিতৃপ্তও করে না। স্থূলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চিনি টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগের সংক্রমণে ভূমিকা রাখে। জনস্বাস্থ্যের জন্য এ ধরনের খাদ্যপণ্যকে শিশুদের নাগাল থেকে দূরে রাখার বিষয়ে সর্তক করেছেন চিকিৎসকেরা।

চিকেন দিলরুবা

উপকরণ : ৫০০ গ্রাম মুরগীর মাংস, ২টি মাঝারি মাপের পেঁয়াজ, ২ কাপ দুধ, ২ টেবিল চামচ আদা কুচি করে কাটা, ২ টেবিল চামচ গরম মশলা, ৬ টেবিল চামচ মাখন বা ভেজিটেবল অয়েল, ১ টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো, শুকমনো লঙ্কা গুঁড়ো, ১ কাপ টকদই, নুন স্বাদ মতো, আমন্দ বাদাম গুঁড়ো, কেশর গুঁড়ো, আখরোট গুঁড়ো৷
প্রণালী: পেঁয়াজ ও আদা একসঙ্গে মিক্সিতে দিয়ে ভালো করে পেস্ট তৈরি করে নিন৷ 
এবার কড়া গরম করে তাতে মাখন বা ভেজিটেবল অয়েল দিয়ে দিন৷ তেল গরম হলে তাতে আদা পেঁয়াজ পেস্ট দিয়ে দিন সামান্য নেড়ে নিন৷ ভাজা ভাজা হয়ে এলে তাতে মুরগীর মাংস এবং দই দিয়ে দিন৷ মাঝারি আঁচে কসতে থাকুন যতক্ষণ না মাংসের গায়ে বাদামী রঙ ধরে৷ 
এবার দুধে আমন্ড ও আখরোট গুঁড়ো মিশিয়ে মাংসে ঢেলে দিন৷ এরপর গরম মশলা, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্গা গুঁড়ো, নুন দিয়ে দিন৷ মাধারি আঁচে ফুটতে দিন, মাঝে মাঝে নাড়ুন যতক্ষণ মাংস সেদ্ধ হয়৷ 
গ্রেভি একটু গাঢ় হলে তাতে সামান্য কেশর গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন৷ গার্নিশ করতে চাইলে উপর থেকে ধনেপাতা ছড়িয়ে দিতে পারেন৷  রুটি, নান বা পরোটার সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন৷