স্মার্টফোনে আসক্তরা মাথাব‌্যথায় খাচ্ছেন

সংবাদ ডেস্ক: ঘন ঘন মাথা ব‌্যথা করে? মনে হয় যেন যন্ত্রণায় মাথাটা ছিঁড়ে, ফেটে, চৌচির হয়ে যাচ্ছে? চোখের সামনে সব কিছু ঝাপসা হয়ে যায়? কান ঝালাপালা করে? মুঠো মুঠো পেন-কিলার গিলতে হয়? আচ্ছা, আপনি কি স্মার্টফোন ইউজার? না, না। ভুল কিছু পড়েননি।

মাইগ্রেন থেকে মুক্তির জন্য করুন

কাজ করতে করতে হঠাৎ করে মাথাব্যথা বা বমি ভাব? কিংবা বাড়ির শিশুটি খেলাধূলা করে ফিরে কিংবা পড়তে বসলেই মাথা ব্যথার কথা বলছে? তাহলে এখনই সাবধান হওয়া উচিত। কারণ চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন এগুলি সবই কিন্তু মাইগ্রেনের লক্ষণ।

হঠাৎ আঘাত পেলে


হঠাৎ আঘাত পেলে শরীরের ওই নির্দিষ্ট জায়গায় অতিরিক্ত চাপে ফুলে যায়। এ ধরনের আঘাতে যে সমস্যা হয় তাকে সাধারণত সফট টিস্যু ইনজুরি বলে। আঘাত হাতে-পায়ের, কোমরের বা শরীরের অন্য জায়গার মাংসপেশি, হাড়, হাড়ের জোড়, নার্ভ বা লিগামেন্টের অবস্থানগত পরিবর্তনের জন্য ব্যথা হয়। আবার কেউ মাথায়ও আঘাত পেতে পারে, ফলে বাহ্যিক-অভ্যন্তরীণ দুই ধরনেরই ক্ষতি হতে পারে। একেক জায়গার আঘাতে চিকিৎসার ধরন পরিবর্তিত হয়ে থাকে। সব আঘাতই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু মাথায় আঘাত সব সময় বেশি গুরুত্ব বহন করে।

হঠাৎ হাতে-পায়ে আঘাত পেলে কী হয়—
আঘাতপ্রাপ্ত জায়গা ফুলে যায়
 প্রচণ্ড ব্যথা হয়

ওই অংশটি লাল হয়ে যায় এবং গরম থাকে। এটা হয় কোনো দুর্ঘটনায় আঘাত পেলে, খেলাধুলার সময় আঘাত পেলে, মাংসপেশিতে হঠাৎ টান লাগলে কিংবা পা পিছলে পড়ে গেলে। আর এসব কারণে সফট টিস্যু ইনজুরি হয়। আঘাতের তীব্রতা বেশি হলে হাড় ভেঙে যেতে পারে। হাড় ভেঙে গেছে সন্দেহ হলে অবশ্যই এক্স-রে করাতে হবে এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসা নিতে হবে।

এমন আঘাতে কী করবেন
আক্রান্ত জায়গায় বরফ ব্যবহার করতে হবে ১৫-২০ মিনিট ধরে। ভিজা গামছার ভেতর বরফ নিয়ে আক্রান্ত অংশে মুড়িয়ে দিন। যদি বেশি ঠান্ডা লাগে, ৩ মিনিট পর উঠিয়ে ফেলুন। শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে আবার ১২-১৪ মিনিট ধরে পেঁচিয়ে রাখুন। আক্রান্ত অংশ ফুলে গেলে ক্রেব ব্যান্ডেজ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখুন, যাতে আর ফুলতে না পারে। আক্রান্ত অংশ বালিশ বা অন্য কিছু দিয়ে উঁচু করে রাখুন, যাতে হৃৎপিণ্ড বরাবর থাকে। এই অবস্থায় হালকা ব্যায়াম, হালকা মালিশ, আলট্রাসাউন্ড থেরাপি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে। রোগীকে ৬-৭ দিন পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হয়। লক্ষ রাখতে হবে রোগী আবার যেন আঘাত না পায়। 


ব্যথা ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাসহ অন্য চিকিৎসা নিতে হবে।


মাথায় হঠাৎ আঘাত পেলে কী করবেন
আকস্মিক দুর্ঘটনায় কারও মাথায় আঘাত লাগতে পারে। যেমন ক্ষণিকের ভুলে কোলের শিশু পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেতে পারে। সড়ক দুর্ঘটনায়, বিশেষ করে মোটরসাইকেল আরোহীদের মাথায় আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি বেশি।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. সৌমিত্র সরকার বলেন, ‘মাথায় আঘাত পাওয়া রোগীর সঙ্গে অন্য আঘাত থাকতে পারে। যেমন তার ঘাড়ে সারভাইক্যাল ইনজুরি থাকতে পারে। তার লাম্বোসেকরাল কোমড স্পাইনাল ইনজুরি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তার নড়াচড়া হতে হবে খুব সীমিত।’
মাথায় আঘাত পাওয়া কোনো রোগীর ক্ষেত্রে প্রথমে দেখতে হবে, শ্বাসপ্রশ্বাস নিচ্ছে কি না ঠিকমতো। যদি শ্বাসপ্রশ্বাস ঠিক না থাকে, দেখতে হবে নাকে–মুখে কোনো বাধা আছে কি না। যদি দেখা যায়, মাথা থেকে রক্ত বের হচ্ছে, জায়গাটি চেপে ধরে বন্ধ করতে হবে। অচেতন রোগীকে বেশি টানাটানি করা হলে হয়তো ঘাড়ে আঘাত পেয়ে যেতে পারে। সেই অবস্থায় তাকে আস্তে আস্তে তুলে কাছের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে।
মাথায় আঘাত লাগার ফলে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে সেগুলো হলো মাথাব্যথা, বমি বা বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, খিঁচুনি, অচেতন অবস্থা, দুই চোখের নিচে রক্ত জমে কালো রং ধারণ বা ব্ল্যাক আই ইত্যাদি।


এ বিষয়ে পরামর্শ
অনেকেই মনে করেন, মাথায় আঘাত লাগলেই নিশ্চিত মৃত্যু। ব্যাপারটা আসলে সে রকম নয়, বরং যত দ্রুত সম্ভব, পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে আঘাতের মাত্রা নির্ণয় এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে ক্ষতির মাত্রা কমবে।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাথায় আঘাত লাগার পর রোগীকে আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ মনে হলেও পরে হঠাৎ অবস্থা জটিল হতে পারে।


কোমরে ব্যথা পেলে
কোমরে ব্যথা পাওয়ার পর হাঁচি অথবা কাশি দিতে গিয়ে কোমরে ব্যথা লাগবে। কোমরের ব্যথা পায়ে ছড়িয়ে যায় এবং অনেক সময় ব্যথা শুধু পায়েই অনুভূত হয়, কোমরে না–ও হতে পারে। হাঁটলে বা কাজ করলে ব্যথা বেড়ে যায়, রাতে ঘুমেরও ব্যাঘাত হতে পারে। অনেক সময় রোগী পায়ে ঝিনঝিন, অবশ ভাব ও দুর্বলতা অনুভব করেন। কোনো কোনো রোগীর কোমর একদিকে বেঁকে যায় এবং চিত হয়ে শুয়ে পা উঁচু করলে তার ব্যথা অনুভূত হবে।

এই অবস্থায় ভারী জিনিস তোলা নিষেধ এবং শারীরিক ব্যায়াম অবশ্যই বন্ধ থাকবে।
এরকম আঘাতের ব্যথার কারণ বের করে যদি সঠিক চিকিৎসা করা যায়, তাহলে ব্যথা তাড়াতাড়ি কমে যাবে।


লেখক: চিকিৎসক
মো. শরিফুল ইসলাম

মানুষের শরীর নিয়ে চমকে যাওয়ার মতো কিছু তথ্য

মানুষের দেহ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি চমকে যাওয়ার মতো তথ্য জানতে পড়ুন এই প্রতিবেদনটি-
  • পুরুষদের থেকে মহিলারা প্রতিদিন বেশি চুল হারান। প্রতিদিন পুরুষেরা হারান ৪০টার মতো চুল আর মহিলারা হারান ৭০ টার মতো চুল।
  • মানুষের শরীরের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লবণ। মানুষের শরীরের রক্তে লবণের পরিমান একটা সাগরে থাকা লবনের সমান।
  • মানুষ রাতের থেকে সকালে তুলনামূলক বেশি লম্বা হয়ে যায়।
  • মানুষের শরীরের হৃদপিন্ডের প্রতিদিনের গড় রক্তসঞ্চালনের পরিমাণ ১০০০ বার।
  • আমাদের চোখের পাপড়ির আয়ুকাল মাত্র ১৫০ দিন।
  • মানুষের চোখের ভ্রুতে চুলের পরিমাণ প্রায় ৫০০-র মত।
  • একজন মানুষের শরীরে গড় নার্ভের পরিমাণ গড়ে প্রায় একশো বিলিয়ন।
  • বিশ্বাস না হলে মিলিয়ে দেখুন। মানুষ চোখ খোলা রেখে কখনই হাঁচতে পারে না।
  • একজন মানুষের শরীরে হাড় জমাট বাঁধা কংক্রিটের চেয়ে অনেক বেশি শক্ত।
  • ছোটদের জন্য বসন্তকালটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ তারা বসন্তকালে সময়ে সবচেয়ে বেশি বেড়ে উঠে।
  • মানুষের মাথার খুলি বিভিন্ন রকমের ২৬ টি হাড় দিয়ে তৈরি।
  • জেনে অবাক হবেন যে, আমাদের শরীরের ভিতরের সমস্ত যন্ত্রাংশ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় যখন আমরা হাঁচি দিই। এমনকী,  আমাদের হৃদয়ও।
  • জিভ শুধু স্বাদ গ্রহণ আর উচ্চারণে নয়, মানুষের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী একটি পেশীও।
  • স্বাভাবিক একজন মানুষ দৈনিক ছয়’বার মূত্রত্যাগ করেন।
  • মানুষের মুখ থেকে পেটে খাবার যেতে সময় লাগে মাত্র ৭ সেকেন্ড।
  • হাঁচির সময় মানুষের নাক থেকে যে বাতাস বের হয় তার গতিবেগ ১০০ কিমি।
  • উরুর পেশী আপনার শরীরের সবচেয়ে বড় পেশী।
  • মানুষের দেহের সবচেয়ে ছোট হাড় হল কানের হাড়।

শরীরের এই স্থানগুলিতে চাপ দিলেই সমস্যা ‘ভ্যানিশ’

অ্যাকুপ্রেসার কথাটির সঙ্গে নিশ্চয়ই আপনারা অনেকেই পরিচিত৷ জানেন এর সাহায্যে অনেক সমস্যার সমাধানও হয়৷ তাই জনপ্রিয়তাও কিছু কম না৷ চলুন চোখ রাখা যাক নিচের লেখাতে…

নিদ্রাহীনতা৷ ইনসমনিয়া৷ বর্তমানে এই সমস্যা একটু একটু গ্রাস করছে তরুণ প্রজন্মকে৷ বয়স হলেই যে ঘুমে কমে যায় তা নয়, এখন স্মার্ট লাইফে ঘুম কম, কাজ বেশি৷ তাই এই রুটিন চলতে চলতে কখন যেন অভিমানিনী ঘুম আপনার চোখ থেকেও বিদায় নিচ্ছে ধীরে ধীরে৷ যার প্রভাব পড়ছে আপনার জীবনে৷ যা হয়তো তখনই টের পাচ্ছেন না, কিন্তু জেনে রাখুন ঘুম কমের ফলেই কিন্তু আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে অন্ধকার৷

তবে ওষুধ নয়, প্রাকৃতিকভাবেই সেই ঘুম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা যেতে পারে৷ আর এক্ষেত্রে অ্যাকুপ্রেসারের জুড়ি মেলা নাকি ভার৷ কিন্তু কোথায় কোথায় সেই প্রেসার দিতে হবে জানান? বলা হয়ে থাকে…



১. দুই ভুরুর ঠিক মাঝের স্থানে- এই স্থানে এক মিনিট হালকা করে চাপ দিন আঙুলে করে৷

২. হাতের তালুর তিন আঙুল নীচে কবজির একেবারে মাঝামাঝি, ছবি অনুযায়ী দু’ হাতেরই এই অংশে এক মিনিটের জন্য হালকা চাপ দিতে থাকুন৷

৩. কবজির হাড়ের পাশেই- চিহ্নিত অংশে অন্য হাতের বুড়ো আঙুলে এক মিনিটের জন্য হালকা চাপ দিন এক মিনিট ধরে৷ দুই হাতের কবজিতে চাপ দিতে হবে একইভাবে৷

দিনে এই স্থানগুলিতে চাপ দিলেই নাকি ফিরে আসতে পারে আপনার হারানো ঘুম৷ তবে সবকিছুর জন্যই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলা উচিত৷ কারণ সবার সব সমস্যা নাও হতে পারে৷ তাই না?

খাদ্যগুনে বাড়বে যৌনতা

যৌনতা, স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়৷ জীবনে এটির পরিমাণ পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলে বিশেষ কোন রোগ আপনাকে হামলা করতে পারবে না৷ তবে  যৌনজীবনকে যদি আরও রোমাঞ্চকর করতে চান, বেশ কিছু খাবার আপনাকে সাহায্য করতেই পারে৷ আপনাদের জন্য তেমনই কিছু খাবারের তথ্য৷
অ্যাভোকাডো খাওয়া যৌনতার জন্য বেশ উপযোগী৷ এছাড়ও এতে প্রচুর পরিমাণে অসম্পৃক্ত ফ্যাট বর্তমান এবং সম্পৃক্ত ফ্যাটের পরিমাণ একেবারেই কম৷ তাই এটি হৃৎপিন্ড ও ধমনীর স্বাস্থের পক্ষে ভাল৷ হৃৎস্পন্দন সঠিক হলে সারা দেহে রক্তের সংবহন পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়৷ তাই দুর্বল হৃদয়ের জন্যেও এটি বেশ কার্যকরী৷
  • আমন্ড বাদাম কিন্তু যৌনচাহিদা বাড়াতে সক্ষম৷ পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি স্পার্ম কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে৷ এছাড়াও এতে জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, এবং ভিটামিন ই রয়েছে৷ জিঙ্ক কামশক্তি ও যৌনচাহিদা বাড়াতেও সাহায্য করে৷ এছাড়াও এতে বেশ কিছু খনিজ পদার্থ রয়েছে যা যৌনস্বাস্থ্য ও প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সক্ষম৷
  • স্ট্রবেরি ফলিক অ্যাসিডের এক অন্যতম উৎস৷ এই জাতীয় উপাদান মহিলাদের প্রজননে সাহায্য করে এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে স্ট্রবেরী পুরুষদের স্পার্ম কাউন্য বাড়াতেও সক্ষম৷
  •  সামুদ্রিক মাছও কিন্তু কামশক্তি বাড়াতে সহায়ক৷ এটিও জিঙ্কের একটি উৎস যা লিবিডো বাড়াতে সক্ষম৷ এছাড়াও তৈলাক্ত মাছ হৃদয়ের জন্য অত্যন্ত উপযোগি৷
  • লেটুস পাতাও এ বিষয়ে বেশ উপযোগি৷ গবেষণায় দেখা গেছে এতে বেশ কিছু উপাদেয় খনিজ পদার্থ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বর্তমান৷ যে পারিপাশ্বিক চাপের ফলে কামশক্তি বিঘ্নিত করে লেটুস পাতা তাদের পরিশুদ্ধ করে৷
  • প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ডুমুর অত্যন্ত উপযোগী৷ এতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার বর্তমান ফলে এটি শরীরে কাম উত্তেজনা বাড়াতে সক্ষম৷ এছাড়াও এটি হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে৷
  • লেবু জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে যা পুরুষের প্রজনন ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে সক্ষম৷

থাইরয়েড গ্রন্থির সক্রিয়তা: মানসিক অবসাদ

বয়স্কদের ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি হতে পারে মানসিক অবসাদের কারণ৷ নতুন এক গবষণায় প্রমাণ হল এমনই এক তথ্য৷ শরীরের বিপাকীয় ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করার সঙ্গে থাইরয়েড মানসিক সুস্থতার উপরেও গভীর প্রভাব বিস্তার করে৷
থাইরয়েডের গ্ল্যান্ড কতটা সক্রিয় তা জানার জন্য গবেষকেরা থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোনের (টিএসএইচ) মাত্রা পরিমাপ করেন৷ থাইরয়েড গ্লান্ড হল এই হরমোন ক্ষরণের মূল উৎস৷ যখন টিএসএইচ এর মাত্রা কম থাকে তখন থাইরয়েড গ্লান্ড সক্রিয় থাকে এবং এটি প্রচুর পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন করে৷ গবেষকেরা আসল থাইরয়েড হরমোনের মাত্রার পরিমাপও গ্রহণ করেন এবং থাইরয়েডের সক্রিয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হন৷ রটারডামের ইরাসমাস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক মার্কো মেডিকি জানান, যে বয়স্করা একা থাকে এবং যাদের থাইরয়েডের সক্রিয়তা রয়েছে তারা অন্যান্যদের তুলণায় অনেকবেশি মানসিক অবসাদের শিকার৷ এ থেকে এটাই প্রমাণিক যে, থাইরয়েডের কার্যকলাপের ফলে মানসিক স্থিতির পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগী হাইপোথাইরয়ডিসম ও হাইপারথাইরয়ডিসম-এর শিকার হতে পারে৷
এই গবেষণার জন্য গবষকেরা ৭০ বছর বয়সী প্রায় ১,৫০৩ জবকে নিয়ে একটি পরীক্ষা করেন৷ গবেষকেরা এদের প্রত্যেকের টিএসএইচ এর মাত্রা এবং তাদের অবসাদের উপসর্গগুলি পরীক্ষা করেন৷ প্রথম বারের পরিদর্শনে অবসাদের কোন উপসর্গ দেখা না গেলেও পরবর্তী ৮ বছরে তাদের মধ্যে অবসাদের উপসর্গ বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়৷
এই গবেষণায় টিএসএইচ-এর পরিমাণের ভিত্তিতে ব্যক্তিদের তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়৷ মেডিকি জানান, এই গবেশণার ফলস্বরূপ দেখা যায়, যাদের মধ্যে সাইরডেয়ের সক্রিয়তার শক্তিশালী প্রভাব দেখা যায় তারা প্রত্যেকেই অস্বাস্থ্যকর মানসিক অবস্থায় রয়েছেন৷ এই গবেষণার ফলে অবসাদের চিকিৎসার একটি নতুন দিশা উন্মোচিত হল৷
সম্প্রতি এই গবেষণাটি এন্ডোক্রাইন সোসাইটির ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজমের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷

সারভাইক্যাল ক্যানসার: কারণ ও প্রতিকার

বর্তমান প্রজন্মের কাছে ক্যানসার অভিশাপ৷ পুরুষ নারী নির্বিশেষে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন সকলেই৷ মহিলাদের ক্ষেত্রে মারণরোগ হয়ে দেখা দিচ্ছে সারভাইক্যাল ক্যানসারের সংক্রমণ৷ তবে, অনেকেই এখনও এই রোগ সম্পর্কে জানেন না৷ কী এই সারভাইক্যাল ক্যানসার? কেন এই রোগেই সংক্রমণ হয়? এর প্রতিকার কী? 

সারভাইক্যাল ক্যানসার কী?
জরায়ুর মুখ যেখান থেকে শিশু জন্ম নেয়,  তাকে ইংরাজীতে সারভিকস্ বলে৷ এই অংশে   ক্যানসার হলে তাকে সারভাইক্যাল ক্যানসার বলে৷
এই প্রকার ক্যানসারের কারণ কী?
জরায়ুর এই অংশে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তনের ফলে ক্যানসার হতে পারে৷ এছাড়াও সহবাসের সময় যদি কোনভাবে এই অংশে আঘাত লেগে ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং এবং এই ক্ষত দীর্ঘদিন ধরে বাড়তে থাকে তবেও ,সারভাইক্যাল কানসার হতে পারে৷  এই রোগের অপর এক কারণ জীবাণু, যার নাম হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস৷ চিকিৎসকেরা সংক্ষেপে একে এইচপিভি বলে থাকেন৷ এটি জরায়ুতে বাসা বাঁধলে সারভাইক্যাল ক্যানসার হতে পারে৷
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস কীভাবে আক্রমণ করে?
এই জীবাণু আক্রমণের প্রধান কারণ হেলথ হাইজিনের অভাব৷ এছাড়াও এইচপিভি জাবীণু যদি সংখ্যায় বেড়ে যায়, তবেও এই রোগের সম্ভাবনা থেকে যায়৷ কেউ যদি একাধিক পুরুষের সঙ্গে সহবাস করেন তবেও, এই রোগ হতে পারে৷ অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় সেক্স পার্টনার্সদের মধ্যে কেউ যদি এইচপিভি ক্যারিয়ার হন তবে তার থেকে অপরজনের এই সংক্রমন হতে পারে৷ যদিও, এইচপিভি সংক্রমণ মানেই যে সারভাইক্যাল ক্যানসার, তা কিন্তু একেবারেই নয়৷
মা যদি সারভাইক্যাল ক্যানসারে আক্রান্ত হন, তবে কী গর্ভজাত শিশুরও এই সংক্রমণ হতে পারে?
একেবারেই নয়৷ মায়ের দেহের কোন জীবাণু কোনভাবেই সন্তানের উপর প্রভাব ফেলে না৷ ঈশ্বর শিশুর  জন্মরহস্য এমনভাবেই সৃষ্টি করেছেন যে গর্ভজাত সন্তানের কোনরকম সংক্রমণ মায়ের শরীরে থাকাকালীন হয় না৷
সারভাইক্যাল ক্যানসারের উপসর্গগুলি কী কী?
কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয় এই রোগের মূল উপসর্গ৷ অতিরিক্ত সাদা স্রাব, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, সহবাসের পর রক্তপাত, মনোপজের পরেও রক্তপাত, সারভিকসের গোড়ায় ব্যাথা ইত্যাদি৷ এছাড়াও অনেক সময় দেখা গিয়েছে রোগীর কিডনি অকোজে হয়ে যাওয়ার পিছনেও সারভাইক্যাল ক্যানসারের ভূমিকা রয়েছে৷ তাই এই কারণগুলি যদি দেখা যায়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত৷ কারণ,  সমস্যা ফেলে রাখলে ভবিষ্যতে এই রোগ সারানো অনেকবেশি অসুবিধাজনক হতে পারে৷
সারভাইক্যাল ক্যানসার প্রতিরোধের কোন উপায় আছে কী?
সারভাইক্যাল ক্যানসারের প্রতিষেধক বাজারে রয়েছে যার নাম এইচপিভি ভ্যাকসিন৷ যদিও, এটি অত্যন্ত খরচ সাপেক্ষ৷ আবার দেখা গিয়েছে অনেকক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিন ঠিক ভাবে কাজ করে না৷ তাই এই রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হল স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা৷
এই রোগের চিকিৎসা কী?
প্রাথমিক অবস্থায় অনেকসময় সার্জারি করা হয় বা রেডিওথেরাপি করা হয়ে থাকে৷ পরবর্তী পর্যায়ে রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপি দেওয়া হয়ে থাকে৷ কিন্তু, একেবারেই যদি দেরি হয়ে যায়, তখন আর সেইভাবে কিছু করার থাকে না, তখন রোগীর সাইন অ্যান্ড সিম্পটম অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়৷তবে, বর্তমানে চিকিৎসাবিজ্ঞান এতটাই উন্নত হয়েছে যে, সারভাইক্যাল ক্যানসার যদি প্রথমধাপেই ধরা পরে তবে রেডিওথেরাপির মাধ্যমে এটিকে সম্পূর্ণ ভাবে সারিয়ে তোলা সম্ভব৷ এমনকী সারভাইক্যাল ক্যানসারের তৃতীয়ধাপে এসেও প্রায় ৫০ শতাংশ রোগীকে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুস্থ ভাবে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব৷

অতিরিক্ত মদ্যপান ত্বকের ক্যানসারের কারণ

অনেকেই বলেন মদ্যপানের বিরুদ্ধে যারা তাদের মাথায় পরুক বাজ৷ তারা বেশ ভালোই জানান মদ্যপান শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর৷ তবে জানেন কি অতিরিক্ত মদ্যপান ত্বকের ক্যানসারেরও কারণ? 

এবার মনে হতেই পারে মদ খেলে তো লিভারে ক্যানসার হওয়ার কথা হঠাৎ ত্বকে কেন? সাম্প্রতিক গবেষণাতে উঠে এসেছে এমনই তথ্য৷
গবেষকেরা জানিয়েছেন অতিরিক্ত মদ্যপান শরীরে অর্ধেকেরও বেশি ত্বকের ক্যানসারের প্রাণঘাতী উপাদান উৎপাদন করে৷ তাঁরা জানিয়েছেন প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ পেগ মদ খেলে শরীরে কিছু জৈবিক পরিবর্তন হয় এর ফলে সুর্যরশ্মিতে শরীর অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে৷  
শুধু তাই নয় দিনে এক পেগ করে মদ খেলেও কিন্তু মিলানোমা হওয়ার সম্ভাবনা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷
গবেষক ডাঃ ইভা নেগরি জানিয়েছেন, অতি বেগুনী রশ্মি ও অ্যালকোহল শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়৷এতে অতিরিক্ত মাত্রায় ত্বকের কোষ ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং ত্বকে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়৷ তবে গবেষকেরা স্বীকার করেছেন যে, আ্যালকোহল কিভাবে ত্বকে ক্যানসার সৃষ্টি করে তা তারা এখনও জানতে পারেননি৷ কিন্তু তারা প্রমাণ করেছেন যে অ্যালকোহল শরীরে প্রবেশ করে দ্রুত অ্যাকটালডেহাইডি তে পরিণত হয়ে ত্বককে সূর্যরশ্মির সামনে অনেক বেশি সংবেদনশীল করে দেয়৷ এই গবেষণাটি সম্প্রতি ব্রিটিশ জার্নাল অফ ডার্মাটোলজিতে প্রকাশিত হয়েছে৷

হাসি হোক উন্মুক্ত

দাঁতের ফাঁকে বা ওপরে কালো  দাগ সুন্দর চেহারার বারোটা বাজিয়ে দেয়। অনেকে এই কালো দাগের জন্য প্রাণভরে হাসতেও ভয় পান। দাঁতের ফাঁকে কালো দাগ নানা কারণে হতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো দন্তমল। খাওয়ার পর বিভিন্ন খাদ্যকণা দাঁতের ফাঁকে বা মাড়িতে আটকে থাকে। দীর্ঘদিন আটকে থাকার কারণে  দাঁতের ওপর শক্ত আবরণ পড়ে, যা দন্তমলে পরিণত হয়। এ ছাড়া ধূমপান, জর্দা, পান ও তামাক সেবনেও দাঁতে দাগ পড়ে।

দন্তমল কেবল দেখতে খারাপ  তা নয়, এর ভেতরে জন্ম নেয় অসংখ্য জীবাণু। অনেক সময় এই জীবাণু রক্তে মিশে নানা বিপত্তির সৃষ্টি করতে পারে, এমনিক গর্ভস্থ শিশুর ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলে। এ ছাড়া মুখে দুর্গন্ধ এবং বারবার মাড়ির প্রদাহের জন্যও এটি দায়ী। তাই দাঁত সুন্দর ও সাদা রাখতে কিছু বিষয়ে সচেতনতা দরকার।
  • দিনে অন্তত দুবার বেশ কিছুক্ষণ সময় ধরে দাঁত ব্রাশ করুন।
  • ব্রাশ করার আগে ডেন্টাল ফ্লস বা সুতা দিয়ে দাঁতের ফাঁকগুলো পরিষ্কার করলে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
  • প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে  যাওয়ার আগে একটু ভালো কোম্পানীর মাউথওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন৷
  • রোজ কোনো শক্ত ফল যেমন পেয়ারা, আমড়া, আপেল ইত্যাদি দাঁত দিয়ে কামড়ে খান। তাজা শাক-সবজি যেমন গাজর, শসা, টমেটো, লেবু ইত্যাদিও দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে।
  • বছরে অন্তত দুবার দন্তমল দূর করার জন্য ডেন্টাল স্কেলিং করা উচিত।

চিনি আর তামাক একই

মিষ্টি খাবার মানেই জিভে জল আর মিষ্টি মানেই চিনি৷ অথচ এই চিনিই কিনা তামাকের মতো ক্ষতিকর!

এমন অবিশ্বাস্য তথ্যই দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের ইউনির্ভাসিটি অব লিভারপুলের গবেষক সায়মন ক্যাপওয়েল। চিনিকে নতুন তামাক হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
তার এ গবেষণার ফলাফল জানার পর বিশ্বের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যে চিনির পরিমাণ কমিয়ে আনবে বলে আশা করছেন সায়মন। চিনির ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য একটি ক্যাম্পেইন দলের সদস্য হয়ে কাজ করছেন সায়মন।
চিনির ক্ষতিকারক প্রভাব মানুষের স্থূলতা, বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধির পেছনে দায়ী। এজন্য খাদ্যপণ্যে চিনির পরিমাণ শতকরা ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, জিরো ফ্যাট ইয়োগার্ট (দই) ক্যানে প্রায় পাঁচ চা-চামচ চিনি থাকে। টমেটো স্যুপে থাকে প্রায় চার চা-চামচ চিনি। চকলেট বারে থাকে প্রায় আট চা-চামচ চিনি।
একজন পূর্ণবয়স্ক  নাগরিক দিনে ১২ চা-চামচ চিনি গ্রহণ করে থাকেন। অনেকে আবার দিনে ৪৬ চা-চামচ চিনিও খেয়ে থাকেন। চিনি আহরণের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  জানায়, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ চা-চামচ চিনি গ্রহণ করতে পারেন, এর বেশি নয়।
এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, বিশ্বব্যাপী স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে মৃত্যুর পেছনে মূল ভূমিকা চিনির। উলফসন ইন্সটিটিউট অব প্রিভেনটিভ মেডিসিনের গবেষক গ্রাহাম ম্যাকগ্রেগর বলেন, এখনই বিশ্বব্যাপী চিনির ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
এ বিষয়ে অপর এক চিকিৎসক জানান, চিনি কোনোভাবেই খাদ্যপণ্যের পুষ্টিমান বাড়ায় না, এমনকি ভোক্তাকে পরিতৃপ্তও করে না। স্থূলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চিনি টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগের সংক্রমণে ভূমিকা রাখে। জনস্বাস্থ্যের জন্য এ ধরনের খাদ্যপণ্যকে শিশুদের নাগাল থেকে দূরে রাখার বিষয়ে সর্তক করেছেন চিকিৎসকেরা।
শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য
শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কান্নাকাটি করে, পেট মোচড়ায় এবং খাওয়াদাওয়াও কমিয়ে দেয়। অস্বস্তি হয় বলেই এমনটা করে তারা। শিশুর এই অস্বস্তি মায়েদের উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা পানের বোঁটা বা সরষের তেলে আঙুল মাখিয়ে মলদ্বারে ঢুকিয়ে দেন। এতে সাময়িক সুফল এলেও পরে ফল হতে পারে মারাত্মক।
মাইগ্রেনের ব্যথা: কী খাবেন, কী খাবেন না

মাইগ্রেনের ব্যথা: কী খাবেন, কী খাবেন না

মাইগ্রেনের ব্যথা: কী খাবেন, কী খাবেন না
মাইগ্রেনের ব্যথা অনেকের কোনো কোনো দিনকে অসহ্য করে তোলে। মাথার কোনো এক পাশে প্রচণ্ড ব্যথা, বমি ভাব বা বমি, চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি সমস্যা এ সময় মানুষকে প্রায় শয্যাশায়ী করে ফেলে। মাইগ্রেনের ব্যথার আকস্মিক আক্রমণের জন্য কিছু বিষয় কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে কিছু খাবারদাবার, যা এই ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয়।
 বুকের যত ব্যাথা

বুকের যত ব্যাথা

হৃদ্‌রোগ ছাড়াও বুকে ব্যথা এবং প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। বুকে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নেন হৃদ্‌রোগের কারণে এমন ব্যথা হচ্ছে কি না। হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা বাতিল হলে চিকিৎসক বুকে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন এবং চিকিৎসার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। 

রুটিন চেকআপ কি জরুরি?

বাড়ির কর্তা অনেক সময় অফিস থেকেই হোক, কি নিজ উদ্যোগে, নিজের স্বাস্থ্যের রুটিন চেকআপ করিয়ে নেন। কিন্তু বাড়ির নারী সদস্যটি অনেক সময় থাকেন অন্ধকারে। বছর বছর কোনো রুটিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা তাঁর করা হয়ে ওঠে না।
ডায়রিয়ায় কী ওষুধ খাবেন?

ডায়রিয়ায় কী ওষুধ খাবেন?

ডায়রিয়ায় কী ওষুধ খাবেন?
হঠাৎ ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে অনেকে এটি থামাতে নানা ধরনের ওষুধ খেতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আসলে বেশির ভাগ ডায়রিয়ায় কোনো ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। কেবল যে পানি ও লবণ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, সেটা খাওয়ার স্যালাইন দিয়ে পূরণ করলেই চলবে। বেশির ভাগ ডায়রিয়া নিজে থেকেই সেরে যায়।